শুক্রবার, ১৪ জুন ২০২৪, ৩০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১

ঐতিহাসিক মুজিব নগরে 'সর্বস্তরে জাতীয় স্মৃতিসৌধ বাস্তবায়ন আন্দোলনে'র পথচলা শুরু

মেহেরপুর প্রতিনিধি
  ২৭ মার্চ ২০২৩, ১৪:১৭
ঐতিহাসিক মুজিব নগরে 'সর্বস্তরে জাতীয় স্মৃতিসৌধ বাস্তবায়ন আন্দোলনে'র পথচলা শুরু

স্বাধীনতার সূর্য সন্তান শহীদ বীর মুক্তিযোদ্ধাদের স্মরণে জাতীয় স্মৃতিসৌধের আদলে প্রতিটা জেলা-উপজেলায় স্মৃতিসৌধ বাস্তবায়ন চাই এই দাবীকে সামনে রেখে স্বাধীনতার প্রথম সরকার গঠনের ঐতিহাসিক স্থান মুজিবনগর থেকে ২৬ মার্চ স্বাধীনতা দিবসের প্রতিপাদ্য বুকে ধারন করে যাত্রা শুরু করলো “সর্বস্তরে জাতীয় স্মৃতিসৌধ বাস্তবায়ন আন্দোলন”।

এ উপলক্ষে ১৩ সদস্য বিশিষ্ট একটি আহবায়ক কমিটি গঠন করা হয়। আহবায়ক ইকরামুল কবির বাবলু , যুগ্ম আহবায়ক রফিকুর রশীদ রিজভী, যুগ্ম আহবায়ক অধ্যক্ষ হাফিজ ফারুক, যুগ্ম আহবায়ক আব্দুলাহ আল আমিন, যুগ্ম আহবায়ক মীর দিনার হোসেন, সদস্য সচিব মির্জা গালিব উজ্জ্বল এবং সদস্য তরিকুল ইসলাম, এনামুল হক এনাম, অধ্যাপক গৌতম বসু, কুটু জোর্য়াদ্দার , সালেহ কাজল , কামরুন্নেছা তানিয়া ও অভিজিৎ বসু ।

২৬ মার্চ বিকেলে মুজিবনগর স্মৃতিসৌধে পুষ্পমাল্য অর্পণ করে আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু করে “সর্বস্তরে জাতীয় স্মৃতিসৌধ বাস্তবায়ন আন্দোলন” কমিটি।

এসময় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন “বঙ্গবন্ধুর ডাকে মুজিব নগর সরকার” কমিটির আহবায়ক দোয়াজ উদ্দিন মাস্টার। আরও উপস্থিত ছিলেন, হাসানুজ্জামান রিপন, মোঃ স্বপন আলী, মোঃ শিমুল বিশ্বাস, ইব্রাহিম খান, হাসিবুল ইসলাম, আসলাম , রাজু আহমেদ, ইমরান হোসেন, আবু তালহা বিন হাবিব জুয়েল, আব্দুর রহিম, নয়ন আহামেদ প্রমুখ।

আহবায়ক ইকরামুল কবির বাবলু বলেন, স্বাধীনতার ৫২ বছরে ও মহান মুক্তিযুদ্ধে শহীদ বীর মুক্তিযোদ্ধাদের স্মরণে রাষ্ট্রীয় দুটি গুরুত্বপূর্ণ দিবসে বিক্ষিপ্ত আকারে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়, যা জাতি হিসেবে আমাদের জন্য লজ্জাজনক। তাই অবিলম্বে মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের শক্তি বর্তমান সরকারের নিকট দেশের প্রতিটা জেলা, উপজেলা এমনকি শিক্ষাঙ্গনগুলোতে জাতীয় স্মৃতিসৌধের আদলে স্মৃতিসৌধ বাস্তবায়ন ।

বক্তারা বলেন, এ আন্দোলন একটি চলমান আন্দোলন। শহীদ মিনার ও স্মৃতিসৌধ এক নয়, এর ভিন্নতা উপলব্ধিতে আনতে হবে। ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন, ৫৪ সালের যুক্তফ্রন্ট আন্দোলন, ৫৬ সালের শাসনতন্ত্র আন্দোলন, ৬২ সালের শিক্ষা আন্দোলন, ৬৬ সালের ৬ দফা আন্দোলন, ৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থান, ৭১ এর মুক্তিযুদ্ধ এই সাতটি আন্দোলনে শহীদদের স্মরণে সাতটি স্তম্ভের সমন্বয়ে নির্মিত হয়েছে জাতীয় স্মৃতিসৌধ।

পরিশেষে দল,মত, বর্ণ নির্বিশেষে সকল শ্রেণী পেশার মানুষকে এই আন্দোলনে সম্পৃক্ত থেকে শহীদ বীর মুক্তিযোদ্ধাদের শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের শক্তি বর্তমান সরকারের নিকট সর্বস্তরে জাতীয় স্মৃতিসৌধ বাস্তবায়নের দাবী জানানো হয়।

যাযাদি/ এসএস

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়
X
Nagad

উপরে