logo
বুধবার, ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২০, ৭ ফাল্গুন ১৪২৬

  হাসান আরিফ   ২৫ জানুয়ারি ২০২০, ০০:০০  

ঋণের পরিমাণ বৃদ্ধি

অর্থনীতির চ্যালেঞ্জে সরকার

অর্থবছরের বাকি সময়ের জন্য বাংলাদেশ ব্যাংক বেসরকারি খাতে ঋণের সীমা অপরিবর্তিত রেখে সরকারি ঋণের পরিমাণ বাড়িয়েছে

প্রবাসীদের পাঠানো অর্থের ওপর ভর করেই দাঁড়িয়ে আছে দেশের অর্থনীতি। আর জোগান হিসেবে আছে পোশাক খাত। এদিকে ব্যাংকিং খাত থেকে সরকারের ঋণসীমা ছয় মাসেই পার হয়ে গেছে। অর্থবছরের বাকি সময়ের জন্য বাংলাদেশ ব্যাংক বেসরকারি খাতে ঋণের সীমা অপরিবর্তিত রেখে সরকারি ঋণের পরিমাণ বাড়িয়েছে। যেহেতু সরকারের ঋণ বেশি প্রয়োজন তাই মুদ্রা সরবরাহও বাড়ানো হয়েছে। অর্থ মন্ত্রণালয় ও বাংলাদেশ ব্যাংকের বিভিন্ন উপাত্ত থেকে এ তথ্য পাওয়া গেছে।

বাংলাদেশ ব্যাংক বলছে, সার্বিক অর্থ ও ঋণ পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে নীতি সুদ হারে কোনো পরিবর্তন না এনে সার্বিক সরবরাহ পরিস্থিতির উন্নতি ও দেশের পুঁজি বাজারসহ বেসরকারি খাতে ঋণের প্রবাহ বৃদ্ধির লক্ষ্যে ব্যাপক মুদ্রা সরবরাহ বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত হয়েছে। এদিকে বৈশ্বিক অসহিষ্ণু রাজনৈতিক পরিস্থিতি ও অর্থনীতির সামগ্রিক অবস্থার বিবেচনায় বাংলাদেশ একটি চ্যালেঞ্জিং সময় পার করছে।

অন্যদিকে প্রবাসীদের পাঠানো রেমিটেন্সে নতুন রেকর্ড হয়েছে। নতুন বছরের প্রথম মাস জানুয়ারির ১৫ দিনেই প্রায় ১ বিলিয়ন ডলার রেমিটেন্স এসেছে বাংলাদেশে। সব মিলিয়ে ২০১৯-২০ অর্থবছরের সাড়ে ছয় মাসে (২০১৯ সালের ১ জুলাই থেকে ২০২০ সালের ১৫ জানুয়ারি) এক হাজার ৩০ কোটি (১০ দশমিক ৩৬ বিলিয়ন) ডলারের রেমিটেন্স পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা।

বাংলাদেশ ব্যাংক রেমিটেন্স প্রবাহের তথ্য অনুযায়ী, নতুন বছরের প্রথম মাস জানুয়ারির ১৫ তারিখ পর্যন্ত ৯৬ কোটি (প্রায় ১ বিলিয়ন) ডলার এসেছে বাংলাদেশে। এর আগে বাংলাদেশের ইতিহাসে দুই সপ্তাহে এত বেশি রেমিটেন্স আসেনি। অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসে (জুলাই-ডিসেম্বর) ৯৪০ কোটি ৩৪ লাখ (৯.৪ বিলিয়ন) ডলারের রেমিটেন্স এসেছিল বাংলাদেশে, যা ছিল গত অর্থবছরের একই সময়ের চেয়ে ২৫ দশমিক ৪৬ শতাংশ বেশি।

অন্যদিকে সরকারকে ঋণ নিতে সহায়তা করার জন্য বাংলাদেশ ব্যাংকের মুদ্রানীতিতে পরিবর্তন করা হয়েছে। পরিবর্তিত মুদ্রানীতি অনুযায়ী সরকারি ঋণের সীমা ২৩ দশমিক ৪ শতাংশ বাড়ানো হয়েছে। আগে ছিল ২৪ দশমিক ৩ শতাংশ এখন তা করা হয়েছে ৩৭ দশমিক ৭ শতাংশ। আর বেসরকারি খাতের ঋণসীমা ১৪ দশমিক ৮ শতাংশ অপরিবর্তিতই রাখা হয়েছে। আর সরকারি ঋণের সীমা বাড়ায় ব্যাপক মুদ্রা সরবরাহ দশমিক ৫ শতাংশ বাড়িয়ে ১৩ শতাংশ করা হয়েছে। যা আগে ছিল ১২ দশমিক ৫ শতাংশ। অর্থনীতিবিদরা এ প্রবণতায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।

২০১৯-২০ অর্থবছরে সরকার অভ্যন্তরীণ খাত থেকে মোট ৭৭ হাজার ৩৬৩ কোটি টাকা ঋণ নেবে বলে ঠিক করে। এর মধ্যে ব্যাংক ব্যবস্থা থেকে ৪৭ হাজার ৩৬৩ কোটি টাকা ঋণ নেওয়ার কথা। অর্থবছরের ছয় মাস ডিসেম্বর পর্যন্ত সরকার ৪৮ হাজার ১৫ কাটি টাকা ঋণ নিয়ে নিয়েছে। বাকি ছয় মাসের ঋণ পেতেই মুদ্রানীতিতে পরিবর্তন আনা হয়েছে।

বিশ্বব্যাংকের ঢাকা অফিসের অর্থনীতিবিদ ড. জাহিদ হোসেন বলেন, সরকার ঠিক তখনই ব্যাংক ঋণ বাড়ানোর উদ্যোগ নিল যখন অধিকাংশ বেসরকারি ব্যাংক তারল্য সংকটে ভুগছে। বিপুল অংকের টাকা ঋণখেলাপিদের পকেটে। আবার সে খেলাপিদের থেকে টাকা আদায়ে বাস্তবসম্মত কার্যকর কোনো উদ্যোগও চোখে পড়ছে না। এ অবস্থায় সরকার ব্যাংক ব্যবস্থা থেকে বড় অংকের ঋণ নিলে বেসরকারি বিনিয়োগ বাধাগ্রস্তের আশঙ্কা রয়েছে। একই সঙ্গে ব্যক্তি খাতের বিনিয়োগ প্রভাবিত হলে কর্মসংস্থানও বিঘ্নিত হবে।

অর্থনীতিবিদ ফারিয়া নাইম বলেন, সরকারের ঋণ বেড়ে গেলে বেসরকারি বিনিয়োগের ওপর সবচেয়ে বড় প্রভাব পড়ে। আর বিনিয়োগের ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়লে কর্মসংস্থানের সুযোগ কমার ঝুঁকি তৈরি হয়। আরও যে সমস্যাটি প্রবল হয়ে দাঁড়ায় তা হলো ব্যক্তিগত বিনিয়োগকারীদের তহবিল পেতে সমস্যা হয়। ফলে বিনিয়োগ বাড়ে না। আর বিনিয়োগ না বাড়লে উৎপাদনও বাড়ে না। ফলে বাধাগ্রস্ত হয় সামগ্রিক অর্থনীতি। মুদ্রাস্ফীতি বেড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা বেড়ে যায়। অর্থনীতির দুর্বলতাগুলো আরও বেশি বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, চলমান বাণিজ্য যুদ্ধ ও অতিসম্প্রতি মধ্যপ্রাচ্যে সৃষ্ট রাজনৈতিক অস্থিরতার প্রেক্ষাপটে বৈশ্বিক উৎপাদন প্রবৃদ্ধির শ্লথগতি অব্যাহত রয়েছে। তাই ২০১৯ সালের জুলাই-ডিসেম্বর সময়ে বাংলাদেশের রপ্তানি আয়ের প্রবৃদ্ধি কমে গেছে। আগামীতে তা অব্যাহত থাকতে পারে। মূলত ম্যানুফ্যাকচারিং খাতের প্রবৃদ্ধি প্রত্যাশার তুলনায় কম হওয়া এ সমস্যা দেখা দিয়েছে। তবে রেমিট্যান্সের প্রবাহ ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পাওয়ায় চলতি অর্থবছরে ভিত দাঁড়িয়ে আছে। তাই বছর শেষে সার্বিকভাবে জিডিপি প্রবৃদ্ধি ৮ দশমিক ২ শতাংশের কাছাকাছিই থাকবে বলে অর্থ মন্ত্রণালয় ও কেন্দ্রীয় ব্যাংক প্রত্যাশা করছে। এদিকে আন্তর্জাতিক বাজারে ভোজ্যতেলসহ অন্যান্য পণ্যের মূল্যের কিছুটা ঊর্ধ্বগতি থাকায় গড় সাধারণ মূল্যস্ফীতি ৫ দশমিক ৫ শতাংশের মধ্যে সীমিত রাখা কিছুটা চ্যালেঞ্জিং বলে আভাস পাওয়া গেছে।

একই সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, রপ্তানি আয় এবং আমদানি ব্যয় হ্রাস পেলেও প্রবাস আয় প্রেরণের ক্ষেত্রে দুই শতাংশ নগদ প্রণোদনা দেওয়ায় রেমিট্যান্সের জোরাল প্রবৃদ্ধির কারণে জুলাই-নভেম্বর, ২০১৯ সময়কালে চলতি হিসাব ও সার্বিক লেনদেন ভারসাম্যে ঘাটতির পরিমাণ ২০১৮-১৯ অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় হ্রাস পেয়েছে। সরকারের নগদ প্রণোদনা নীতি চলমান থাকায় রেমিট্যান্সের জোরাল প্রবৃদ্ধি স্বল্পমেয়াদে অব্যাহত থাকবে। তবে দীর্ঘমেয়াদে তা কী হবে এখনো অনুমান করতে পারছে না সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তর।

সূত্র জানায়, সরকার ইতিমধ্যে রপ্তানিকারকদের জন্য এক্সপোর্ট ডেভেলপমেন্ট ফান্ড থেকে গৃহীত ঋণের সুদহার একশত বেসিস পয়েন্ট হ্রাসের কারণে রপ্তানি আয়ের প্রবৃদ্ধি চলতি অর্থবছর শেষে ধনাত্মক হওয়ার প্রত্যশা করা হচ্ছে। এছাড়া সরকারের গৃহীত অবকাঠামোগত বড় বড় প্রকল্প বাস্তবায়নের কারণে বৈদেশিক ঋণের অন্তঃপ্রবাহ ও সরাসরি বৈদেশিক বিনিয়োগ বৃদ্ধির ফলে আর্থিক হিসাবে উদ্বৃত্ত থাকায় চলতি অর্থবছর শেষে সার্বিক লেনদেন ভারসাম্যে প্রায় ৪১০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার উদ্বৃত্ত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এ বিবেচনায় মুদ্রা ও ঋণ কর্মসূচিতে ব্যাংকিং খাতে নিট বৈদেশিক সম্পদের প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা কিছুটা বৃদ্ধি করা সমীচীন হবে বলে সরকারের সংশ্লিষ্টরা মনে করেন।

অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, এদিকে অভ্যন্তরীণ খাত থেকে ঋণ না পেলে অনেক সময় সরকারকে চড়া সুদে বিদেশি উৎস থেকেও ঋণ নিতে হয়, যা পরে চাপ তৈরি করে। একই ধরনের ঘটনা ল্যাটিন আমেরিকার দেশগুলোতেও দেখা যায়। অতিরিক্ত ঋণ সেসব দেশের আর্থিক খাতকে বিভিন্নভাবে প্রভাবিত করে থাকে। উচ্চ মূল্যস্ফীতি দেখা দেওয়া, সরকারি রিজার্ভে বড় ধরনের ধস নামা এবং ব্যাংকিং ব্যবস্থা থেকে শুরু করে বৈদেশিক মুদ্রার মূল্যমানে প্রভাব ফেলতে পারে। তাই সরকার বিদেশি উৎস থেকে ঋণ নেওয়ার ঝুঁকি না নিয়ে অভ্যন্তরীণ উৎসকেই বেছে নিয়েছে।

অগ্রণী ব্যাংকের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) ও জ্যেষ্ঠ ব্যাংকার সৈয়দ আবু নাসের বখতিয়ার আহমেদ বলেন, প্রস্তাবিত বাজেটে ব্যাংক ব্যবস্থা থেকে বিপুল অঙ্কের যে টাকা নেওয়ার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে এতে ব্যাংকিং খাতে অর্থের টানাটানি প্রকট আকার ধারণ করবে। নতুন কোনো উদ্যোক্তা ঋণ পাবে না। ব্যবসায়ীদের ঋণ পেতে কষ্ট হবে। কারণ ব্যাংকের হাতে এমনিতেই টাকা নেই। বেশির ভাগ বেসরকারি ব্যাংক তারল্য সংকটে ভুগছে। তার ওপর সরকার বড় অংকের টাকা নিলে বেসরকারি খাতের বিনিয়োগকারীদের টাকা দিতে পারবে না ব্যাংকগুলো। এতে বেসরকারি বিনিয়োগে নেতিবাচক প্রভাব পড়বে।

ব্যাংকের প্রধান নির্বাহীদের সংগঠন- অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকার্স বাংলাদেশের (এবিবি) চেয়ারম্যান ও ঢাকা ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) সৈয়দ মাহবুবুর রহমান বলেন, ব্যাংকিং খাত কিছুটা চাপে পড়বে। কারণ ব্যাংকগুলো নগদ অর্থের সংকটে আছে। সরকারকে এত টাকা দেওয়া কঠিন হবে। এটি কার্যকর হলে ব্যাংক ঋণের সুদ হারেও প্রভাব পড়বে।

ঢাকা চেম্বারের সভাপতি শামস মাহমুদ বলেন, সংকট কাটিয়ে উঠতে বিকল্প ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। তাই তৈরি পোশাক আমাদের রপ্তানি আয়ের প্রধান খাত হলেও, রপ্তানি আরও বাড়ানোর লক্ষ্যে অন্যান্য খাতের উন্নতি করতে হবে এবং সম্ভাবনাময় খাতগুলোর উন্নয়নে তৈরি পোশাক খাতের মতো বন্ডেড ওয়ার হাউস সুবিধা, ব্যাক টু ব্যাক এলসি, কর অবকাশ সুবিধা প্রদান ও নতুন প্রযুক্তি ব্যবহারের ওপর জোর দিতে হবে। আর আমাদের রপ্তানির মোট ৮০ শতাংশ হয়ে থাকে উত্তর আমেরিকা ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের দেশে, এক্ষেত্রে পণ্যের বহুমুখীকরণ এবং বাজার সম্প্রসারণ করতে হবে।

ডিসিসিআই সভাপতি বলেন, এটুআই প্রকল্প পরিচালিত গবেষণা অনুসারে, অটোমেশনের ফলে বাংলাদেশে তৈরি পোশাক, টেক্সটাইল, কৃষি ও খাদ্য, পর্যটন এবং চামড়া খাতের মোট কর্মসংস্থানের প্রায় ৪০ শতাংশ হুমকির মধ্যে রয়েছে, এ লক্ষ্যে মানবসম্পদের দক্ষতা উন্নয়ন ও ব্যবসা-বাণিজ্যের সব খাতে নতুন নতুন প্রযুক্তির ব্যবহারে বাড়াতে ন্যাশনাল স্কিলস ডেভেলপমেন্ট অথরিটি, জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ বু্যরোর মতো সংশ্লিষ্ট সব প্রতিষ্ঠানের সমন্বয়ে প্রশিক্ষণ প্রদান ও নতুন প্রযুক্তি ব্যবহারের আর্থিক প্রণোদনা দেওয়া প্রয়োজন। তাছাড়া রপ্তানি বহুমুখীকরণ মানবসম্পদের দক্ষতা উন্নয়ন, ইকোনোমিক ডিপেস্নামেসি, পুঁজিবাজার, জ্বালানি নিরাপত্তা, ভ্যাট-ট্যাক্স, বৈদেশিক বিনিয়োগ, ব্যবসা পরিচালনার সূচকে উন্নয়ন, গবেষণা ও উদ্ভাবন, অবকাঠামো খাতের উন্নয়ন এবং এসডিজি প্রভৃতি বিষয়ের ওপর গুরুত্ব দিতে হবে বলেও তিনি বলেন।

চলতি অর্থবছরের বাজেটের আকার ৫ লাখ ২৩ হাজার ১৯০ কোটি টাকা। এর মধ্যে ৩ লাখ ৮১ হাজার ৯৭৮ কোটি টাকা ধরা হয়েছে রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রা। বাকি ১ লাখ ৪৫ হাজার ৩৮০ কোটি টাকা ঘাটতি (অনুদান ছাড়া)। এ ঘাটতিরই একটি অংশ সরকার পূরণ করছে ব্যাংক ব্যবস্থা থেকে ধার করে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য বলছে, চলতি অর্থবছরের পাঁচ মাসে (জুলাই-নভেম্বর) জাতীয় রাজস্ব বোর্ড লক্ষ্যমাত্রা থেকে ২৬ হাজার ৮৭৬ কোটি টাকা কম রাজস্ব আদায় করেছে। একই সময়ে সঞ্চয়পত্র বিক্রি থেকে সরকারের কম সংগ্রহ হয়েছে ৭৩ শতাংশ, অর্থাৎ ১৫ হাজার ৮২০ কোটি টাকা। তবে সরকারি, আধাসরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও আধাস্বায়ত্তশাসিত সংস্থাগুলোর উদ্বৃত্ত তহবিল থেকে প্রায় ৩০ হাজার কোটি টাকা রাষ্ট্রীয় কোষাগারে আসবে বলে সরকার আশা করছে। এ জন্য জাতীয় সংসদে উপস্থাপিত আইনটি চলতি মাসেই পাস হয়ে যাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এতে ব্যাংক ব্যবস্থার ওপর কিছুটা হলেও চাপ কমবে।
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
close

উপরে