শুক্রবার, ২৪ মে ২০২৪, ১০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১

ডজনে ১০ টাকা বেড়েছে ডিমের দাম 

যাযাদি ডেস্ক
  ১৯ এপ্রিল ২০২৪, ১২:০১
ছবি-যায়যায়দিন

রাজধানী ঢাকার বাজারে এক সপ্তাহের ব্যবধানে ডিমের দাম ডজনে ১০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। রমজান মাস শেষে ডিমের চাহিদা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গেই বাজার চড়া হতে শুরু করেছে। বিক্রেতারা বলছেন, বাজারে সরবরাহ কম থাকার কারণে ডিমের দাম বেড়েছে।

বুধবার মগবাজার, মালিবাগ ও শাহজাহানপুর বাজার ঘুরে দেখা গেছে, এসব বাজারে প্রতি ডজন ফার্মের মুরগির বাদামি রঙের ডিম বিক্রি হচ্ছে ১২৫ থেকে ১৩০ টাকায়। এক সপ্তাহ আগে এই ডিমের দাম ছিল ১১৫ থেকে ১২০ টাকা। অন্যদিকে ফার্মের মুরগির সাদা রঙের ডিম বিক্রি হচ্ছে ডজন ১১৫ থেকে ১২০ টাকায়। গত সপ্তাহে যা ছিল ১১০ থেকে ১১৫ টাকা; অর্থাৎ সাদা ডিমের দাম বেড়েছে ডজনে ৫ টাকা। এ ছাড়া প্রতি ডজন দেশি মুরগি ও হাঁসের ডিম বিক্রি হচ্ছে কমবেশি ২০০ টাকায়।

মালিবাগ বাজারের ডিম বিক্রেতা তানভীর হাসান বলেন, ঈদের পর পাইকারি বাজার থেকে বাড়তি দামে ডিম কিনতে হচ্ছে। পাইকারি বাজারে ডিমের সরবরাহও কম। ফলে ডিমের দাম বেড়েছে।

ডিম ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিরা বলছেন, রোজার পুরো মাস স্কুল-কলেজ খোলা থাকে না। একই সঙ্গে বাসাবাড়ি থেকে শুরু করে রেস্তোরাঁয় ডিমের ব্যবহার কমে যায়। ফলে ডিমের চাহিদা বেশ হ্রাস পায়। চাহিদা কম থাকায় বাজারেও ডিমের দাম কমতির দিকে থাকে। কিন্তু রোজার মাস শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ডিমের ব্যবহার বাড়ে। সেই সুযোগে ডিমের দামও বাড়িয়ে দেওয়া হয়।

বাংলাদেশ এগ প্রডিউসারস অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি তাহের আহমেদ সিদ্দিকী বলেন, ডিমের উৎপাদন খরচ বেশি পড়ছে। একই সঙ্গে রোজা শেষ হওয়ার পরপরই বাজারে ডিমের চাহিদাও বেড়েছে। ফলে বাজার এখন বাড়তির দিকে।

অনেক খামারি মনে করেন, বাজার নিয়ন্ত্রণ করে কিছু ব্যবসায়ী ডিমের দাম বাড়াচ্ছেন। প্রান্তিক খামারিদের সংগঠন বাংলাদেশ পোলট্রি অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি সুমন হাওলাদার বলেন, ক্ষুদ্র খামারিরা ডিম উৎপাদন করে ন্যায্যমূল্য পান না। ঢাকাকেন্দ্রিক একটি চক্র বাজার নিয়ন্ত্রণ করে। তারাই দাম বাড়ায়। এই অবস্থার অবসান হওয়া উচিত।

বাংলাদেশ পোলট্রি ইন্ডাস্ট্রিজ সেন্ট্রাল কাউন্সিলের (বিপিআইসিসি) গত বছরের তথ্যানুযায়ী, দেশে সাধারণত প্রতিদিন চার কোটি ডিম উৎপাদিত হয়। প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের হিসাবে উৎপাদন আরেকটু বেশি।

যাযাদি/ এস

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়
X
Nagad

উপরে