বৃহস্পতিবার, ০২ ফেব্রুয়ারি ২০২৩, ১৯ মাঘ ১৪২৯
walton1

ঘোড়াঘাটে আগাম জাতের ধান কাটা মাড়াই শুরু

ম ঘোড়াঘাট (দিনাজপুর) প্রতিনিধি
  ২৮ অক্টোবর ২০২২, ০০:০০
দিনাজপুরের ঘোড়াঘাটে আগাম জাতের ধান কাটা মাড়াইয়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন কৃষকরা। অতিরিক্ত ফসল হিসেবে এসব জমিতে সরিষা, আলু ও শাক-সবজি আবাদের জন্য প্রস্তুতি গ্রহণ করছেন তারা। আগাম জাতের ধান বিক্রি করে কৃষকরা যেমন লাভবান হবেন, তেমনি সংকটকালীন সময় কাঁচা খড় বিক্রি করেও মোটা অংকের অর্থ আয় করতে পারছেন। উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, চলতি আমন মৌসুমে ঘোড়াঘাট উপজেলার চারটি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভার মধ্যে ১১.৫ হাজার হেক্টর জমিতে আমন ধানের চাষ করা হয়েছে। এর মধ্যে ২৫৪৯ হেক্টর জমিতে আগাম জাতের ধান চাষ করেছেন কৃষকরা। এসব ধানের মধ্যে রয়েছে- ধানি গুড়, ব্রি ধান ৭৫, ৮৭ ও ৪৯, বিনা ৭ ও ১৭, টিয়া, তেজ ও জটাপারি প্রভৃতি। বর্তমানে ধান কাটার পর এসব জমিতে কৃষকরা আলু, সরিষা ও শাক-সবজি আবাদের জন্য জমি প্রস্তুত করতে শুরু করেছেন। তেমনি মাঠ থেকে ধান কাটা মাড়াইসহ বাজারজাতকরণে ব্যস্ত সময় পাড় করছেন। পৌরসভা এলাকার লালমাটি গ্রামের খাদেমুল বলেন, উপজেলা কৃষি অফিসের পরামর্শে তিনি এক একর জমিতে ব্রি ধান ৭৫ ও জটাপারি জাতের ধান চাষ করেছেন। এই পরিমাণ জমিতে ৫৫ মণ ধান পেয়েছেন এবং কাঁচা ধান প্রতি মণ ১১০০-১১৫০ টাকা দরে বিক্রি করেছেন। উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অফিসার রুহুল আমিন বলেন, সাধারণত জুলাই মাসের শুরুতে এই ধান চাষ করতে হয়। মাত্র ১১০ দিনের মধ্যে এই ধান ঘরে তোলা যায়। আগাম জাতের ধানের ফলন যেমন ভালো হয়, তেমনি কৃষকরা কাঁচা খড় বিক্রি করে মোটা অংকের অর্থ পান। উপজলো কৃষি অফিসার ইখলাস হোসেন সরকার জানান, অতিরিক্ত ফসল আবাদের কথা চিন্তা করে কৃষকদের আগাম জাতের ধান চাষের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এতে ভালো ফলনসহ দামও ভালো পাচ্ছেন কৃষকরা। একই জমিতে এসব ফসল ওঠানোর পর বোরো ধান চাষ করা যায়।
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

উপরে