মঙ্গলবার, ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৩, ২৪ মাঘ ১৪২৯
walton1

রিচার্লিসনের ভাবনায় শুধুই ক্রোয়েশিয়া

ম ক্রীড়া ডেস্ক
  ০৭ ডিসেম্বর ২০২২, ০০:০০
দক্ষিণ কোরিয়ার বিপক্ষে অসাধারণ ফুটবলশৈলী উপহার দিয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে জায়গা করে নিয়েছে ব্রাজিল। হেক্সা মিশনে আরও এক ধাপ এগিয়ে গেল দলটি। তবে এখনই শিরোপা ভাবনায় ডুবতে চান না দলের অন্যতম সেরা তারকা রিচার্লিসন। আপাতত লক্ষ্যটা সেমিফাইনাল। তাই ক্রোয়েশিয়াকে নিয়ে ভাবতে চান এ ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ড। সোমবার রাতে ৯৭৪ স্টেডিয়ামে ফিফা বিশ্বকাপের শেষ ষোলোর ম্যাচে দক্ষিণ কোরিয়াকে ৪-১ গোলে গুঁড়িয়ে দিয়েছে ব্রাজিল। দলের হয়ে একটি করে গোল করেন ভিনিসিয়ুস জুনিয়র, নেইমার, রিচার্লিসন ও লুকাস পাকুয়েতা। কোরিয়ানদের পক্ষে সান্ত্বনাসূচক গোল করেন পাইক সিউং-হো। কোরিয়ার বিপক্ষে দাপুটে জয়ে শেষ আটে পৌঁছে এখন ক্রোয়েশিয়া ম্যাচ নিয়েই ভাবছেন রিচার্লিসন। ম্যাচ শেষে বলেন, 'আমাদের প্রথমে ক্রোয়েশিয়াকে নিয়ে ভাবতে হবে। আমরা এখন ক্রোয়েশিয়াকে নিয়ে ভাবছি, আরও একটি ধাপ এগিয়ে যাওয়ার জন্য। আপনাকে অবশ্যই এখন ক্রোয়েশিয়ার কথাই ভাবতে হবে।' বিশ্বকাপে এবার জাদুকরী ছন্দে রয়েছেন রিচার্লিসন। চার ম্যাচে তিনটি গোল করে দলের সর্বোচ্চ গোলদাতা তিনিই। বিশ্বকাপের আসরে সম্ভাব্য সেরা দুটি গোলও এসেছে তার কাছ থেকেই। তাতে বেজায় খুশি এ টটেনহ্যাম ফরোয়ার্ড, 'আমি খুব খুশি। আমাকে এভাবেই চালিয়ে যেতে হবে এবং আরও অনেক গোল করতে হবে।' আগামী শুক্রবার বাংলাদেশ সময় রাত ৯টায় এডুকেশন সিটি স্টেডিয়ামে সেমিফাইনালে সেলেসাওদের প্রতিপক্ষ ক্রোয়েশিয়া। সে ম্যাচের আগে দলটির ভালো অবস্থানে রয়েছে বলে জানান রিচা, 'সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপারটা হচ্ছে দলটি এখন ফোকাসে রয়েছে।' সোমবার দ্বিতীয় রাউন্ডের ম্যাচে প্রথম থেকেই নামেন নেইমার। দলের প্রথম গোলে অবদানের পাশাপাশি পেনাল্টি থেকে দ্বিতীয় গোল করে হয়েছেন ম্যাচসেরা। কোরিয়াকে বিধ্বস্ত করে দেওয়ার ম্যাচে খেলেছে চোখ ধাঁধানো ফুটবল। চোট কাটিয়ে কিছুটা আড়ষ্ট থাকলেও নেইমার ছিলেন সাবলীল। নেইমার জানালেন, সার্বিয়ার বিপক্ষে দলের দারুণ জয়ের পর প্রচন্ড বাজে রাত কেটেছিল তার, 'অনেক ভয় পেয়েছিলাম। আমি খুব ভালো ফর্মে ছিলাম, দারুণ একটি মৌসুম পার করছিলাম। এর মধ্যে গোড়ালির চোট মেনে নেওয়া কঠিন। ওই রাতে আমি অনেক কেঁদেছি, আমার পরিবারের মানুষ জানে।' এবার আর কাজ অসমাপ্ত রেখে যাতে সরতে না হয় তা নিয়ে বদ্ধপরিকর ছিলেন নেইমার। ওই রাতেই শুরু করেন সেরে উঠার লড়াই। ফিজিওর সঙ্গে চলে কঠোর পরিশ্রম, 'তবে ফেরার লড়াই হয় গ্রম্নহ। সব কিছু পরিকল্পনা করা হয়। এই লড়াই দারুণ। সেই রাত থেকে পরদিন ১১টা পর্যন্ত আমি ফিজিওর সঙ্গে কাজ করি। বাকি দিনগুলোতে ভোর ৫টা, ৬টা পর্যন্ত কাজ চলতে থাকে। এইসব কষ্ট সব উবে যাবে যদি শিরোপা জিততে পারি।' মনের জোর পাওয়ার কথা জানালেন এই তারকা, 'এরকম চোটের পর হাজারও ভয় ভিড় করেছিল। তবে আমার সতীর্থ ও পরিবার প্রচন্ড সমর্থন জোগাতে থাকে। বাইরে থেকে অনেক বার্তা পাই। যা আমার মনের জোর বাড়িয়ে দেয়। আমি সাহস ফিরে পাই। যারা আমাকে শুভকামনা জানিয়েছেন সবাইকে কৃতজ্ঞতা। ধন্যবাদই যথেষ্ট নয়। এখন আমি ব্রাজিলের জেতার জন্য সব কিছু করতে চাই।'
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

উপরে