শনিবার, ২৬ নভেম্বর ২০২২, ১১ অগ্রহায়ণ ১৪২৯

ভূয়া দুদক কর্মকর্তার বিরুদ্ধে জিতু বেপারীর মামলা

ভেদরগঞ্জ (শরীয়তপুর) প্রতিনিধি
  ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২২, ১৯:০১

চরসেন্সাস ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান সখিপুর থানা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি বিশিষ্ট ব্যবসায়ী সমাজ সেবক আলহাজ জিতু মিয়া বেপারী বাদী হয়ে চাঁদপুর জেলার মতলব উপজেলার নং ওয়ার্ড মল্লিক বাড়ী এলাকার সুজাত খান এর ছেলে এম. ইদ্রিস খান সহ মোট জনের বিরুদ্ধে শরীয়তপুর চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আমলী আদালতে একটি মামলা দায়ের করেছেন

 

মামলার এজাহার সুত্রে জানা যায়, বাদীর নির্বাচনী প্রতিপক্ষের ইন্দনে তার রাজনৈতিক, সামাজিক, অর্থনৈতিক ক্ষতি সাধনের লক্ষে নং আসামী নিজেদের দুদক কর্মকর্তা পরিচয় দিয়ে ০১৯১২৩৭৭৮০৯ নাম্বার থেকে তাকে ফোন করে দুদকের পরিচয় দিয়ে আমার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়ার হুমকী দেয় তখন নং আসামী নং সাক্ষীর উপস্থিতিতে ২০ লক্ষ টাকা চাঁদা দাবী করে পরে ইদ্দিস যাওয়ার সময় নং সাক্ষীর নিকট ফোন নাম্বারটি রেখে যায় আমি চাঁদপুর থেকে এসে তাকে ফোন দিলে নং আসামী নিজেকে দুদকের লোক পরিচয় দিয়ে আবারো বলেন, আপনার নামে অভিযোগ আছে ঢাকার কাকরাইলস্থ দুদক কার্যালয়ে আসেন

 

সে সুবাদে জিতু মিয়া সরল বিশ্বাসে চলতি মাসের ১৭ তারিখ দুদক কার্যালয়ে যাই সেখানে গিয়ে নং আসামীকে ফোন দিলে সে বলে মগ বাজার চৌরাস্তায় আসেন আমি মগ বাজার গিয়ে ফোন দিলে তিনি বলেন, চৌরাস্তার কাছেই ভাত-ভর্তা হোটেলে আসেন পরে আম গেলে দুদকের স্টাফ পরিচয় দিয়ে আমাকে বলেন, আপনার বিরুদ্ধে শত কোটি টাকা অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ আছে তবে আমি আপনাকে মুক্ত করতে পারি যদি আমাকে ২০ লক্ষ  টাকা দেন এসময় তাকে আমার ভুয়া মনে হলে আমি তার পরিচয়পত্র দেখতে চাই তখন সে বলে আমি দুদকের লোক নই আমি এনটিভি চ্যানেলের রিপোর্টার আমি তখন সেই পরিচয়পত্র দেখতে চাইলে সে বলে পরিচয়পত্র সাথে নেই সময় সে আমাকে ভয় দেখিয়ে বলে ধারাবাহিক ভাবে আপনার বিরুদ্ধে দুর্নীতির তথ্য তুলে ধরে ধারাবাহিক প্রতিবেদন প্রকাশ করবো এর পরে সম্পুর্ণ অসত্য, ষড়যন্ত্রমূলক, মনগড়া, বানোয়াট তথ্য দিয়ে একটি পোর্টালে সংবাদ আকারে প্রকাশ করতে থাকে মামলার আসামী সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দিয়ে আমার মানহানির চেষ্টা করে বর্তমানে আসামীদের ভয়ে আমার জীবন হুমকির সম্মুখিন আমি শারীরিক মানসিক ভাবে ক্ষতিগ্রস্থ এবং আমার সামাজিক রাজনৈতিক মর্যাদা অনেকাংশে ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে

 

ব্যাপারে মামলার বাদী জিতু বেপারী বলেন, আমি চরসেন্সাস ইউনিয়নের প্রথম নির্বাচিতসহ দুই বারের চেয়ারম্যান আমার পরিবার রাজনৈতিক ভাবে আওয়ামীলীগের সাথে সারাজীবন জড়িয়ে আছে আমি ১৯৮০ সাল থেকে রাইস মিল ব্যবসার মাধ্যমে কর্মজীবন শুরু করি এর পরে ১৯৮৫ সাল থেকে আমার ভাই তৎকালিন আওয়ামীলীগের ঢাকা মহানগর সহ-সভাপতি বাচ্চু বেপারীর সাথে স্বর্ণ ব্যবসায় যোগ দেই ১৯৯৭ সালে চরসেন্সাস ইউনিয়নবাসীর দাবীতে এলাকায় নির্বাচন করে বিপুল ভোটে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হই এর পাশাপাশি আমার ঠিকাদারী ব্যবসা, ঘাটের ডাক, আরৎদারী, ইটের ভাটা সহ বিভিন্ন ব্যবসা রয়েছে যার প্রতি বছর আমি রাজস্ব আয়কর প্রদান করে থাকি

 

যাযাদি/এস

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

উপরে