logo
বৃহস্পতিবার, ০৯ জুলাই ২০২০, ২৫ আষাঢ় ১৪২৬

  যাযাদি রিপোর্ট   ০২ জুন ২০২০, ০০:০০  

বর্ধিত ভাড়ায় গণপরিবহণ চালু

বর্ধিত ভাড়া নিয়ে চট্টগ্রামে চালক-যাত্রী বাগ্‌বিতন্ডা ভাড়া বাড়ানোর প্রজ্ঞাপন স্থগিত চেয়ে নোটিশ ভাড়া বৃদ্ধির প্রতিবাদে আজ বামজোটের বিক্ষোভ

বর্ধিত ভাড়ায় গণপরিবহণ চালু
করোনাভাইরাস সংক্রমণ রোধে সোমবার থেকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে শুরু হয়েছে গণপরিবহণ চলাচল। ছবিটি গাইবান্ধা থেকে তোলা -যাযাদি
দীর্ঘ দুই মাসের বেশি সময় ধরে বন্ধ থাকার পর সোমবার থেকে শুরু হয়েছে গণপরিবহণ চলাচল। সরকারের পক্ষ থেকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে এসব পরিবহণ পরিচালনার নির্দেশনা থাকলেও তার পুরোপুরি পালন করতে দেখা যায়নি। তবে এক্ষেত্রে বাসের আসনে ফাঁকা রাখার যে নির্দেশনা ছিল সেটি পালন করতে দেখা গেছে। এছাড়া স্বাস্থ্যবিধি পালন হচ্ছে কি না সেটি দেখার জন্য সরকারের সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর কোনো মনিটরিং চোখে পড়েনি। সকালে নগরীর বিভিন্ন এলাকা ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে।

সকালে সরেজমিনে সায়েদাবাদ টার্মিনাল থেকে গণপরিবহণে ঢাকার বিভিন্ন এলাকার উদ্দেশে বাসে যাত্রীদের উঠতে দেখা গেছে। হেলপাররা আগের মতো জোর করে টেনে টেনে যাত্রী তুলেছেন। এসময় কোনো পরিবহণে জীবাণুনাশক ছিটাতে দেখা যায়নি। তবে পরিবহণগুলো বের হওয়ার আগেই জীবাণুমুক্ত করে রাখা হয়েছে বলে দাবি পরিবহণ শ্রমিকদের।

জানতে চাইলে বলাকা সার্ভিসের চালকের সহযোগী ইলিয়াস হোসেন বলেন, 'রোববারই আমরা আমাদের সব বাস জীবাণুমুক্ত করেছি। এখনো হ্যান্ড স্যানিটাইজার পাইনি। তাই সেটা নিয়ে বের হতে পারিনি। তবে যাত্রীদের আমরা ধীরে ধীরে বাসে উঠাচ্ছি এবং নামাচ্ছি। তিনি নিশ্চিত করেন পাশাপাশি দুটি সিটে কাউকে বসতে দেওয়া হচ্ছে না।'

শাহবাগ এলাকায়ও গণপরিবহণ চলতে দেখা গেছে। তবে যাত্রী সংখ্যা কম। এই এলাকার পরিবহণ শ্রমিকরা জানিয়েছেন, সাধারণ মানুষও খুব বেশি পরিবহণে উঠছে না। যাদের একান্ত প্রয়োজন তারাই গণপরিবহণ ব্যবহার করছেন।

রজনীগন্ধা বাসের চালক জসিম উদ্দিন বলেন, 'যাত্রী কম। আমরাও মানুষকে ডাকাডাকি করে পরিবহণে তুলছি না। মানুষকে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে অনুরোধ করছি। বাসের ফাঁকা ফাঁকা স্থানে বসতে অনুরোধ করছি। যাদের মাস্ক নেই তাদের উঠতে দিচ্ছি না।' বাসে ওঠার সময় যাত্রীদের কেন হ্যান্ড স্যানিটাইজার দেওয়া হচ্ছে না এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমরা এখনো মালিক থেকে সেটা বুঝে পাইনি।

অন্যদিকে স্বাস্থ্যবিধি মানতে দেখা গেছে বেশ কয়েকটি গণপরিবহণে। খিলগাঁও এলাকায় মিডলাইন পরিবহণের চালকের সহযোগীর হাতে জীবাণুনাশক স্প্রে করতে দেখা গেছে। যাত্রীরা বাসে ওঠার সময় সবার হাতে প্রয়োজন মতো হ্যান্ড স্যানিটাইজার দেওয়া হচ্ছে। বাসটির ভেতরেও যাত্রীদের আসন ফাঁকা রেখে বসতে দেখা গেছে।

মন্ত্রণালয়ের যেসব নির্দেশনা মানার শর্তে ৬০ শতাংশ ভাড়া বৃদ্ধি করা হয় তার মধ্যে অন্যতম হচ্ছে স্বাস্থ্যবিধির নির্দেশনা মান্য করা। কিন্তু রাজধানীতে চলাচলকারী অধিকাংশ পরিবহণ মানছে না সে নির্দেশনা। তাছাড়া বর্ধিত ভাড়ার নতুন চার্টও ঝুলন্ত দেখা যায়নি।

সোমবার সকাল সাড়ে ৯টা থেকে সাড়ে ১১টা পর্যন্ত রাজধানীর শ্যামলী, কল্যাণপুর ও কলেজগেট এলাকায় সরেজমিনে দেখা যায়, যত্রতত্র যাত্রী ওঠানামা হয়েছে। অধিকাংশ পরিবহণে ছিল না হ্যান্ড স্যানিটাইজার বা জীবাণুনাশক স্প্রের ব্যবস্থা। হেলপার কিংবা কনডাক্টর টেনে টেনে বাসে যাত্রী তুলছেন সেই পুরানো অভ্যাসেই।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, করোনাভাইরাস সংকটের মধ্যেই অফিস খোলা ও গণপরিবহণ সীমিত আকারে চলাচলের সরকারি সিদ্ধান্তের পর বাসের ভাড়া ৮০ শতাংশ বাড়ানোর সুপারিশ করেছিল সড়ক পরিবহণ কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ)।

গতকাল সকালে শিশুমেলা ও কলেজ গেট এলাকায় দেখা যায়, সাভার, আশুলিয়া, গাজীপুর, মানিকগঞ্জ, মিরপুর, উত্তরা, টঙ্গী, আব্দুলস্নাহপুর থেকে ছেড়ে আসা রাজধানীর বিভিন্ন রুটে চলাচল করছে বাস। এর মধ্যে অন্যতম হচ্ছে ভূইয়া পরিবহণ, ট্রান্স সিলভা, আলিফ, অগ্রদূত, এস এম লাভলী দিশারী, বৈশাখী, নিউ ভিশন মিরপুর মেট্রো, সজন হিমাচল, তালুকদার ও সাভার পরিবহণ। এর অধিকাংশ পরিবহণে যাত্রীর সংখ্যা ছিল কম। বাসের ভেতর দুই সিটে একজন করে যাত্রী বসার নিয়ম ঠিকই মানা হয়েছে। অধিকাংশ পরিবহণের প্রধান দরজা লক করে রাখা হয়েছে। কিন্তু যাত্রী ওঠানোর জন্য যত্রতত্র দাঁড়াতে দেখা যায় অধিকাংশ বাসকে। যাত্রী ওঠানোর ক্ষেত্রে এবং নামানোর ক্ষেত্রেও স্বাস্থ্যবিধির কোনো নিয়ম মানা হয়নি।

পুরানো অভ্যাসেই হেলপারকে দেখা যায় কাঙ্ক্ষিত রুটের বাসের যাত্রীকে বাসে টেনে তোলার দৃশ্যও। বাসে যাত্রী ওঠানামার ক্ষেত্রেও মানা হচ্ছে না স্বাস্থ্যবিধি। অধিকাংশ পরিবহণে দেখা যায়নি হ্যান্ড স্যানিটাইজার কিংবা জীবাণুনাশক স্প্রে।

উলেস্নখ্য, করোনাভাইরাস সংকটের মধ্যেই অফিস খোলা ও গণপরিবহণ সীমিত আকারে চলাচলের সরকারি সিদ্ধান্তের পর বাসের ভাড়া ৮০ শতাংশ বাড়ানোর সুপারিশ করেছিল সড়ক পরিবহণ কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ)। বিআরটিএর ওই সুপারিশকে গণবিরোধী উলেস্নখ করে চলা সমালোচনার মধ্যেই রোববার বিআরটিএ এ সুপারিশের মাত্র ২০ শতাংশ কমিয়ে গণপরিবহণের ভাড়া ৬০ শতাংশ বাড়িয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করে সড়ক পরিবহণ ও সেতু মন্ত্রণালয়। সোমবার বর্ধিত ভাড়ায় রাজধানীসহ সারাদেশে গণপরিবহণ চলাচল শুরু হয়েছে।

জানতে চাইলে তরঙ্গ পরিবহণের যাত্রী নজরুল ইসলাম বলেন, বনশ্রীতে বোনের বাসা। তিনি খুবই অসুস্থ। তাকে দেখতে মোহাম্মদপুরের বাসা থেকে বের হয়েছি। বাধ্য হয়েই বাসে উঠেছি। আসলে যেসব স্বাস্থ্যবিধির কথা বলা হয়েছে সেগুলো পুরোপুরি পালন করা হচ্ছে না। যেখানে ঘনঘন আসনগুলো জীবাণুনাশক দিয়ে স্প্রে করার দরকার সেখানে দিনে একবারও করা হচ্ছে কি না সন্দেহ রয়েছে।

সার্বিক বিষয়ে জানতে চাইলে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহণ মালিক সমিতির মহাসচিব ও ঢাকা সড়ক পরিবহণ মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক খন্দকার এনায়েত উলস্নাহ বলেন, আজকের।

সোমবার সার্বিক পরিস্থিতি অনেক ভালো। যেসব নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে সেগুলো পুরোপুরি পালনের চেষ্টা চলছে। দূরপালস্নার গাড়িগুলোও স্বাস্থ্যবিধি মেনে চালানো হচ্ছে। আমি এবং আমাদের মালিকরা সবস্থানেই তদারকি করছেন।

তিনি আরও বলেন, মহাখালীসহ বিভিন্ন টার্মিনালে জীবাণুমুক্ত টানেল স্থাপন করা হয়েছে। যাত্রীদের মাস্ক পরা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। আর যারা স্বাস্থ্যবিধি অমান্য করবে তাদের গাড়ি রাস্তায় নামতে দেওয়া হবে না।

বর্ধিত ভাড়া নিয়ে বাগবিতন্ডা

এদিকে দুই মাসের বেশি সময় পর গণপরিবহণ দাপিয়ে বেড়াচ্ছে রাজপথ। যাত্রী-চালক-সহকারী সবার মুখে মাস্ক। সচেতন যাত্রীদের হাতে গস্নভস, মাথায় স্কার্ফও। কেউ কেউ হ্যান্ড স্যানিটাইজার বের করে হাত জীবাণুমুক্ত করে নিচ্ছেন। তাদের চোখেমুখে রাজ্যের উদ্বেগ। সোমবার গণপরিবহণ চলাচল আনুষ্ঠানিকভাবে শুরুর পরের চিত্র এটি।

চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পরিবহণ মালিক গ্রম্নপের সভাপতি বেলায়েত হোসেন বেলাল জানান, ৭০ ভাগ গণপরিবহণ সড়কে নেমেছে। বাকি ৩০ ভাগ গাড়ির চালক, সহকারীরা ঈদের ছুটিতে বাড়িতে যাওয়ার পর এখনো ফেরেনি। আশা করছি, ২-১ দিনের মধ্যে সব গণপরিবহণ সড়কে নেমে যাবে।

তিনি বলেন, কাউন্টার সার্ভিসে শতভাগ স্বাস্থ্যবিধি মানা হচ্ছে। লোকাল সার্ভিসের ক্ষেত্রে কিছু যাত্রী, চালক ও সহকারীর অসচেতনতা মাঝে মধ্যে দেখা যাচ্ছে। যদিও প্রশাসন কঠোরভাবে স্বাস্থ্য সুরক্ষা মানার বিষয়টি তদারকি করছেন।

নগরে ১ হাজার ১৫০ থেকে ১২শ বাস, দেড় হাজার হিউম্যান হলার ও ১ হাজার ৭০০ টেম্পো চলাচল করে বলে জানান এ পরিবহণ মালিক নেতা।

চট্টগ্রাম-নাজিরহাট-খাগড়াছড়ি বাস মালিক সমিতির প্রচার সম্পাদক মো. শাহজাহান জানান, ৪০ আসনের বাসে ২০ জন, ৩৫ আসনের বাসে ১৬ জন যাত্রী তুলছি আমরা। চট্টগ্রাম-খাগড়াছড়ি আগে ভাড়া ছিলো ১৯০ টাকা এখন নিচ্ছি ৩০০ টাকা। নিউমার্কেট থেকে হাটহাজারী ৩০ টাকার ভাড়ার জায়গায় এখন নিচ্ছি ৫০ টাকা। ৬০ শতাংশের বেশি ভাড়া বাড়ানো হয়নি।

তিনি জানান, প্রতিটি বাসস্ট্যান্ডে মাইক লাগিয়ে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার জন্য প্রচারণা চালানো হচ্ছে। চালক ও সহকারীদের মাস্ক ব্যবহারের জন্য কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

এস আলম বাস সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, ৬০ শতাংশ ভাড়া বাড়িয়ে চট্টগ্রাম থেকে পটিয়া ৮০ টাকা, চকরিয়া ২৮০ টাকা, পেকুয়া ২৪০ টাকা, টইটং ২২০ টাকা, মগনামা ২৫০ টাকা ও কক্সবাজার ৪০০ টাকা ভাড়া নির্ধারণ করা হয়েছে। মাস্ক ও হ্যান্ড গস্নভস ছাড়া যাত্রীদের বাসে তোলা হচ্ছে না। প্রতি ট্রিপের আগে গাড়ি জীবাণুমুক্ত করা হচ্ছে। কাউন্টারের বাইরে যাত্রীদের হাত ধোয়ার জন্য পানি ও সাবানের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।

নগরের টেম্পোগুলোর ভেতরে আগে ৯-১০ জন যাত্রী তোলা হলেও এখন চালকের পাশে একজনসহ মোট ৭ জন যাত্রী তোলা হচ্ছে। ভাড়া বাড়ানোর কারণে যাত্রীদের সঙ্গে চালক ও সহকারীর বাগবিতন্ডাও দেখা গেছে নগরের কয়েকটি স্থানে।

প্রজ্ঞাপন স্থগিত চেয়ে নোটিশ

করোনাভাইরাস মহামারির মধ্যে আন্তঃজেলা, দূরপালস্না ও নগর পরিবহণের বাস ও মিনিবাসের ভাড়া ৬০ শতাংশ বাড়িয়ে যে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে, তা স্থগিত চেয়ে উকিল নোটিশ পাঠানো হয়েছে।

এজন্য সড়ক পরিবহণ ও মহাসড়ক বিভাগের সচিব ও বাংলাদেশ সড়ক পরিবহণ কর্তৃপক্ষ-বিআরটিএর চেয়ারম্যানকে ৪৮ ঘণ্টা সময় বেঁধে দেওয়া হয়েছে।

সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মো. মনিরুজ্জামান লিংকন সোমবার সকালে তাদের ইমেইলে নোটিশটি পাঠান।

তিনি বলেন, করোনাভাইরাসের কারণে অর্থনৈতিকভাবে মানুষ বিপর্যস্ত। এজন্য সরকার কোটি কোটি মানুষকে ত্রাণের আওতায় এনেছে। তাদের কাজ-জীবিকার সুযোগ করে দেওয়ার জন্য সীমিত পরিসরে কলকারখানাও খুলে দিয়েছে। ঠিক সেই মুহূর্তে বিপর্যস্ত সাধারণ মানুষের ওপর বাড়তি ভাড়ার বোঝা চাপানো হচ্ছে।

'বিশ্ব বাজারে যেখানে তেল বা জ্বালানির দাম সর্বনিম্ন। সে দামের সাথে সমন্বয় করে ভাড়া কমিয়ে জনগণকে সে সুবিধা দেওয়া যেত। অথবা পরিবহণ খাতে প্রণোদনা বা ভর্তুকি দিয়ে ভাড়া কমানো যেত। এটা সরকারের দায়িত্ব। কিন্তু তা না করে যাদের ত্রাণের আওতায় আনা হয়েছে সেই বির্পযস্ত সাধারণ মানুষের উপর বাড়তি ভাড়া চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে। 'তাছাড়া ইতিমধ্যেই আমরা লক্ষ্য করেছি বাস মালিকরা স্বাস্থ্যবিধি বা অর্ধেক যাত্রী নিয়ে বাস চালানোর বিষয়টাও মানছে না। তাই ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে প্রজ্ঞাপনটি স্থগিত না করলে জনস্বার্থে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।'

অর্ধেক যাত্রী তোলার শর্তে আন্তঃজেলা ও দূরপালস্না এবং নগর পরিবহণের বাস ও মিনিবাসের ভাড়া ৬০ শতাংশ বাড়িয়ে রোববার প্রজ্ঞাপন জারি করে সড়ক পরিবহণ ও মহাসড়ক বিভাগ; যা সোমবার থেকেই কার্যকর হয়েছে।

আজ বাম জোটের বিক্ষোভ

বাস ভাড়া বৃদ্ধির প্রতিবাদে আজ মঙ্গলবার (২ জুন) দেশব্যাপী বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করবে বাম গণতান্ত্রিক জোট।

সোমবার এক বিজ্ঞপ্তিতে সকল জেলা-উপজেলা শাখাকে কর্মসূচি পালনের আহ্বান জানানো হয়েছে বাম জোটের কেন্দ্রীয় পরিচালনা পরিষদের পক্ষ থেকে।

বাসের ভাড়া বৃদ্ধির সিদ্ধান্তকে অযৌক্তিক উলেস্নখ করে বাম জোটের সমন্বয়ক বজলুর রশীদ ফিরোজ বলেন, বাসের ভাড়া পূর্বেই যা বৃদ্ধি করা হয়েছিল সেটাই অযৌক্তিক ছিল। সেই সময়ও জনগণ তা মানেনি। করোনা পরিস্থিতি যখন ভাড়া কমানো প্রয়োজন, তখন নতুন করে বাড়ানো হয়েছে।

এই সিদ্ধান্ত করোনায় বিপর্যস্ত জনগণের ওপর 'মড়ার উপর খাঁড়ার ঘা' উলেস্নখ করে অবিলম্বে এ গণবিরোধী সিদ্ধান্ত বাতিলের আহ্বান জানান বাম জোটের এ সমন্বয়ক।
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
close

উপরে