logo
শনিবার, ০৮ আগস্ট ২০২০, ২৪ শ্রাবণ ১৪২৬

  মু. জোবায়েদ মলিস্নক বুলবুল, টাঙ্গাইল   ১৫ জুলাই ২০২০, ০০:০০  

কোরবানির হাট কাঁপাবে নাগরপুরের 'খোকাবাবু'

কোরবানির হাট কাঁপাবে নাগরপুরের 'খোকাবাবু'
টাঙ্গাইলের নাগরপুরে প্রায় এক টন ওজনের ষাঁড় 'খোকাবাবু'র সঙ্গে খামারি আবুল কাশেম -যাযাদি

নাদুস-নুদুস পায়ে নির্দিষ্ট গন্ডিতে ধীরলয়ে হাঁটছে 'খোকাবাবু', বয়সের তুলনায় যেন একটু ভারিই; ওজনও কম নয় প্রায় ২৭ মণ বা এক টন। সাদা-কালোর মিশেলে শরীরের রংটাও মানানসই। অবয়বে যেন আভিজাত্যের ছাপ, অনেকটা কেতাদুরস্ত। আর ক'দিন পরই ঈদুল আজহা, কোরবানির ঈদ। কোরবানির ঈদকে সামনে রেখেই 'খোকাবাবু'কে লালন-পালন করেছেন ওর মালিক। ঈদে খোকাবাবু ভালো দামে বিক্রি হবে। এমনটা প্রত্যাশা ওর মালিকের। 'খোকাবাবু' একটি ফিজিয়াম জাতের গরুর নাম, স্বভাবে অনেকটা শান্ত প্রকৃতির ষাঁড়। টাঙ্গাইলের নাগরপুর উপজেলার নঙ্গিনাবাড়ি গ্রামের খামারি আবুল কাশেম ষাঁড়টির মালিক। তিনি আদর করে নাম দিয়েছেন 'খোকাবাবু'। এবারের ঈদে নাগরপুরের কোরবানির হাট কাঁপাবে 'খোকাবাবু'- এমন মন্তব্য দর্শনার্থীদের। দূর-দূরান্ত থেকে প্রতিদিনই 'খোকাবাবু'কে দেখতে ভিড় করছেন উৎসুকরা। 'খোকাবাবু'র মালিক আবুল কাশেম জানান, খোকাবাবু খুবই শান্ত, রোগমুক্ত এবং স্বাস্থ্য ঝুঁকিমুক্ত। বাজারের গরুর ফিড খাবার খাওয়ানোর সাধ্য তার নেই। তাই নাগরপুর উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তরের ডা. রফিকুল ইসলামের সাথে তিনি যোগাযোগ করেন। ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী গরুর ওজন এবং প্রয়োজনের ভিত্তিতে প্রাকৃতিক (ব্যালেন্সড) সুষম খাবার খাওয়াতে থাকেন। খোকাবাবু'র খাদ্য তালিকায় রয়েছে বিভিন্ন ধরনের সবুজ ঘাস, গাছের পাতা, খড়, ভূষি, ভুট্টা ভাঙা, সরিষার খৈল, নালি, চালের কুড়া, লবণ, পরিমাণমত পানি। তিনি জানান, নিয়মিত গোসল করানো, পরিষ্কার ঘরে রাখা, খোকাবাবুর ঘরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখা, নিয়মিত 'হাঁটানো, রুটিন অনুযায়ী ভ্যাকসিন দেওয়া ও কৃমির ওষুধ খাওয়ানো- এ সকল বিষয়ে প্রাণিসম্পদ অফিসের ডাক্তারের পরামর্শেই খোকাবাবু'র ওজন এক টনে গিয়ে দাঁড়িয়েছে। খোকাবাবুকে মোটাতাজা করতে কোনো প্রকার ওষুধ বা ইনজেকশন ব্যবহার করা হয়নি। তুলনামূলকভাবে কম অর্থ ও ঝুঁকিতে তিনি খোকাবাবুকে বড় করে তুলেছেন। ফলে খোকাবাবুর শরীর নিরাপদ মাংসের উৎস। আবুল কাশেম আরও জানান, তিনি খোকাবাবুর দাম হাঁকছেন ১২ লাখ টাকা। তবে বাজারে ক্রেতা ও গরুর সরবরাহের উপর নির্ভর করে তিনি বিক্রি করবেন। তিনি পরিশ্রমের সঠিক মূল্য পেলে ভবিষ্যতে আরও ভালো মানের গরু উৎপাদনের চেষ্টা করবেন। নাগরপুর উপজেলা প্রাণিসম্পদ সম্প্রসারণ কর্মকর্তা আশিক সালেহীন বলেন, গরুটিকে সম্পূর্ণ দেশীয় খাবার খাইয়ে লালন-পালন করা হয়েছে। গরুটির জাত ফিজিয়াম। এ জাতের গরু দেশের অনেক খামারিই পালন করছেন।

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত

সকল ফিচার

রঙ বেরঙ
উনিশ বিশ
জেজেডি ফ্রেন্ডস ফোরাম
নন্দিনী
আইন ও বিচার
ক্যাম্পাস
হাট্টি মা টিম টিম
তারার মেলা
সাহিত্য
সুস্বাস্থ্য
কৃষি ও সম্ভাবনা
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
close

উপরে