logo
শনিবার, ০৮ আগস্ট ২০২০, ২৪ শ্রাবণ ১৪২৬

  ক্রীড়া ডেস্ক   ১৬ জুলাই ২০২০, ০০:০০  

অবশেষে করোনামুক্ত মাশরাফি

অবশেষে করোনামুক্ত মাশরাফি

করোনাভাইরাস থেকে মুক্তি মিলল মাশরাফি বিন মর্তুজার। শনাক্ত হওয়ার ২৪ দিন পর কোভিড-১৯ থেকে সুস্থ হয়ে উঠেছেন সাবেক ওয়ানডে অধিনায়ক। তার ছোট ভাই মোরসালিন বিন মর্তুজার করোনাভাইরাস পরীক্ষার ফলও এসেছে নেগেটিভ। তবে আবারও মাশরাফির স্ত্রী সুমনা হকের পরীক্ষার ফল এসেছে পজিটিভ। পরীক্ষার জন্য রোববার নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছিল মাশরাফিদের। সংবাদ মাধ্যমকে মাশরাফি জানিয়েছেন, মঙ্গলবার রাতে তারা জানতে পেরেছেন পরীক্ষার ফল। বাংলাদেশের সফলতম ওয়ানডে অধিনায়ক ও নড়াইল-২ আসনের সাংসদ মাশরাফি করোনাভাইরাসের উপসর্গ নিয়ে গত ১৯ জুন পরীক্ষা করিয়েছিলেন। পরদিন তার ফল আসে পজিটিভ। আক্রান্ত হওয়ার পর বাসায় থেকেই চিকিৎসা নেন তিনি। অনেকটা সুস্থ অনুভব করায় ডাক্তারের পরামর্শে মাঝে দুই দফায় পরীক্ষা করিয়েছিলেন। কিন্তু তখনো পজিটিভ আসে ফল। এরপর আবার পরীক্ষা করালেন একটু সময় নিয়ে। এবার ফুরাল প্রতীক্ষা। মোরসালিনের করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছিল গত ২৩ জুন, মাশরাফির স্ত্রী সুমনা হকের ২৫ জুন। মাশরাফির মতো তারা দু'জনও চিকিৎসা নিয়েছেন বাসায় থেকেই। মাশরাফির করোনাভাইরাস শনাক্ত হওয়ার পরদিনই তার ৯ বছর বয়সি মেয়ে হুমায়রা ও সাড়ে ৫ বছর বয়সি ছেলে সাহেলকে পাঠিয়ে দেওয়া হয় নড়াইল। মাশরাফির শাশুড়ি ও শ্যালিকা করোনাভাইরাস থেকে সেরে উঠেছেন আগেই। তারা নড়াইলে আক্রান্ত হলেও সুস্থ হয়েছেন ঢাকায় একটি হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়ে। মাশরাফির ঢাকার বাসার এক গৃহকর্মীও আগেই সুস্থ হয়েছেন হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়ে। অ্যাজমার পুরনো সমস্যার কারণে মাশরাফিকে নিয়ে একটু শঙ্কা ছিল। তবে তিনি জানালেন, পজিটিভ থেকে নেগেটিভ হওয়ার এই পরিক্রমায় খুব গুরুতর সমস্যা হয়নি তার। জ্বর, শরীর ব্যথা, মাথা ঘোরানো, খাবারের স্বাদ হারানো- এসব অবশ্য ছিল। সুস্থ হওয়ার খবর জানিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মাশরাফি মঙ্গলবার সবাইকে আহ্বান জানালেন নিরাপদ থাকার ও লড়াই চালিয়ে যাওয়ার, 'আলস্নাহর রহমতে ও আপনাদের সবার দোয়ায় আমার করোনাভাইরাস পরীক্ষার ফল নেগেটিভ এসেছে। আজকে রাতেই ফল জানতে পেরেছি। এই পুরোসময়টায় যারা পাশে ছিলেন, দোয়া করেছেন, অনেকে উদ্বিগ্ন ছিলেন ও নানাভাবে খোঁজ নিয়েছেন বা নেওয়ার চেষ্টা করেছেন, সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা।' সুস্থ হওয়ার পর আবারও সবাইকে সতর্ক ও নিরাপদে থাকার আহ্বান এই পেসারের, 'বাসায় থেকে চিকিৎসা নিয়েই আমি সেরে উঠেছি। যারা আক্রান্ত হয়েছেন, সবাই সাহস রাখবেন। আলস্নাহর ওপর ভরসা রাখবেন। নিয়ম মেনে চলবেন। সবাই নিরাপদে থাকবেন, ভালো থাকবেন। একসঙ্গে থেকে করোনাভাইরাসের সঙ্গে আমাদের লড়াই চালিয়ে যেতে হবে।' বাংলাদেশের ক্রিকেটারদের মধ্যে এর আগে বাঁহাতি স্পিনার নাজমুল ইসলাম অপু ও সাবেক ক্রিকেটার নাফিস ইকবাল আক্রান্ত হয়েছিলেন তাদের পরিবারের কয়েকজন সদস্যসহ। তারা সবাই সুস্থ হয়ে উঠেছেন।

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত

সকল ফিচার

রঙ বেরঙ
উনিশ বিশ
জেজেডি ফ্রেন্ডস ফোরাম
নন্দিনী
আইন ও বিচার
ক্যাম্পাস
হাট্টি মা টিম টিম
তারার মেলা
সাহিত্য
সুস্বাস্থ্য
কৃষি ও সম্ভাবনা
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
close

উপরে