আখ চাষে স্বাবলম্বী আল আমিন

আখ চাষে স্বাবলম্বী আল আমিন

মাত্র ২৫ শতক জমিতে নিজের উৎসাহে আখের চাষ করেছেন আল আমিন। আখের ফলন হয়েছে বাম্পার। খরচ গিয়ে মোটা অংকের টাকা লাভবান হবেন তা নমুনা দেখেই বুঝা যাচ্ছে। উৎসাহ সহযোগিতা পেলে আগামী বছর আরও বেশি পরিমাণ জমিতে আখের চাষ করবেন বলে জানান তিনি। আল আমিন নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজার উপজেলার উচিৎপুরা ইউনিয়নের জাঙ্গালিয়া গ্রামের মৃত মফিজউদ্দিনের ছেলে।

দীর্ঘ দিন সৌদী প্রবাসে ছিলেন নিজের এলাকায় বডি বিল্ডার নামে পরিচিত আল আমিন (৪০) বিদেশে থাকতে পরিবারের সবাইকে সহযোগিতা করে গেছেন তিনি। কিন্তু বছর খানেক আগে দেশে এসে পরিবারের কাছ থেকে তেমন কোন সহযোগিতা পাননি। এক সময় নিজেকে নিঃস্ব মনে করতে শুরু করেন আল আমিন। বাড়ী সংলগ্নে ৬০ শতক জমি আছে তার।

এর মধ্যে পরীক্ষা মূলক ভাবে ২৫ শতক জমিতে আখের চাষ করেন। বাকী ৩৫ শতক জমি অনাবাদী রয়েছে। সাড়ে চার মাস আগে তিনি ২৫ শতক জমিতে ৪৩৫ টি স্তুপে আখ রোপন করেন। পরে কিছু চারা নষ্ট হয়ে এখন ৩৫০টি স্তুপের মত রয়েছে। প্রতিটি স্তুপে আখের গাছ রয়েছে ১০/১৫ টি করে। আখ গুলো বর্তমানে বিক্রির উপযোগি হয়ে উঠেছে। প্রতিটি আখের মূল্য এখনই ৬০ টাকা করে দাম দর করছেন ক্রেতারা। ফলে আখ বিক্রি করে তার প্রায় লাখ টাকা আয় হওয়ার কথা। এর আগে তিনি ওই জমিতে বেগুণের চাষ করেছিলেন বলে জানান। বেগুণ চাষে ৫০ হাজার টাকা খরচ করে আয় হয়েছে লাখ ৭০ হাজার টাকা। বেগুণ চাষের চেয়ে আখ চাষে তিনি বেশি লাভবান হবেন বলে আশা প্রকাশ করছেন।

তবে আল আমিন দুঃখ করে বলেন, আমি সম্পূর্ণ নিজের ইচ্ছা , মেধা এবং কারো কোন পরামর্শ ছাড়াই পরীক্ষামূলক ভাবে অল্প জমিতে আখ চাষ করেছি। উপজেলা কৃষি বিভাগ কিংবা কোন সরকারী বেসরকারি সংস্থা থেকে কোন প্রশিক্ষণ, পরামর্শ বা সহযোগিতা পাইনি। উৎসাহ সহযোগিতা পেলে আগামী বছর ৬০ শতক জমির পুরোটাতেই আখের চাষ করব।

এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, আল আমিনের দেখা দেখি ওই এলাকার আরও বেশ কয়েকটি জমিতে আখের চাষ করেছেন কৃষকেরা। তাদের আশা, আগামীতে তারাও আরও বেশি পরিমাণ জমিতে আখের চাষ করবেন।

ব্যাপারে আড়াইহাজার উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মাহমুদুল হাসান ফারুকীর সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলে উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা মো: ফারুক ভূঁইয়া জানান, স্যার একটি মিটিং আছেন।

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত

আরও খবর

Copyright JaiJaiDin ©2022

Design and developed by Orangebd


উপরে