বৃহস্পতিবার, ২৫ জুলাই ২০২৪, ১০ শ্রাবণ ১৪৩১

অষ্ট্রেলিয়ার হাইকমিশনার ও বিজিএমইএ সভাপতির মধ্যে বানিজ্য সুযোগ নিয়ে আলোচনা

যাযাদি ডেস্ক
  ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৩, ১১:১৪
অষ্ট্রেলিয়ার হাইকমিশনার ও বিজিএমইএ সভাপতির মধ্যে বানিজ্য সুযোগ নিয়ে আলোচনা

বাংলাদেশে অষ্ট্রেলিয়ার হাইকমিশনার জেরেমি ব্রুয়ার (H. E. Jeremy Bruer) ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৩ বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতি (বিজিএমইএ) এর সভাপতি ফারুক হাসানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন।

বৈঠকে আরও উপস্থিত ছিলেন বিজিএমইএ এর সহ-সভাপতি শহিদউল্লাহ আজিম, পরিচালক আবদুল্লাহ হিল রাকিব, পরিচালক ব্যারিস্টার ভিদিয়া অমৃত খান, পরিচালক নীলা হোসনে আরা, বিজিএমইএ স্ট্যান্ডিং কমিটি অন প্রেস, পাবলিকেশন অ্যান্ড পাবলিসিটি এর চেয়ারম্যান শোভন ইসলাম, বিজিএমইএ স্ট্যান্ডিং কমিটি অন আরএসসি এর চেয়ারম্যান নাফিস-উদ-দৌলা এবং বিজিএমইএ স্ট্যান্ডিং কমিটি অন ট্রেড ফেয়ার এর চেয়াম্যান মোহাম্মদ কামাল উদ্দিন। ঢাকার উত্তরায় বিজিএমইএ কমপ্লেক্সে অনুষ্ঠিত বৈঠকে আরও উপস্থিত ছিলেন এইচএসবিসি বাংলাদেশের সিইও মাহবুব উর রহমান, অষ্ট্রেলিয়ান হাইকমিশনের সেকেন্ড সেক্রেটারি (ইকোনমিক) জোশুয়া গাকুটান (Joshua Gacutan) এবং ট্রেড অ্যান্ড ইকোনমিক ডেভেলপমেন্ট ম্যানেজার নিটোল দেওয়ান (NitolDewan) ।

বৈঠকে পারস্পরিক স্বার্থ এবং বাংলাদেশ ও অষ্ট্রেলিয়ার মধ্যে বিরাজমান বাণিজ্যের সুযোগগুলো কাজে লাগাতে সম্ভাব্য সহযোগিতার বিষয়গুলো নিয়ে ফলপ্রসু আলোচনা হয়।

উভয় পক্ষই দুই দেশের মধ্যে দ্বি-পাক্ষিক বাণিজ্য বাড়ানোর উপায়সহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন।

তারা অংশীদারিত্ব জোরদারকরণের এবং উচ্চ সম্ভাবনার ক্ষেত্রগুলোতে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণের উপায়গুলোও চিহ্নিত করেন।

বৈঠকে আলোচনার অন্যতম প্রধান বিষয় ছিলো এলডিসি-পরবর্তী সময়ে বাংলাদেশের জন্য অষ্ট্রেলিয়ার শুল্কমুক্ত বাজারে প্রবেশাধিকার অব্যাহত রাখা। বিজিএমইএ সভাপতি এ ব্যাপারে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

অষ্ট্রেলিয়ার বাজারে বিশেষ করে হাই-এন্ড ফ্যাশন আইটেম রপ্তানিতে বাংলাদেশের গভীর আগ্রহ এবং বাংলাদেশের তৈরি পোশাক খাতের জন্য অষ্ট্রেলিয়া থেকে তুলা ও উলের আমদানি বাড়ানোর সম্ভাবনাও আলোচনায় উঠে আসে।

বিজিএমইএর সভাপতি ফারুক হাসান বাংলাদেশের উন্নয়নে সহযোগিতা অব্যাহত রাখার জন্য অষ্ট্রেলিযার প্রশংসা করেন।

তিনি বাংলাদেশের পোশাক রপ্তানির জন্য একটি প্রতিশ্রুতিশীল বাজার হিসেবে অষ্ট্রেলিয়ার গুরুত্ব ও তাৎপর্য তুলে ধরেন।

তিনি অষ্ট্রেলিয়ার তুলা এবং উলের মতো কাঁচামালের সরবরাহকারী এবং বাংলাদেশের পোশাকখাতের মধ্যে সংযোগ বাড়ানোর গুরুত্বও তুলে ধরেন।

ফারুক হাসান চলতি বছরের ১৮ জুলাই মেলবোর্নে প্রথমবারের মতো বাংলাদেশ অ্যাপারেল সামিট আয়োজনে সহযোগিতার জন্য অষ্ট্রেলিযার হাইকমিশনারকে ধন্যবাদ জানান।

উল্লেখ্য যে, শীর্ষ সম্মেলনটি পোশাক শিল্পের ক্রেতা, খুচরা বিক্রেতা, সরবরাহকারী, ভোক্তা, উন্নয়ন অংশীদারসহ পোশাক শিল্পের অংশীজনদের এবং অন্যান্যদের কাছাকাছি আনতে এবং তাদের মধ্যে ফলপ্রসু আলোচনার জন্য একটি ভাল সুযোগ তৈরি করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে।

যাযাদি/ এস

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

উপরে