ফুলবাড়ী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে টিকা নিতে আসা মানুষের উপচে পড়া ভিড়

ফুলবাড়ী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে টিকা নিতে আসা মানুষের উপচে পড়া ভিড়

দিনাজপুরের ফুলবাড়ীতে গত দুই সপ্তাহ থেকে নতুন কোনো ব্যক্তি করোনায় আক্রান্ত হয়নি। পৌর মেয়র আলহাজ¦ মাহমুদ আলম লিটনসহ সমাজের বিশিষ্ট ব্যক্তিরা নিয়েছেন করোনাভাইরাস প্রতিরোধ ভ্যাকসিন (টিকা)।

শনিবার সকাল ১০টায় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে টিকাদান কেন্দ্রে সাধারণ মানুষের সঙ্গে লাইনে দাঁড়িয়ে তিনি করোনাভাইরাস প্রতিরোধের টিকা গ্রহণ করেন।

পৌর মেয়র আলহাজ মাহমুদ আলম লিটন বিজয়ের চিহ্ন দেখিয়ে বলেন, এই টিকা সহজ ও নিরাপদ। এজন্য তিনি বৈশ্বিক প্রাদুর্ভাব করোনাভাইরাস প্রতিরোধে সবাইকে টিকা গ্রহণের আহ্বান জানান। এ সময় টিকা নিতে আসা তেল গ্যাস খনিজ সম্পদ ও বিদ্যুৎ বন্দর রক্ষা জাতীয় কমিটির ফুলবাড়ী শাখার আহ্বায়ক সৈয়দ সাইফুল ইসলাম, এনজিও ব্যক্তিত্ব তোজাম্মেল হক বাবলু, অ্যাসোসিয়েশন ফর ডিজঅ্যাবল্ড এডিডির নির্বাহী পরিচালক ডা. আহাদুজ্জামান চৌধুরী, ফুলবাড়ী উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি প্রভাষক আবু শহীদ, ফুলবাড়ী থানা প্রেসক্লাবের সভাপতি আফজাল হোসেন, উপজেলা প্রেসক্লাবের সিনিয়র সাংবাদিক রজব আলী, উপজেলা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাছান উজ্জ্বলসহ বিভিন্ন গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

এদিকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত করোনা প্রতিরোধ টিকা নিতে আসা সমাজের বিভিন্ন স্তরের মানুষের উপচে পড়া ভিড় জমেছে। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সূত্রে জানা গেছে প্রথম দফায় এই উপজেলায় চার হাজার জনকে টিকা দেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে সারাদেশের সঙ্গে ৭ ফেব্রুয়ারি থেকে টিকাদান কর্মসূচি শুরু হয়। শুরু থেকে শনিবার পর্যন্ত এক সপ্তাহের ব্যবধানে সাড়ে ছয়শ ব্যক্তিকে করোনা প্রতিরোধ টিকা দেওয়া হয়েছে, এদের মধ্যে জনপ্রতিনিধি, উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা-কর্মচারী, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যসহ কর্মকর্তা, সাংবাদিক, ব্যবস্যায়ী ও রাজনৈতিক ব্যক্তিসহ সমাজের বিভিন্ন স্তরের জনসাধারণ রয়েছেন। এছাড়া টিকা নিতে ইতোমধ্যে রেজিস্ট্রেশন করেছে দুই হাজারেরও বেশি।

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার-পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মশিউর রহমান যায়যায়দিনকে বলেন, চলতি ২০২১ সালের ২৯ জানুয়ারির পর থেকে আর কেউ করোনায় আক্রান্ত হয়নি। ফলে এই উপজেলায় গত দুই সপ্তাহ থেকে শূন্য রয়েছে করোনা রোগী।

ডা. মশিউর রহমান আরও বলেন, গত ২০২০ সালের ১৪ এপ্রিল দৌলতপুর ইউনিয়নের মধ্যম পাড়া গ্রামের এনামুল হক নারায়ণগঞ্জ থেকে ফেরার পর প্রথম করোনায় আক্রান্ত হন। এরপর চলতি ২০২১ সালের ২৯ জানুয়ারি পর্যন্ত এই উপজেলায় মোট ১৭৬ জন করোনায় আক্রান্ত হন। এদের মধ্যে আটজনের মৃত্যু হয়, বাকি ১৬৮ জন সুস্থ হয়ে ওঠে।

যাযাদি/ এস

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত

আরও খবর

Copyright JaiJaiDin ©2021

Design and developed by Orangebd


উপরে