শুক্রবার, ১৯ জুলাই ২০২৪, ৩ শ্রাবণ ১৪৩১

হামাসের সঙ্গে যুদ্ধে ৫ ইসরাইলি সৈন্য হতাহত

যাযাদি ডেস্ক
  ২১ জুন ২০২৪, ১৪:৫৭
ছবি-সংগৃহিত

অবরুদ্ধ গাজায় দীর্ঘ ১০ মাস ধরে দখলদার ইসরাইল লাগাতার হামলা চালিয়ে যাচ্ছে। এতে ইতোমধ্যে ৩৮ হাজারের বেশি নিরীহ মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন। আহত হয়েছে লাখ লাখ মানুষ। বাস্তুহারা হয়েছে প্রায় ২০ লাখের বেশি মানুষ। কবে থামবে এই হামলা কেউ জানে না। তবে প্রতিরোধ যোদ্ধারাও বসে নেই। তারাও সময়-সুযোগ বুঝে হামলা চালাচ্ছে। আর এতে ইসরাইলের ৩০০ বেশি সেনা নিহত হয়েছে। আহত আরও অসংখ্যা।

জানা যায়, মধ্য গাজায় ফিলিস্তিনি প্রতিরোধ আন্দোলন হামাসের চোরাগুপ্তা হামলায় দুই ইসরাইলি সৈন্য নিহত এবং আরো তিনজন আহত হয়েছে। বৃহস্পতিবার তারা হতাহত হয় বলে শুক্রবার সকালে ইসরাইলি সামরিক বাহিনী নিশ্চিত করেছে।

নিহত দুজন হলেন সার্জেন্ট ফার্স্ট ক্লাস (রিজার্ভ) ওমর সামগদা, ২৫ এবং সার্জেন্ট ফাস্ট ক্লাস (রিজার্ভ) সাদিয়া ইয়াকুব দেরাই, ২৭। এছাড়া অন্য তিন সৈন্য আহত হয়।

হামাস বৃহস্পতিবার ওই মর্টার হামলার দায়দায়িত্ব স্বীকার করেছে। তারা বলেছে, গাজা সিটির কাছে জেইতুন এলাকায় একটি সামরিক অবস্থানে তারা হামলা চালায়।

এরফলে গাজায় স্থল হামলা শুরুর পর থেকে ইসরাইলি বাহিনীর নিহতের সংখ্যা দাঁড়াল ৩১৪-এ।

জানা গেছে, আলেক্সাড্রোনি ব্রিগেডটি বৃহস্পতিবার বিকেলে নেটজারিম করিডোর দিয়ে যাচ্ছিল। তখনই তারা হামাসের গুপ্তহামলার শিকার হয়। হামাস যোদ্ধারা একেবারে কাছ থেকে তাদের ওপ হামলা চালায়। তারা সৈন্যদের দিকে পাঁচটি মর্টার গোলা বর্ষণ করে। এতে পাঁচজন হতাহত হয়।

হতাহতদের উদ্ধার করতেও বেশ বেগ পেতে হয় ইসরাইলি বাহিনীকে। পরে ব্যাপক গোলাবর্ষণ করে জটিল এই অভিযান কার্যক্রম তারা পরিচালনা করে।

এদিকে রাফার পশ্চিম ও মধ্য এলাকার আরো ভেতরে প্রবেশ করেছে ইসরাইলি ট্যাঙ্ক। তারা সেখানকার অধিবাসীদের সরে যেতে বাধ্য করেছে। কয়েকজন অধিবাসী জানিয়েছেন, গত দু'দিন ধরে ইসরাইলি হামলার গতিবেগ বেড়ে গেছে।

রাফার শাবুরা এলাকার এক অধিবাসী জানান, রাফার বেশিভাগ এলাকার নিয়ন্ত্রণ এখন ইসরাইলি ট্যাঙ্ক বাহিনীর হাতে। উপকূলীয় এলাকায় বসবাসরত বেশিভাগ লোক এখন খান ইউনিস এবং গাজার মধ্য এলাকার দিকে সরে যাচ্ছে।

সূত্র : জেরুসালেম পোস্ট ও টাইমস অব ইসরাইল

যাযাদি/ এস

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

উপরে