আসিয়ান সামিটের পর মিয়ানমার সংকটের সমাধান হবে কি?

ইন্দোনেশীয় সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রীর কথায় আবার আসি। কেননা, তিনি সংকটটি মূল বিষয় ধরতে পেরেছিলেন। মিয়ানমার পরিস্থিতিটি কীভাবে দেখেন এবং এটি কীভাবে সম্পর্কিত এ প্রশ্নের জবাবে মার্তি নাতালিগাওয়া বলেন, এটি অবশ্যই এই অঞ্চলে আমাদের সবার জন্য একটি লিটমাস টেস্ট। আমরা জানি, মিয়ানমারে গণতন্ত্রায়ন প্রক্রিয়া একটি প্রসেস মাত্র, কোনো ইভেন্ট নয়। কয়েকমাসে যে সব ঘটনা ঘটেছে তা এ অঞ্চলের সবার জন্য গভীর উদ্বেগের বিষয়।
আসিয়ান সামিটের পর মিয়ানমার সংকটের সমাধান হবে কি?

গত ২৪ এপ্রিল ইন্দোনেশিয়ার রাজধানী জাকার্তায় হয়ে গেল মিয়ানমার প্রশ্নে দক্ষিণ-পূর্ব এশীয় দেশসমূহের সংস্থা আসিয়ানের বিশেষ বৈঠক- যার নাম দেয়া হয়েছে ইমারজেন্সি সামিট। মিয়ানমার ১০ জাতির এই সংস্থার সদস্য দেশ। ১ ফেব্রম্নয়ারি দেশটির সেনাবাহিনী ক্ষমতা দখল করেছে, ৮ নভেম্বর অনুষ্ঠিত সাধারণ নির্বাচনের ফল বাতিল করেছে আর দেশটির সাবেক ডিফেক্টো সরকার প্রধান এনএলডি নেত্রী অং সান সুচিসহ তার দলের শত শত নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে, যে নির্বাচনে দ্বিতীয় মেয়াদে জয়ী হওয়ায় এনএলডির সরকার পরিচালনা অব্যাহত রাখার কথা ছিল। আরো গ্রেপ্তার হয়েছেন সুচির সময়ের প্রেসিডেন্ট মিংও। কথা হলো সামরিক অভু্যত্থান ঘটার আড়াই মাস পর আসিয়ানের বৈঠক বা ইমারজেন্সি সামিট অনুষ্ঠানই বলে দেয় আসলে এই বৈঠকের ফল কি হতে চলেছে। কার্যত এই বৈঠক ইমারজেন্সিও নয়, সামিটও নয়। আরো মজার বিষয় হলো দেশটির ক্ষমতা দখলকারী 'অবৈধ' প্রেসিডেন্ট তথা সেনাশাসক জেনারেল মিন অং হ্লাইং সম্মেলনে যোগ দেয়ার সুযোগ পেয়েছেন। শুধু তাই নয়, সেখানে যোগ দিয়ে সাফাই গেয়েছেন ও বিরোধী পক্ষের বিরুদ্ধে এন্তার অভিযোগ তুলে ধরেছেন। তবে একটা ভালো কাজ হয়েছে। আসিয়ানভুক্ত সব দেশের নেতারা জেনারেল মিন অং হ্লাইংয়ের সঙ্গে বৈঠকে বসতে সম্মত হলেও তারা তাকে মিয়ানমারের 'প্রধান' হিসেবে সম্ভাষণ থেকে বিরত থাকেন বলে ইন্দোনেশিয়ার বর্তমান পররাষ্ট্রমন্ত্রী রেতনো মারশুদি জানান।

যাই হোক, মোটা দাগে দুটো প্রশ্নের উত্তর জানা এখন জরুরি। প্রথম প্রশ্ন আসিয়ান কেন জেনারেল মিনকে বৈঠকে আমন্ত্রণ জানাবে আর দ্বিতীয় প্রশ্ন হচ্ছে তারা বৈঠক শেষে যে দুর্বল ৫ দফা সংবলিত বিবৃতি দিয়েছে তা মিয়ানমারের সামরিক শাসকরা না মানলে কী সমাধান? আর গণহত্যার মুখে ১১ লাখ রোহিঙ্গা শরণার্থীর আরাকান তথা মিয়ানমার ত্যাগ করে বাংলাদেশে আগমন ও বসবাস এবং তাদের ফিরিয়ে নেয়ার বিষয়টি সম্মেলনে আলোচনায়ই এলো না, এটা কোনো ভালো কথা নয়।

প্রথম প্রশ্নের উত্তর, আসিয়ান জোটে কোনো দেশের অভ্যন্তরীণ বিষয় নিয়ে আলোচনার সুযোগ নেই, এরপরও ইন্দোনেশিয়ার চাপে বৈঠকটি হয়েছে। বৈধ হোক আর অবৈধ হোক দেশের রাষ্ট্র বা সরকারপ্রধানকে আমন্ত্রণ জানানোই প্রথা। সেই প্রথায় জেনারেল মিন বৈঠকে গেছেন। হঁ্যা, আসিয়ান বলতে পারতো আপনি না এসে কোনো প্রতিনিধিকে পাঠান। বৈঠকে তাকে অংশ নিতে দেয়া এক প্রকার স্বীকৃতি এটা আসিয়ান নেতাদের না জানার কথা নয়। তবে একটা কাজ হয়েছে, আসিয়ানভুক্ত সব দেশের নেতারা জেনারেল মিন অং হ্লাইংয়ের সঙ্গে বৈঠকে বসতে সম্মত হলেও তারা তাকে মিয়ানমারের প্রধান হিসেবে সম্ভাষণ থেকে বিরত থাকেন। আর দ্বিতীয় প্রশ্নের উত্তর হচ্ছে ৫ দফা ঘোষণা এক ধরনের আহ্বান মাত্র- যা মানা ম্যান্ডেটরি নয়। কোনো একটি দেশের ভেতরের সমস্যা মেটানোর নজির আসিয়ানের তেমন একটা নেই যেমনটা দেখা যায় আফ্রিকান ইউনিটি জোটের ক্ষেত্রে। ৫ দফা না মেনে চললে আসিয়ানের আসলে কিছুই করার নেই।

আসিয়ানের বিবৃতিতে কী আছে তাতে যাওয়ার আগে এবার দেখি আসিয়ান এ বিষয়ে আর কী কী করেছে। আসিয়ানের বর্তমান চেয়ারম্যান ব্রম্ননেই সংকট শুরুর লগ্নে একটি বিবৃতি দিয়ে রক্তপাত ও গ্রেপ্তার বন্ধ ও নেতাদের মুক্তি দাবি করেছিলেন। মিয়ানমারের পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনার জন্য আসিয়ান পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা মার্চ মাসের শুরুতে এক ভার্চুয়াল বৈঠকে মিলিত হয়েছিলেন, সেখানেও মৃদু মৃদু কিছু কথা বলা হয়েছিল। তখন ইন্দোনেশিয়ার সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও এই অঞ্চলের অন্যতম অভিজ্ঞ কূটনীতিক মার্তি নাতালিগাওয়া আল জাজিরাকে এক সাক্ষাৎকারে বলেছিলেন যে, কীভাবে আসিয়ান মিয়ানমারের সংকট সমাধানে সহায়তা করতে পারে। এর পর অনুষ্ঠিত হলো আসিয়ানের জাকার্তা বৈঠক। মার্তি নাতালিগাওয়ার সাক্ষাৎকারটি প্রণিধানযোগ্য। সাক্ষাৎকারে তিনি বলেছিলেন, মিয়ানমার সংকট আসিয়ানের জন্য 'একটি লিটমাস টেস্ট'। আসিয়ানের অবশ্যই মিয়ানমারের সামরিক বাহিনীকে বলা উচিত নিরপরাধ বেসামরিক নাগরিকদের ওপর গুলি করা বন্ধ করতে। কীভাবে আসিয়ান মিয়ানমারের সংকট সমাধানে সহায়তা করতে পারে সে সব কথাও তিনি বলেন। মিস্টার মার্তি ২০০৯ থেকে ২০১৪ পর্যন্ত ইন্দোনেশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী ছিলেন। ২০১১ সালে ইন্দোনেশিয়া যখন আসিয়ানের চেয়াম্যানের দায়িত্বে ছিল তখনো তিনি এ পদে ছিলেন। সুতরাং মিয়ানমার সংকট নিয়ে প্রতিবাদী দেশ ইন্দোনেশিয়ার সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে তিনি কথা বলতেই পারেন আর আল জাজিরা এ সাক্ষাৎকার নিয়ে সমস্যার মূলে যাওয়ার চেষ্টা করেছে।

মিয়ানমার বিষয়ে পশ্চিমী শক্তি কি করছে? আমেরিকা ও কয়েকটি পক্ষ থেকে মিয়ানমারে সামরিক বাহিনীর বিরুদ্ধে কিছু নিষেধাজ্ঞামূলক তৎপরতা বাড়ানো হয়েছে। সেটা যে খুব কাজে এসেছে এমন নয়। কেননা, মিয়ানমারে সেনাশাসন নতুন নয়, এসব পরিস্থিতি দেখে তারা অভ্যস্ত। আর গণতন্ত্রপন্থি অং সান সুচিকেও তার প্রথম মেয়াদ সেনাদের সঙ্গে হাত মিলিয়েই কাটাতে হয়েছে। এ নিয়ে এবং রোহিঙ্গা বিতাড়ন প্রশ্নে সুচিকে কম নিন্দা মন্দ শুনতে হয়নি। নির্বাচনী ফল নিয়ে দু'পক্ষের মধ্যে বিরোধ প্রবল হয়ে ওঠে আর তারই ফল সামরিক বাহিনীর ক্ষমতা দখল। আগে আংশিক ছিল, এখন পূর্ণাঙ্গ হলো, এই হলো পার্থক্য। মিয়ানমার বিষয়ে আরো আপডেট হচ্ছে দেশটিতে সামরিক বাহিনীর হত্যা ও ধরপাকড় অব্যাহত রয়েছে, সীমান্ত এলাকায় সশস্ত্র গোষ্ঠীর একাধিক হামলায় বহু মিয়ানমার সেনা নিহত হয়েছে। মোটকথা সামরিক বাহিনীও খুব শান্তিতে নেই। আর মিয়ানমারের পত্রিকা দি ইরাবতী অনলাইনের খবর, ফল বাতিল করা বিগত নির্বাচনের বিজয়ী এমপিরা একটি জাতীয় ঐক্যের সরকারের ঘোষণা দিয়েছে। এটি কার্যত একটি প্যারালাল সরকার। এই সরকারে পার্লামেন্টের সাবেক স্পিকার কারেন নেতা মান উইন খাইংকে প্রধানমন্ত্রী নিয়োগ দেয়া হয়েছে। প্রেসিডেন্ট উ উইন মিন্ট ও স্টেট কাউন্সেলর অং সান সু চিকে নিজ নিজ পদে বহাল রাখা হয়েছে, যদিও তারা দুজনই ১ ফ্রেবুয়ারির সামরিক অভু্যত্থানের পর থেকে বন্দি। ক্ষমতাচু্যত এমপিদের নিয়ে গঠিত কমিটি রিপ্রেজেন্টিং পিদাউংশু হ্লুত্তাও অর্থাৎ ইউনিয়ন এসেম্বলির প্রতিনিধিদের কমিটি (সিআরপিএইচ) এর বিবৃতিতে সম্প্রতি জাতীয় ঐক্যের সরকার গঠনের ঘোষণা দেয়া হয়। এতে ভাইস প্রেসিডেন্ট করা হয়েছে কাচিন ন্যাশনাল কনসালটেটিভ এসেম্বলির সভাপতি দুয়া লাশিকে। কিছু সময়ের জন্য ১৫ সদস্যের একটি মন্ত্রিসভার নেতৃত্ব দেবেন ভাইস প্রেসিডেন্ট ও প্রধানমন্ত্রী। মন্ত্রিসভায় ১২ জন উপমন্ত্রীও রয়েছেন। এই প্রবাসী সরকারের পররাষ্ট্রমন্ত্রী দাও জিন মার অং নিউইয়র্ক টাইমসকে বলেছেন, মিয়ানমারের জনগণ তাদের অধিকার ও স্বাধীনতা অর্জনের জন্য বড় ধরনের ঝুঁকি নিতে, প্রয়োজনে এর জন্য বিরাট মূল্য দিতে প্রস্তুত। মিস জিন মার বলেন, আমরা আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কাছে সমন্বিতভাবে রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও নিরাপত্তা ইসু্যতে আমাদের প্রতি সমর্থন দেয়ার অনুরোধ জানাচ্ছি। এই প্রবাসী সরকার জাকার্তা সামিটের বক্তব্যকে সমর্থন করে বিবৃতি দিয়েছে।

ইন্দোনেশীয় সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রীর কথায় আবার আসি। কেননা, তিনি সংকটটি মূল বিষয় ধরতে পেরেছিলেন। মিয়ানমার পরিস্থিতিটি কীভাবে দেখেন এবং এটি কীভাবে সম্পর্কিত এ প্রশ্নের জবাবে মার্তি নাতালিগাওয়া বলেন, এটি অবশ্যই এই অঞ্চলে আমাদের সবার জন্য একটি লিটমাস টেস্ট। আমরা জানি, মিয়ানমারে গণতন্ত্রায়ন প্রক্রিয়া একটি প্রসেস মাত্র, কোনো ইভেন্ট নয়। কয়েকমাসে যে সব ঘটনা ঘটেছে তা এ অঞ্চলের সবার জন্য গভীর উদ্বেগের বিষয়।

সামরিক বাহিনী বিক্ষোভকারীদের প্রতি গুলি করছে সেই ছবি আমরা দুঃখের সঙ্গে দেখছি। এটা খুবই উদ্বেগের। আসিয়ানের প্রতিক্রিয়াকে আপনি কীভাবে মূল্যায়ন করবেন এ প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, এই ঘটনার (সামরিক অভু্যত্থান) দুয়েকদিনের মাথায় আসিয়ানের চেয়ারম্যান ব্রুনেই দারুসসালাম একটি বিবৃতি দিয়েছে .. তারা দ্রম্নত বিবৃতি দিতে সক্ষম হয়েছিল তা গুরুত্বপূর্ণ। কূটনৈতিক প্রচেষ্টায় অবশ্যই একটি ফলাফল আসা উচিত, আসিয়ান বিষয়টি সেভাবে দেখবে বলে আশা করি। জান্তাকে শুধু সহিংসতা থেকে বিরত থাকার জন্য বলা উচিত নয়। বলা উচিত, নিরীহ নাগরিকদের ওপর গুলি চালানো বন্ধ করুন ও গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত নেতাদের মুক্তি দিন। কেউ কেউ বলেছেন, এটি একটি অভ্যন্তরীণ বিষয় এবং আসিয়ান এ বিষয়ে কথা বলতে পারে না। তবে এই বৈঠকটি অন্তত প্রমাণ করে যে, আসিয়ান তা ভাবছে না। এ অঞ্চলে যখনই সমস্যা হয়, প্রায়শই বিশ্লেষক বা শিক্ষাবিদরা আসিয়ানকে ব্যর্থ বলে থাকেন। মিয়ানমারে যা ঘটেছে তার আলোকে আপনি কীভাবে সেই সমালোচনার জবাব দেবেন এমন প্রশ্নের উত্তরে নাতালিগাওয়া বলেন, আসিয়ান অকেজো এ কথা বারবার শুনে আসছি। তবে আসিয়ান সংকট সমাধানে সব সময়ই তৎপর হয়েছে। ১৯৮০-এর দশকে কম্বোডিয়ার বিষয়ে আসিয়ান ইতিবাচক ভূমিকা পালন করেছিল, যা ছিল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, চীন এবং রাশিয়ার মধ্যকার একটি বিরোধ। এই অঞ্চলে গণতন্ত্র সম্পর্কে কথা বলা অন্ধকারে বাঁশি বাজানোর মতো। তবে কাউকে না কাউকে তো ভূমিকা নিতেই হবে। কোনো সমাধানে পৌঁছতে না পারলে কি আশঙ্কা করছেন এই প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, মিয়ানমার অর্থনৈতিকভাবে চ্যালেঞ্জযুক্ত ও রাজনৈতিকভাবে অস্থির হয়ে উঠলে তার প্রভাব অঞ্চলটির স্থিতিশীলতা ও সমৃদ্ধিতেও পড়বে বলে আশঙ্কা করছি। তিনি লিটমাস টেস্ট অর্থে আসলে এ কথাটাই বুঝাতে চেয়েছেন।

এবার জাকার্তা সামিট প্রসঙ্গ। সামিটে মিয়ানমারে চলমান অস্থিতিশীল পরিস্থিতির সমাধানে অবিলম্বে সহিংসতা বন্ধসহ পাঁচ দফা দাবি দেশটির সামরিক জান্তার প্রতি জানিয়েছে আসিয়ান। জান্তা প্রধান জেনারেল মিন অং হ্লাইংয়ের সঙ্গে বৈঠকের পর এক যৌথ বিবৃতিতে এই আহ্বান জানান আসিয়ানভুক্ত দেশগুলোর নেতারা। বিবৃতিতে বলা হয়, পরিস্থিতির উন্নতিতে সব পক্ষকে আবশ্যিকভাবে অবিলম্বে সহিংসতা বন্ধ করতে হবে, দেশটির জনগণের স্বার্থে সংকটের শান্তিপূর্ণ সমাধানের জন্য সব পক্ষকে গঠনমূলক সংলাপে বসতে হবে, সংলাপে সব পক্ষকে উৎসাহিত ও মধ্যস্থতায় আসিয়ান প্রধানের বিশেষ এক দূত এখানে কাজ করবেন। মিয়ানমারে মানবিক সহায়তার জন্য সংস্থাটির অন্তর্ভুক্ত আসিয়ান হিউম্যানিটেরিয়ান অ্যাসিস্টেন্স সেন্টার কাজ করবে। এছাড়া আসিয়ানের বিশেষ দূত ও প্রতিনিধিদল মিয়ানমারের সব পক্ষের সঙ্গে আসিয়ানের পাঁচ দফা দাবিকে স্বাগত জানিয়েছে মিয়ানমারের সামরিক জান্তার বিরোধী নতুন গঠিত সমান্তরাল সরকার ন্যাশনাল ইউনিটি গর্ভনমেন্ট (এনইউজি)। এক বিবৃতিতে প্রবাসী সরকার জানায়, তারা মিয়ানমারে গণতন্ত্র ও স্বাধীনতার পুনরুদ্ধারে আসিয়ানের সিদ্ধান্ত অনুসারে পদক্ষেপের প্রত্যাশা করছেন। এদিকে জেনারেল হ্লাইংয়ের জাকার্তার সম্মেলনে যোগদানের পরিপ্রেক্ষিতে জাকার্তায় এক বিক্ষোভ সমাবেশের আয়োজন করা হয়। সমাবেশে বিক্ষোভকারীরা মিয়ানমারে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার এবং সামরিক শাসন বিরোধী স্স্নোগান দেয়। ভালোয় মন্দয় মেশানো জাকার্তার আসিয়ানের ইমার্জেন্সি সামিট শেষ পর্যন্ত কী ফল বয়ে আনে বা তাদের লক্ষ্য অর্জন করতে পারে কিনা সেটাই এখন দেখার বিষয়।

আহমদ মতিউর রহমান : প্রাবন্ধিক ও কলাম লেখক

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত

আরও খবর

Copyright JaiJaiDin ©2021

Design and developed by Orangebd


উপরে