কোভ্যাক্স থেকে 'সহজে সংরক্ষণযোগ্য' টিকা চায় বাংলাদেশ

কোভ্যাক্স থেকে 'সহজে সংরক্ষণযোগ্য' টিকা চায় বাংলাদেশ
এবিএম খুরশীদ আলম

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক এবিএম খুরশীদ আলম বলেছেন, করোনাভাইরাসের টিকার আন্তর্জাতিক পস্ন্যাটফর্ম কোভ্যাক্স থেকে স্থানীয় আবহাওয়ার 'উপযোগী' সহজে সংরক্ষণ ও পরিবহণযোগ্য টিকা চেয়েছে বাংলাদেশ।

তিনি আরও বলেন, 'কোভ্যাক্স থেকে এ বিষয়ে জানতে চাওয়ার পর বাংলাদেশ বলেছে, কোভ্যাক্স থেকে দেওয়া টিকা বাংলাদেশের আবহাওয়া উপযোগী না হলে ম্যানেজ করা কঠিন হয়ে যাবে।'

এদিকে, কোভ্যাক্স থেকে ৬ কোটি ডোজের বেশি টিকা পাওয়ার কথা রয়েছে বাংলাদেশের। এর মধ্যে ফাইজার-বায়োএনকেটের তৈরি ১ লাখ ৬২০ ডোজ টিকা গত ১ জুন বাংলাদেশ

\হহাতে পেয়েছে।

কিন্তু ফাইজার-বায়োএনটেকের ওই টিকা সংরক্ষণ করতে হয় হিমাঙ্কের নিচে মাইনাস ৯০ ডিগ্রি থেকে মাইনাস ৬০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে। ফলে এ টিকা সংরক্ষণ করতে আল্ট্রা কোল্ড ফ্রিজারের প্রয়োজন হয়। আর পরিবহণের জন্য থার্মাল শিপিং কনটেইনার বা আল্ট্রা ফ্রিজার ভ্যান লাগে।

সাধারণ রেফ্রিজারেটরে ২ ডিগ্রি থেকে ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় রাখা হলে এ টিকা ৫ দিন পর্যন্ত ব্যবহারের উপযোগী থাকে। আর রেফ্রিজারেটরের বাইরে ৩০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় এ টিকা দুই ঘণ্টা টেকে।

প্রসঙ্গত, সরকার দেশে করোনাভাইরাস প্রতিরোধে যে পাঁচটি টিকার জরুরি ব্যবহারের অনুমোদন দিয়েছে তার মধ্যে ফাইজার-বায়োএনটেকের ভ্যাকসিন একটি।

অন্যগুলো হলো ভারতের সেরাম ইনস্টিটিউটে তৈরি অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার কোভিশিল্ড, রাশিয়ার তৈরি স্পুৎনিক-ভি, চীনের সিনোফার্মের তৈরি টিকার বিবিআইবিপি-সিওরভি এবং চীনের সিনোভ্যাক লাইফ সায়েন্সেস কোম্পানির তৈরি 'করোনা ভ্যাক'।

ফাইজার-বায়োএনটেক ছাড়া বাকি চার কোম্পানির টিকাই সাধারণ রেফ্রিজারেটরের তাপমাত্রায় সংরক্ষণ করা যায়, যা বাংলাদেশের জন্য সুবিধাজনক।

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত

আরও খবর

Copyright JaiJaiDin ©2021

Design and developed by Orangebd


উপরে