রোববার, ২৭ নভেম্বর ২০২২, ১২ অগ্রহায়ণ ১৪২৯
অভিযোগ অস্বীকার ছাত্রলীগের

ঢাবিতে ছাত্রলীগের হামলার শিকার হলো ছাত্রদল

ম যাযাদি ডেস্ক
  ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২২, ০০:০০
ম যাযাদি ডেস্ক সংগঠনের নতুন কমিটি নিয়ে উপাচার্যের সঙ্গে দেখা করতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে ঢুকতে গিয়ে ব্যাপক হামলার শিকার হয়েছেন ছাত্রদলের একদল নেতাকর্মী। মঙ্গলবার বিকাল সাড়ে চারটার দিকে রাজধানীর নীলক্ষেত ফাঁড়ির সামনে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে এ হামলার অভিযোগ ওঠে। ছাত্রদলের অভিযোগ, হামলায় তাদের অন্তত ১৫ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। এর মধ্যে অধিকাংশই ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছেন। তবে ছাত্রলীগের নেতারা এ হামলার অভিযোগ অস্বীকার করে বলেছেন, ছাত্রদলের অভ্যন্তরীণ কোন্দলের কারণে তারা হামলার শিকার হয়েছেন। জানা গেছে, ছাত্রদলের নতুন কেন্দ্রীয় কমিটি পূর্ণাঙ্গ করার পাশাপাশি সম্প্রতি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা কমিটিও ঘোষণা করা হয়। কমিটির নেতারা মঙ্গলবার বিকালে উপাচার্য অধ্যাপক মো. আখতারুজ্জামানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতে যাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু একই সময়ে ছাত্রলীগের পক্ষ থেকেও শিক্ষার্থীদের নানা সমস্যা সমাধানে উপাচার্যকে স্মারকলিপি দেওয়ার কর্মসূচিও ঘোষণা করা হয়। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বিকাল সাড়ে ৪টার দিকে নীলক্ষেত পুলিশ ফাঁড়ির সামনে দিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সভাপতি খোরশেদ আলম ও সাধারণ সম্পাদক আরিফুল ইসলামের নেতৃত্বে সংগঠনটির ৩০ থেকে ৩৫ নেতাকর্মী ক্যাম্পাসের দিকে যাচ্ছিলেন। এ সময় স্যার এ এফ রহমান হল শাখা ছাত্রলীগের এক কর্মী তাদের বাধা দেন এবং তর্কাতর্কি শুরু করেন। একপর্যায়ে উপাচার্যের জন্য ছাত্রদলের আনা ফুলের তোড়া ভেঙে ফেলেন ওই কর্মী। পরে এফ রহমান হল শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি রিয়াজুল ইসলামের নেতৃত্বে একদল নেতাকর্মী লাঠিসোঁটা ও স্টাম্প দিয়ে ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের পেটাতে শুরু করেন। আরেকটি অংশ ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের ধাওয়া করে। তখন ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা ছত্রভঙ্গ হয়ে যান। ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা চলে যাওয়ার পর নীলক্ষেত মোড়ে আসেন কবি জসীমউদদীন হল শাখা ছাত্রলীগ এবং বিজয় একাত্তর হল শাখা ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা। পরে এফ রহমান হলের নেতাকর্মীরাসহ মুক্তি ও গণতন্ত্র তোরণের সামনে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ করেন। সেখানে ছাত্রদলবিরোধী সেস্নাগান দেওয়ার পর তারা ক্যাম্পাসের দিকে চলে যান। ছাত্রদলের দাবি, হামলায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সভাপতি খোরশেদ আলম সোহেল, সাধারণ সম্পাদক আরিফুল ইসলাম, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আবদুল জলিল আমিনুল, মো. মাসুম বিলস্নাহ, ফারহান মো. আরিফুর রহমান, মো. নাছির উদ্দীন শাওন, মো. রাজু আহমেদ, সুপ্রিয় দাশ শান্ত, নাজমুস সাকিব, সহ-সাধারণ সম্পাদক মুন্সি সোহাগ, প্রচার সম্পাদক ইমাম আল নাসের মিশুক, আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক জসিম খানসহ তাদের অন্তত ১৫ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। ছাত্রলীগের এ হামলাকে ন্যক্কারজনক আখ্যা দিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক আরিফুল ইসলাম বলেন, 'ছাত্রলীগের হামলায় আমাদের অন্তত ১৫ জন আহত হয়েছেন। আমরা এ ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ জানাই ও হামলাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।' ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সভাপতি কাজী রওনাকুল ইসলাম শ্রাবণ সংবাদমাধ্যমকে বলেন, 'আজকে (মঙ্গলবার) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের নবগঠিত কমিটি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে গিয়েছিল। কিন্তু ছাত্রলীগের সন্ত্রাসীরা আমাদের নেতাকর্মীদের ক্যাম্পাসে প্রবেশ করতে দেয়নি। আমাদের প্রতিহত করতে একই সময়ে পাল্টা কর্মসূচি দিয়েছে। তারা আমাদের নেতাকর্মীদের ওপর অতর্কিত হামলা চালিয়েছে।' তবে হামলার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক সাদ্দাম হোসেন। তিনি সংবাদমাধ্যমকে বলেন, 'আজকে (মঙ্গলবার) আমরা শিক্ষার্থীদের আবাসন সংকট, ক্যানটিনে খাবারের মান উন্নয়ন, মাস্টারপস্ন্যান বাস্তবায়ন, প্রত্যেকটি হলে ডিজিটাল ল্যাব তৈরি এবং কারিকুলাম আধুনিকায়ন করার দাবিতে উপাচার্যকে স্মারকলিপি দিয়েছি। আমরা শিক্ষার্থীদের স্বার্থ বা অধিকার রক্ষায় কথা বলেছি। সাংগঠনিক কর্মকান্ড এগুলোর মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল। আজকে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের মধ্যে যদি কোনো ঘটনা ঘটে থাকে, সেটি নিছক তাদের অভ্যন্তরীণ কোন্দলের বহিঃপ্রকাশ।' বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক একেএম গোলাম রব্বানী বলেন, 'আসলে কী ঘটেছে, তা তারা খতিয়ে দেখবেন। কেউ বিশৃঙ্খলা করলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।'
সংগঠনের নতুন কমিটি নিয়ে উপাচার্যের সঙ্গে দেখা করতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে ঢুকতে গিয়ে ব্যাপক হামলার শিকার হয়েছেন ছাত্রদলের একদল নেতাকর্মী। মঙ্গলবার বিকাল সাড়ে চারটার দিকে রাজধানীর নীলক্ষেত ফাঁড়ির সামনে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে এ হামলার অভিযোগ ওঠে। ছাত্রদলের অভিযোগ, হামলায় তাদের অন্তত ১৫ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। এর মধ্যে অধিকাংশই ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছেন। তবে ছাত্রলীগের নেতারা এ হামলার অভিযোগ অস্বীকার করে বলেছেন, ছাত্রদলের অভ্যন্তরীণ কোন্দলের কারণে তারা হামলার শিকার হয়েছেন। জানা গেছে, ছাত্রদলের নতুন কেন্দ্রীয় কমিটি পূর্ণাঙ্গ করার পাশাপাশি সম্প্রতি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা কমিটিও ঘোষণা করা হয়। কমিটির নেতারা মঙ্গলবার বিকালে উপাচার্য অধ্যাপক মো. আখতারুজ্জামানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতে যাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু একই সময়ে ছাত্রলীগের পক্ষ থেকেও শিক্ষার্থীদের নানা সমস্যা সমাধানে উপাচার্যকে স্মারকলিপি দেওয়ার কর্মসূচিও ঘোষণা করা হয়। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বিকাল সাড়ে ৪টার দিকে নীলক্ষেত পুলিশ ফাঁড়ির সামনে দিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সভাপতি খোরশেদ আলম ও সাধারণ সম্পাদক আরিফুল ইসলামের নেতৃত্বে সংগঠনটির ৩০ থেকে ৩৫ নেতাকর্মী ক্যাম্পাসের দিকে যাচ্ছিলেন। এ সময় স্যার এ এফ রহমান হল শাখা ছাত্রলীগের এক কর্মী তাদের বাধা দেন এবং তর্কাতর্কি শুরু করেন। একপর্যায়ে উপাচার্যের জন্য ছাত্রদলের আনা ফুলের তোড়া ভেঙে ফেলেন ওই কর্মী। পরে এফ রহমান হল শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি রিয়াজুল ইসলামের নেতৃত্বে একদল নেতাকর্মী লাঠিসোঁটা ও স্টাম্প দিয়ে ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের পেটাতে শুরু করেন। আরেকটি অংশ ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের ধাওয়া করে। তখন ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা ছত্রভঙ্গ হয়ে যান। ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা চলে যাওয়ার পর নীলক্ষেত মোড়ে আসেন কবি জসীমউদদীন হল শাখা ছাত্রলীগ এবং বিজয় একাত্তর হল শাখা ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা। পরে এফ রহমান হলের নেতাকর্মীরাসহ মুক্তি ও গণতন্ত্র তোরণের সামনে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ করেন। সেখানে ছাত্রদলবিরোধী সেস্নাগান দেওয়ার পর তারা ক্যাম্পাসের দিকে চলে যান। ছাত্রদলের দাবি, হামলায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সভাপতি খোরশেদ আলম সোহেল, সাধারণ সম্পাদক আরিফুল ইসলাম, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আবদুল জলিল আমিনুল, মো. মাসুম বিলস্নাহ, ফারহান মো. আরিফুর রহমান, মো. নাছির উদ্দীন শাওন, মো. রাজু আহমেদ, সুপ্রিয় দাশ শান্ত, নাজমুস সাকিব, সহ-সাধারণ সম্পাদক মুন্সি সোহাগ, প্রচার সম্পাদক ইমাম আল নাসের মিশুক, আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক জসিম খানসহ তাদের অন্তত ১৫ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। ছাত্রলীগের এ হামলাকে ন্যক্কারজনক আখ্যা দিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক আরিফুল ইসলাম বলেন, 'ছাত্রলীগের হামলায় আমাদের অন্তত ১৫ জন আহত হয়েছেন। আমরা এ ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ জানাই ও হামলাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।' ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সভাপতি কাজী রওনাকুল ইসলাম শ্রাবণ সংবাদমাধ্যমকে বলেন, 'আজকে (মঙ্গলবার) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের নবগঠিত কমিটি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে গিয়েছিল। কিন্তু ছাত্রলীগের সন্ত্রাসীরা আমাদের নেতাকর্মীদের ক্যাম্পাসে প্রবেশ করতে দেয়নি। আমাদের প্রতিহত করতে একই সময়ে পাল্টা কর্মসূচি দিয়েছে। তারা আমাদের নেতাকর্মীদের ওপর অতর্কিত হামলা চালিয়েছে।' তবে হামলার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক সাদ্দাম হোসেন। তিনি সংবাদমাধ্যমকে বলেন, 'আজকে (মঙ্গলবার) আমরা শিক্ষার্থীদের আবাসন সংকট, ক্যানটিনে খাবারের মান উন্নয়ন, মাস্টারপস্ন্যান বাস্তবায়ন, প্রত্যেকটি হলে ডিজিটাল ল্যাব তৈরি এবং কারিকুলাম আধুনিকায়ন করার দাবিতে উপাচার্যকে স্মারকলিপি দিয়েছি। আমরা শিক্ষার্থীদের স্বার্থ বা অধিকার রক্ষায় কথা বলেছি। সাংগঠনিক কর্মকান্ড এগুলোর মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল। আজকে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের মধ্যে যদি কোনো ঘটনা ঘটে থাকে, সেটি নিছক তাদের অভ্যন্তরীণ কোন্দলের বহিঃপ্রকাশ।' বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক একেএম গোলাম রব্বানী বলেন, 'আসলে কী ঘটেছে, তা তারা খতিয়ে দেখবেন। কেউ বিশৃঙ্খলা করলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।'
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

উপরে