শনিবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৪, ২৯ চৈত্র ১৪৩০
walton

পলস্নবীতে শাহিন হত্যা মামলার পুনঃতদন্ত প্রতিবেদন ২৮ মার্চ

যাযাদি ডেস্ক
  ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৪, ০০:০০

রাজধানীর পলস্নবীতে সন্তানের সামনে প্রকাশ্যে কুপিয়ে শাহিন উদ্দিনকে হত্যার ঘটনায় করা মামলার পুনঃতদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের তারিখ পিছিয়েছে। পুনঃতদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার জন্য আগামী ২৮ মার্চ নতুন দিন ধার্য করেছেন আদালত।

বৃহস্পতিবার মামলার তদন্ত প্রতিবেদন জমার জন্য দিন ধার্য ছিল। তবে পুলিশ বু্যরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) প্রতিবেদন জমা দিতে পারেনি। এ কারণে ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট তরিকুল ইসলাম ফের তদন্ত প্রতিবেদন জমার জন্য নতুন এ দিন ঠিক করেন।

২০২২ সালের ১২ মে আদালত শাহিন উদ্দিনের মায়ের নারাজির আবেদন গ্রহণ করেন। একই সঙ্গে পিবিআইকে মামলাটি পুনরায় তদন্ত করে প্রতিবেদন জমার নির্দেশ দেন। এর আগে গত বছরের ফেব্রম্নয়ারিতে এ মামলায় লক্ষ্ণীপুর-১ আসনের সাবেক এমপি ও ইসলামী গণতান্ত্রিক পার্টির চেয়ারম্যান এম এ আউয়ালসহ ১৫ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ডিবি পুলিশের পরিদর্শক সৈয়দ ইফতেখার হোসেন। অন্য আসামিরা হলেন- সুমন ব্যাপারী, টিটু, কিবরিয়া, মুরাদ হোসেন, আবু তাহের, ইব্রাহিম সুমন, রকি তালুকদার, শফিকুল ইসলাম, তুহিন মিয়া, হারুন অর রশীদ, তারিকুল ইসলাম, নুর মোহাম্মদ, হাসান ও ইকবাল হোসেন। সুমন ও শফিকুল ছাড়া বাকি ১৩ আসামি কারাগারে। তাদের মধ্যে ৯ জন আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।

২০২১ সালের ১৬ মে শাহিন উদ্দিন হত্যাকান্ডের পর ওই রাতেই নিহতের মা আকলিমা বেগম বাদী হয়ে পলস্নবী থানায় সাবেক এমপি আউয়ালসহ ২০ জনকে আসামি করে হত্যা মামলা করেন। মামলায় এম এ আউয়ালকে প্রধান আসামি করা হয়। এছাড়া অন্য আসামিরা হলেন- ছাত্রলীগের সাবেক নেতা সুমন, মো. আবু তাহের, মুরাদ, মানিক, মনির, শফিক, টিটু, কামরুল, কিবরিয়া, দিপু, আবদুর রাজ্জাক, মরন আলী, লিটন, আবুল, বাইট্যা বাবু, বড় শফিক, কালু ওরফে কালা বাবু, নাটা সুমন ও ইয়াবা বাবু।

মামলার এজাহারে আকলিমা বেগম বলেন, ২০২১ সালের ১৬ মে বিকেল ৪টার দিকে সুমন ও টিটু নামের দুই যুবক শাহিন উদ্দিনকে জমির বিরোধ মেটানো হবে জানিয়ে ফোন করে ডেকে নেন। শাহিন উদ্দিন মোটর সাইকেলে পলস্নবীর ডি-বস্নকের ৩১ নম্বর সড়কের ৪০ নম্বর বাসার সামনে গেলে সুমন ও টিটুসহ ১৪ থেকে ১৫ জন মিলে তাকে টেনেহিঁচড়ে ওই বাড়ির গ্যারেজে নিয়ে যান।

এ সময় শাহিন উদ্দিনের ৬ বছরের ছেলে মাশরাফি গেটের বাইরে ছিল। গ্যারেজে নিয়ে তাকে এলোপাতাড়ি কোপাতে থাকেন তারা। এরপর তাকে ওই গ্যারেজ থেকে বের করে ৩৬ নম্বর বাড়ির সামনে আবার কুপিয়ে ফেলে রেখে চলে যান। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃতু্য হয়।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

উপরে