মঙ্গলবার, ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৩, ২৪ মাঘ ১৪২৯
walton1

দুর্গাপুর মুক্ত দিবসে বীর শহীদদের স্মরণ

দুর্গাপুর (নেত্রকোনা) প্রতিনিধি
  ০৭ ডিসেম্বর ২০২২, ১৪:০৫

নেত্রকোনার দুর্গাপুরে আলোচনা, স্মৃতিচারণ ও বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জ্ঞাপনের মধ্য দিয়ে দুর্গাপুর মুক্ত দিবস পালিত হয়েছে। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় শহীদ আওয়াল স্মৃতি সংঘের আয়োজনে এ দিবস পালিত হয়।

এ উপলক্ষে কমরেড মণিসিংহ স্মৃতি জাদুঘর মিলনায়তনে শহীদ আওয়াল স্মৃতি সংঘের সভাপতি শেখ হোযাইফা হীরা এর সভাপতিত্বে শহীদ আওয়াল স্মৃতি সংঘের সাধারণ সম্পাদক সাংবাদিক পলাশ সাহার সঞ্চালনায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন প্রবীণ ও সর্বজন শ্রদ্ধেয় শিক্ষক (অবঃ) বলরাম বিশ্বাস। অন্যদের মধ্যে আলোচনা করেন, সাবেক ডেপুটি কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা সোহরাব হোসেন তালুকদার, বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ আব্দুল ওয়াহেদ, বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ আব্দুল হামিদ, বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল মান্নান, বীর মুক্তিযোদ্ধা চিত্তরঞ্জন সরকার, বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ সিরাজুল হক, অধ্যাপক আব্দুর রাশিদ, প্রভাষক জনপদ চৌধুরী, এডভোকেট মামুন আকন্দ, প্রধান শিক্ষক এ.কে.এম ইয়াহিয়া, কাউন্সিলর ইব্রাহিম খলিল টিপু, প্রেসক্লাব সাধারণ সম্পাদক মো. জামাল তালুকদার, দুর্গাপুর সাংবাদিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক ওয়ালী হাসান তালুকদার, উন্নয়নকর্মী রূপক সরকার প্রমুখ।

বক্তারা বলেন, ৬ ডিসেম্বর এক রক্তক্ষয়ী লড়াইয়ের মধ্য দিয়ে দুর্গাপুরকে পাকহানাদার বাহিনীর কবল থেকে মুক্ত করে বাংলার মুক্তিকামী দামাল ছেলেরা। আমাদের কাছে এই দিনটির গুরুত্ব অনেক। আমরা বিনম্ন শ্রদ্ধা জানাই এমকেসিএম স্কুলের প্রধান শিক্ষক এম এ আওয়াল সহ বীর শহীদদের প্রতি। তাদের এই আত্মত্যাগের ফলেই আমরা একটি স্বাধীন দেশ পেয়েছি। মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস তরুণ প্রজন্মকে জানাতে হবে, তবেই সুখী ও সমৃদ্ধশালী বাংলাদেশ গড়তে এগিয়ে তরুন প্রজন্ম।

বীর মুক্তিযোদ্ধাগন স্মৃতিচারণ করে বলেন, ৬ ডিসেম্বর অত্যন্ত উল্লাসের সাথে পাকহানাদার বাহিনীকে বিরিশিরি ঘাঁটি থেকে বিতাড়িত করি। সেদিন বিরিশিরি বধ্যভূমিতে গিয়ে অসংখ্য মানুষের মরদেহ দেখি আমরা। শহীদদের স্বজনদের কান্না আর আহাজারিতে ভারি হয়েছিলো দুর্গাপুরের আকাশ বাতাস। তাই দুর্গাপুর মুক্ত দিবস আমাদের জন্য একটি বিশেষ দিন।  

যাযাদি/সাইফুল
 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

উপরে