logo
বুধবার, ০৮ এপ্রিল ২০২০, ২৫ চৈত্র ১৪২৫

  অলোক কুমার ঘোষ, প্রভাষক, রসায়ন বিভাগ পাটুল হাপানিয়া হাইস্কুল অ্যান্ড কলেজ, নাটোর।   ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২০, ০০:০০  

এসএসসি পরীক্ষার প্রস্তুতি রসায়ন

এসএসসি পরীক্ষার প্রস্তুতি রসায়ন
প্রিয় শিক্ষার্থী, আজ তোমাদের জন্য রসায়ন থেকে গুরুত্বপূর্ণ জ্ঞানমূলক প্রশ্নোত্তর দেওয়া হলো

জ্ঞানমূলক প্রশ্নোত্তর

১. প্রশ্ন : স্ফুটনাঙ্ক কী?

উত্তর : যে তাপমাত্রায় কোনো তরল পদার্থ গ্যাসীয় অবস্থাপ্রাপ্ত হয় সেই তাপমাত্রাকে পদার্থের স্ফুটনাঙ্ক বলে।

২. প্রশ্ন : ঊর্ধ্বপাতন কী?

উত্তর : কঠিন পদার্থকে তাপ দিলে তা সরাসরি গ্যাসে পরিণত হয় এবং ঠান্ডা করলে সরাসরি কঠিনে রূপান্তরিত হয়, পদার্থের এ অবস্থাকে ঊর্ধ্বপাতন বলে।

৩. প্রশ্ন : নিউক্লিয়ন সংখ্যা কী?

উত্তর : পরমাণুর কেন্দ্রে প্রোটন ও নিউট্রনের সমষ্টিকে বলে নিউক্লিয়ন সংখ্যা।

৪. প্রশ্ন : পারমাণবিক সংখ্যা কী?

উত্তর : পরমাণুর প্রোটন সংখ্যাকে বলা হয় পারমাণবিক সংখ্যা।

৫. প্রশ্ন : আইসোটোপ কী?

উত্তর : বিভিন্ন ভর সংখ্যাবিশিষ্ট একই মৌলের পরমাণুকে পরস্পরের আইসোটোপ বলে।

৬. প্রশ্ন : আপেক্ষিক পারমাণবিক ভর কী?

উত্তর : কোনো মৌলের একটি পরমাণুর ভর একটি কার্বন -১২ পরমাণুর ভরের ১/১২ অংশের যত গুণ ভারী, তাকে ওই মৌলের আপেক্ষিক পারমাণবিক ভর বলে।

৭. প্রশ্ন : তেজস্ক্রিয়তা কী?

উত্তর : কোনো পরমাণুর নিউক্লিয়াসের পরিবর্তনকে তেজস্ক্রিয়তা বলে।

৮. প্রশ্ন : নিউক্লিয়াস কী?

উত্তর : পরমাণুর কেন্দ্রস্থলে ধনাত্মক চার্জবিশিষ্ট ভারী বস্তুকে নিউক্লিয়াস বলে।

৯. প্রশ্ন : অরবিট কী?

উত্তর : নিউক্লিয়াসের চারদিকে বৃত্তাকার কতগুলো স্থির কক্ষপথ আছে, যাতে অবস্থান নিয়ে ইলেকট্রনসমূহ ঘুরতে থাকে। এগুলোকে শক্তিস্তর বা অরবিট বলে।

১০. প্রশ্ন : পারমাণবিক সংখ্যা কী?

উত্তর : কোনো মৌলের প্রোটন সংখ্যাকে ওই মৌলের পারমাণবিক সংখ্যা বলে।

১১. প্রশ্ন : ওটচঅঈ কী?

উত্তর : ওহঃবৎহধঃরড়হধষ টহরড়হ ড়ভ ঢ়ঁৎব ধহফ অঢ়ঢ়ষরবফ ঈযবসরংঃৎু. যা সংক্ষেপে ওটচঅঈ. এটা আন্তর্জাতিক রসায়ন ও ফলিত রসায়ন সংস্থা।

১২. প্রশ্ন : পর্যায় সারণির জনক কে?

উত্তর : পর্যায় সারণির জনক রুশ বিজ্ঞানী দিমিত্রি মেন্ডেলিফ।

১৩. প্রশ্ন : পারমাণবিক সংখ্যা কে আবিষ্কার করেন?

উত্তর : বিজ্ঞানী হেনরি মোসলে পারমাণবিক সংখ্যা আবিষ্কার করেন।

১৪. প্রশ্ন : ক্ষার ধাতু কাকে বলে?

উত্তর : পর্যায় সারণিতে গ্রম্নপ-১ এ অবস্থিত মৌলসমূহ যথা খর, ঘধ, জ, জন, ঈং এবং ঋৎ-কে ক্ষার ধাতু (অষশধষর সবঃধষ) বলা হয়।

১৫. প্রশ্ন : ব্যাপন (উরভভঁংরড়হ) বলতে কী বোঝ?

উত্তর : কোনো মাধ্যমে কঠিন, তরল বা গ্যাসীয় বস্তুর স্বতঃস্ফূর্ত ও সমভাবে পরিব্যাপ্ত হওয়ার প্রক্রিয়াকে ব্যাপন বলে।

১৬. প্রশ্ন : নিঃসরণ (ঊভভঁংরড়হ) কী?

উত্তর : সরু ছিদ্রপথে কোনো গ্যাসের অণুগুলোর উচ্চচাপ থেকে নিম্নচাপ অঞ্চলে বেরিয়ে আসার প্রক্রিয়াকে নিঃসরণ বলে।

১৭. প্রশ্ন : গলনাঙ্ক কী?

উত্তর : যে তাপমাত্রায় কোনো কঠিন পদার্থ তরলে পরিণত হয় সে তাপমাত্রাকে সেই পদার্থের গলনাঙ্ক বলে।

১৮. প্রশ্ন : ঈঘএ কী?

উত্তর : সিএনজি হলো (পড়সঢ়ৎবংংবফ হধঃঁৎধষ মধং) চাপে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস।

১৯. প্রশ্ন : নিষ্ক্রিয় গ্যাস কী?

উত্তর : পর্যায় সারণিতে গ্রম্নপ-১৮-তে অবস্থিত মৌলসমূহকে নিষ্ক্রিয় মৌল বলে। এদের সর্ববহিস্থ স্তর ইলেকট্রন দ্বারা পূর্ণ থাকে।

২০. প্রশ্ন : মৃৎক্ষার ধাতু কী?

উত্তর : গ্রম্নপ-২-এ অবস্থিত ইব থেকে শুরু জধ পর্যন্ত মৌলসমূহকে মৃৎক্ষার ধাতু (ধষশধষর বধৎঃয সবঃধষ) বলে।

২১. প্রশ্ন : হ্যালোজেন কী?

উত্তর : গ্রম্নপ-১৭-তে অবস্থিত মৌল ঋ, ঈষ, ইৎ, ও এবং অঃ এ ৫টি মৌলকে একত্রে হ্যালোজেন (যধষড়মবহব) বলে। হ্যালোজেন শব্দের অর্থ লবণ গঠনকারী (ংধষঃ সধশবৎ).

২২. প্রশ্ন : অবস্থান্তর মৌল কী?

উত্তর : পর্যায় সারণিতে গ্রম্নপ ৩ থেকে গ্রম্নপ ১১ পর্যন্ত গ্রম্নপে অবস্থিত মৌলসমূহকে অবস্থান্তর মৌল (ঃৎধহংরঃরড়হ সবঃধষ) বলা হয়।

২৩. প্রশ্ন : মুদ্রা ধাতু কাকে বলে?

উত্তর : পর্যায় সারণিতে গ্রম্নপ-১১-তে অবস্থিত মৌল-তামা (পঁ), রুপা (অম) ও সোনা (অঁ) ইত্যাদি ধাতুকে মুদ্রা ধাতু বলা হয়।

২৪. প্রশ্ন : পর্যায় সূত্র কী?

উত্তর : যদি মৌলসমূহকে ক্রমবর্ধমান পারমাণবিক ভর অনুসারে সাজানো হয়, তবে তাদের ভৌত ও রাসায়নিক ধর্মাবলি পর্যায়ক্রমে আবর্তিত হয়।

২৫. প্রশ্ন : অভিজাত ধাতু কী?

উত্তর: তুলনামূলক কম সক্রিয় ধাতুসমূহকে (সোনা, রুপা) অভিজাত ধাতু (হড়নষব সবঃধষং) বলা হয়।

২৬. প্রশ্ন : ম্যাগমা কী?

উত্তর : শিলা ভূগর্ভের অনেক গভীরে থাকে এবং ভূগর্ভের উচ্চচাপে শিলা গলে যায়, এ গলিত অবস্থাকে ম্যাগমা বলে।

২৭. প্রশ্ন : খনিজ কাকে বলে?

উত্তর : ভূগর্ভে বা ভূপৃষ্ঠে কোনো কোনো শিলাস্তূপে প্রচুর যৌগ অথবা মুক্ত মৌল হিসেবে মূল্যবান ধাতু বা অধাতু পাওয়া যায়, এগুলোকে খনিজ বলে।

২৮. প্রশ্ন : মৌলিক খনিজ কাকে বলে?

উত্তর : স্বর্ণ, হীরা, গন্ধক ইত্যাদি প্রকৃতিতে মৌলিক পদার্থরূপে পাওয়া যায়। এদের মৌলিক খনিজ বলে।

২৯. প্রশ্ন : আকরিক কী?

উত্তর : যেসব খনিজ থেকে লাভজনকভাবে ধাতু নিষ্কাশন করা যায় তাকে আকরিক বলে।

৩০. প্রশ্ন : মরিচাহীন ইস্পাত (স্টেইনলেস স্টিল) কাকে বলে?

উত্তর : লোহার সঙ্গে কার্বন, নিকেল ও ক্রোমিয়াম মিশিয়ে মরিচাহীন ইস্পাত বা স্টেইনলেস স্টিল তৈরি করা হয়।

৩১. প্রশ্ন : ওলিয়াম কী?

উত্তর : ধূমায়মান সালফিউরিক এসিডকে ওলিয়াম বলে।

৩২. প্রশ্ন : ইলেকট্রোপেস্নটিং কাকে বলে?

উত্তর : বৈদু্যতিক পদ্ধতিতে লোহার তৈরি জিনিসের ওপর কিংক ও টিনের প্রলেপ দেয়া হয়, একে ইলেকট্রোপেস্নটিং বলে।

৩৩. প্রশ্ন : ব্রোঞ্জ কী?

উত্তর : কপার ও টিনের মিশ্রণে উৎপন্ন ধাতুসংকর হলো ব্রোঞ্জ।

৩৪. প্রশ্ন : মরিচা কী?

উত্তর : মরিচা হলো লালচে বাদামি বর্ণের ভঙ্গুর বস্তু।

৩৫. প্রশ্ন : পেঁয়াজের উপাদান কী?

উত্তর : পেঁয়াজে রয়েছে সালফারের প্রোপাইল যৌগ।

৩৬. প্রশ্ন : চীনা মাটি বা চায়না ক্লে কী?

উত্তর : বাংলাদেশের নেত্রকোনা জেলায় সাদা মাটির পাহাড় রয়েছে। শুরুতে চীন দেশের লোকেরা এ রকম মাটি ব্যবহার করত বলে এ মাটিকে চীনা মাটি বা চায়না ক্লে বলে।

৩৭. প্রশ্ন : বালি কী?

উত্তর : বালি হলো কোয়ার্টজ বা সিলিকন ডাইঅক্সাইড (ংরড়২)।

৩৮. প্রশ্ন : ডুরালমিন কী?

উত্তর : ডুরালমিন ধাতুসংকর, যা অ্যালুমিনিয়াম, কপার, ম্যাগনেসিয়াম, ম্যাঙ্গানিজ ও লোহার মিশ্রণ।

৩৯. প্রশ্ন : ব্যাকিং পাউডার কী?

উত্তর : সোডিয়াম হাইড্রোজেন কার্বনেটকে ব্যাকিং পাউডার বলে।

৪০. প্রশ্ন : ব্রাইন কী?

উত্তর : সোডিয়াম ক্লোরাইডের ঘন সম্পৃক্ত দ্রবণকে ব্রাইন বলে।

৪১. প্রশ্ন : সিরকা বা ভিনেগার কী?

উত্তর : সিরকা বা ভিনেগার হলো ইথানয়িক এসিডের ৫-৬% জলীয় দ্রবণ।

৪২. প্রশ্ন : কোমল পানীয় কী?

উত্তর : কোমল পানীয় হলো পানিতে কার্বন ডাইঅক্সাইডের দ্রবণ। এতে অতিরিক্ত পরিমাণে চিনি দ্রবীভূত থাকে।

৪৩. প্রশ্ন : ইস্ট কী?

উত্তর : ইস্ট একপ্রকার এনজাইম যা বাড়িতে বা বেকারি শিল্পে পাউরুটি ফোলানোর কাজে ব্যবহৃত হয়।

৪৪. প্রশ্ন : কাপড় কাচা সোডার রাসায়নিক নাম কী?

উত্তর : কাপড় কাচার সোডার রাসায়নিক নাম সোডিয়াম কার্বনেট (ঘধ২ঈড়৩)।

৪৫. প্রশ্ন : টয়লেট ক্লিনারের মূল উপাদান কী?

উত্তর : টয়লেট ক্লিনারের মূল উপাদান হলো কস্টিক সোডা (ঘধড়ঐ)।

৪৬. প্রশ্ন : লাই কী?

উত্তর : লাই একটি ক্ষারীয় তরল।

৪৭. প্রশ্ন : বিস্নচ কী?

উত্তর : কাপড় কাচার পরে অনেক সময় কাপড়ে কোনো কোনো দাগ থেকে যায়, সাবান বা ডিটারজেন্ট দিয়ে ধোয়ার পরেও দাগ যায় না; তা দূর করতে রাসায়নিক পদার্থ ব্যবহার করা হয় তা-ই হলো বিস্নচ।

৪৮. প্রশ্ন : কুইক লাইম কী?

উত্তর : চুনা পাথরকে উচ্চ তাপমাত্রায় উত্তপ্ত করলে কুইক লাইম পাওয়া যায়।

৪৯. প্রশ্ন : সাবান কী?

উত্তর : তেল (ড়রষ) এবং চর্বিকে (ভধঃ) কস্টিক সোডা বা কস্টিক পটাশসহযোগে আর্দ্র বিশ্লেষণ করলে সাবান তৈরি হয়।

৫০. প্রশ্ন : ফরমালিন কী?

উত্তর : ফর্মালডিহাইড (ঐঈঐঙ)-এর ৪০% জলীয় দ্রবণকেই ফরমালিন বলা হয়।
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
close

উপরে