logo
বৃহস্পতিবার, ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২০, ১৫ ফাল্গুন ১৪২৬

  যাযাদি রিপোর্ট   ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২০, ০০:০০  

বসন্ত বাতাসে ভালোবাসার ফাল্গুনে

বসন্ত বাতাসে ভালোবাসার ফাল্গুনে
রাজধানীতে জাতীয় বসন্ত উদযাপন পরিষদ শুক্রবার ঢাবির চারুকলার বকুলতলায় আয়োজন করে বসন্তবরণ উৎসব। এতে অংশ নেন তরুণ-তরুণীসহ সর্বস্তরের মানুষ। ছবিতে লাল টিপ, হলুদ ফুল আর বাসন্তী রঙা শাড়ি আর মাথায় ফুলের মুকুট পরা এক তরুণীসহ অন্যরা -যাযাদি
এবারে একই দিনে বসন্তের সূচনা আর ভালোবাসা দিবস। তাও আবার তা পড়েছে ছুটির দিন শুক্রবারে। বসন্ত আর ভালোবাসার এই সহযাত্রায় শিমুল আর রক্তপলাশ ফুটেছে প্রেম হয়ে। শহর মেতে উঠে আনন্দে। দিকে দিকে চলে বসন্ত বরণ।

শুক্রবার কুয়াশার আঁচল সরিয়ে ঋতুরাজ বসন্তের প্রথম সূর্য ভরিয়ে দেয় আকাশ। নবীন প্রাণের উষ্ণতা ছড়িয়ে পড়ে শীতের নিচে চাপা পড়া প্রকৃতিতে। উত্তরের হিমেল হাওয়া থামিয়ে দিয়ে বয় দখিনা বাতাস। শহরে আসে তুমুল বসন্ত।

শুক্রবার রাজধানীজুড়ে বসন্ত বরণের উদ্যোগ নেয় জাতীয় বসন্ত উদযাপন পরিষদ। এ উপলক্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদের বকুলতলায় সকাল থেকেই শুরু হয় নানা আয়োজন। বকুলতলা সাজে বাসন্তী রং আর ভালোবাসার সাজে।

সকাল ৭টায় সুস্মিতা দেবনাথ ও তার দলের কণ্ঠে ধ্রম্নপদী সংগীতের মূর্ছনায় শুরু হয় উৎসবের আনুষ্ঠানিকতা। সুস্মিতা দেবনাথের পর সম্মিলিত নৃত্য পরিবেশন করেন পূজা সেনগুপ্তা ও তার দল। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বকুলতলায় বাড়তে থাকে মানুষের ভিড়। গান, কবিতা আর সম্মিলিত নৃত্যে চলতে থাকে বসন্ত উদযাপন।

উৎসব প্রাঙ্গণে কথা হয় উদযাপন পর্ষদের সাধারণ সম্পাদক মানজার চৌধুরী সুইটের সঙ্গে। তিনি বলেন, বসন্ত উৎসব উদযাপনের প্রধান লক্ষ্য হলো নগরবাসীর মধ্যে সম্প্রীতির বন্ধন যেন আরও দৃঢ় হয়। সম্প্রীতির বার্তা ছড়িয়ে দেওয়ার পাশাপাশি তারা বাঙালি সংস্কৃতির ব্যাপারে তরুণদের উদ্বুদ্ধ করতে চান। তারা যেন শেকড়সন্ধানী হয়ে ওঠে। বসন্ত উদযাপন তো তাদের অনন্য ঐতিহ্য।

আবৃত্তিশিল্পী ভাস্বর বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, 'ঋতু উৎসবের মধ্যে বসন্ত উৎসবের মর্ম একেবারেই আলাদা। বছরের শেষ ভাগের এই উৎসবের মধ্য দিয়ে আমরা নতুন এক বাংলা বর্ষ উদযাপনের অপেক্ষায় থাকি। নগরে বসন্ত উদযাপন প্রতি বছর নতুন মাত্রা পায় তরুণ-যুবাদের কোলাহলে। এবারও তার ব্যতিক্রম নয়, বরং একইসাথে ভালোবাসার উৎসব আরও বেশি রং ছড়িয়েছে। তবে এই উৎসবে যখন মাটির কাছে ফেরার গান শুনি, তখন ভালো লাগে।'

ছায়ানটের সাধারণ সম্পাদক লাইসা আহমেদ লিসা বলেন, 'বসন্ত উৎসব হয়তো অন্য অনেক দেশেই উদযাপিত হবে। কিন্তু ষড়ঋতু সবখানে এত স্পষ্ট নয়। ঋতু বৈচিত্র্যের দেশে ভালোবাসা আর ঋতু উৎসবে এসে আমরা শপথ নিই, যেন ভালোবাসার মধ্য দিয়ে এই প্রাণ-প্রকৃতি রক্ষা করে আমরা তার সঙ্গে বন্ধুত্ব গড়ে তুলতে পারি। সম্প্রীতির বন্ধনে একে অপরকে বেঁধে রাখতে পারি।'

নৃত্যশিল্পী পূজা সেনগুপ্তা বলেন, 'আজ একই সঙ্গে দুটি দিবস। তার সাথে আবার ছুটির দিন শুক্রবার। সব মিলিয়ে মনে হচ্ছে সাক্ষাৎ বসন্ত যেন এই শহরের বুকে নেমে এসেছ। আর বসন্তের সাথে তো আমাদের খুব নিবিড় একটা সংযোগ আছেই। আমাদের ভাষা আন্দোলন, আমাদের মুক্তিযুদ্ধ দুটিই এই বসন্ত ঋতুতে।'

বসন্ত মানেই তো রং, রঙের খেলা। নিজেদের রঙিন করে উৎসবে যোগ দিয়েছেন সব বয়সের মানুষ। মেয়েরা সেজেছে বাসন্তী শাড়ির সঙ্গে হলুদ গাঁদার ফুলে, আর ছেলেরা সেজেছে আবির রঙের পোশাকে।

রং-রসে ভরা এ বসন্তের প্রসঙ্গে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নৃত্যকলা বিভাগের প্রভাষক ও গৌড়ীয় নৃত্য শিল্পীর্ যাচেল প্রিয়াংকা প্যারিস বলেন, 'বসন্ত মানেই তো রং। এই সময়ে হোলি হয়, দোল হয়, বিভিন্ন পূর্ণিমা হয়, তাদের কত রং! এই যে আবিরের ছড়াছড়ি, এটাই তো বসন্ত। এই সময়টা আমাদের সবসময় রঙের মধ্যে রাখে। গাছে রঙ, মনে রঙ, সব জায়গাতে রঙ। আর এটাই তো বসন্তের সার্থকতা। এই রঙেই তো আমাদের প্রাণ নেচে ওঠে নতুন সুরে, নতুন ভালোবাসায়। গুঞ্জরিত হয় প্রকৃতির সাথে সাথে।'

বসন্ত উদযাপন পরিষদের বসন্ত বরণ অনুষ্ঠানের সকালের পর্বের পর বিকালেও রাখা হয় নানা আয়োজন। বিকাল সাড়ে ৩টা থেকে শুরু হয় সে পর্ব।

চারুকলা ছাড়াও ধানমন্ডির রবীন্দ্র সরোবর, উত্তরার রবীন্দ্র সরণি ও বুলবুল একাডেমি অব ফাইন আর্টস (বাফা) মঞ্চে রাত সাড়ে ৮টা পর্যন্ত চলে বসন্ত বরণ উৎসব।

সবার মাঝে লাল

গোলাপ বিতরণ

ভালোবাসা কেবল প্রেমিক প্রেমিকার জন্য এই ধারণা পরিবর্তন করতে শাহবাগ থেকে প্রেসক্লাব পর্যন্ত বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের মাঝে লাল গোলাপ বিতরণ করেছে এভারগ্রিন জুম বাংলাদেশ ফাউন্ডেশন নামক একটি সংগঠন।

শুক্রবার সবার মাঝে ফুল বিতরণ শেষে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে এক সংক্ষিপ্ত সমাবেশে বক্তারা বলেন, ভালোবাসা দিবস মানেই সবাই মনে করে এ দিনটি শুধুই প্রেমিক প্রেমিকার জন্যই। এই ধারণার পরিবর্তন করতে আমাদের এই কর্মসূচি। আমরা চাই এই ভালোবাসা দিবসে ভাই তার বোনের জন্য, ছেলে তার মায়ের জন্য, বাবা তার পরিবারের জন্য ভালোবাসার প্রতীক হিসেবে একটি করে লাল গোলাপ উপহার দিক।

তিনি বলেন, 'আমরা সেই হিসেবে সংগঠনের পক্ষ থেকে ভালোবাসা দিবসে সবার প্রতি সম্মান প্রদর্শনে রাস্তায় থাকা সকল স্তরের মানুষকে একটি করে ফুল দিয়ে সম্মানিত করার চেষ্টা করছি।'

তারা আরও বলেন, জন্মের পর থেকে মানুষ ভালোবাসাকে কেন্দ্র করে বেড়ে ওঠে। কিছু ভালোবাসা রক্তের সম্পর্কের, কিছু ভালোবাসা সৃষ্টির প্রাত্যহিক জীবনে চলতে গিয়ে তৈরি হয়। তেমনিভাবে কিছু ভালোবাসা আন্তরিকতার হয়। ভালোবাসা আমাদের সহজাত প্রবৃত্তি। তাই আসুন ১৪ ফেব্রম্নয়ারি সবাই মিলে সৃষ্টি করি ভালোবাসা দিবসের নতুন সংখ্যাগত, ভালোবাসা সবার জন্য।

এভারগ্রিন জুম বাংলাদেশ ফাউন্ডেশনের প্রধান সমন্বয়ক রাজিব সরকারের সভাপতিত্বে ফাউন্ডেশনের অন্যান্য সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

\হগোলাপের দাম

৫ গুণ

বসন্ত ও ভালোবাসা দিবসকে কেন্দ্র করে গোলাপ ফুলের দাম বেড়েছে পাঁচগুণ। অন্য সময় যেখানে একটি গোলাপ বিক্রি হতো ১০ টাকায় সেখানে এই বিশেষ দিনে গোলাপের দাম হয়েছে ৫০ টাকা।

শুক্রবার সকালে রাজধানীর শাহবাগে ফুলের বাজার ও খুচরা দোকানগুলোতে খোঁজ নিয়ে এসব তথ্য জানা গেছে।

সরেজমিন দেখা গেছে, বসন্তের রং হলুদ পাঞ্জাবি, শাড়ি পরে তরুণ-তরুণীরা ফুলের দোকানে ভিড় করছেন। ভালোবাসার প্রতীক হিসেবে বিবেচিত গোলাপ ফুলের চাহিদা বেশি। বিশেষ দিনে প্রিয় মানুষের সঙ্গে সময় কাটানোর পরিকল্পনা থেকে দাম খুব বেশি বিবেচ্য হচ্ছে না। গোলাপ ফুলের পাশাপাশি মাথায় পরার জন্য ফুলের টায়রাও কিনছেন অনেকে।

শাহবাগ বটতলা ক্ষুদ্র ফুল ব্যবসায়ী সমবায় সমিতির সভাপতি আবুল কালাম আজাদ বলেন, এ সময় এমনিতে ফুলের চাহিদা থাকে। আর বসন্ত ও ভালোবাসা দিবসের কারণে ফুলের চাহিদা অন্য সময়ের চেয়ে বেশি। গোলাপ একটা ৫০ টাকা ধরে বিক্রি করছি। আমি দশ হাজার ফুল রেখেছি বিক্রির জন্য। এখানে ছোট-বড় সব মিলিয়ে ৫০টির মতো দোকান রয়েছে। সবাই বিক্রির টার্গেট রেখেছে। রাতের দিকে ফুল বিক্রির পরিমাণ বলা যাবে।

তবে খুচরা দোকানের চেয়ে শিশু পার্ক সংলগ্ন পাইকারি বাজারে ফুলের দাম তুলনামূলক কম। ৫০টি গোলাপ বিক্রি হচ্ছে সাতশ টাকায়। সেখানকার বিক্রেতা রহিম সরকার বলেন, আমরা বিক্রি না করলে দাম বেশি থাকবে। বিকালে খুচরা বিক্রেতারা আরও বেশি দামে বিক্রি করবে।

অহনা ফুল কুটিরের বিক্রেতা জানান, লাল গোলাপ বিক্রি হচ্ছে ৫০ টাকায়, হলুদ গোলাপ বিক্রি হচ্ছে ৮০ টাকায়। মাথার টায়রা ১৫০-২০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। তবে অন্য সময়ের চেয়ে দাম বেশি।

ইয়াসিন পুষ্পালয়ের বিক্রেতা মো. জহির বলেন, দুই দিবস একসঙ্গে হওয়ায় ফুল বিক্রি এবার কম হবে। কারণ অন্যবছর দু'দিনে প্রচুর বিক্রি হতো। মানুষ দু'দিন ঘুরতে বের হতো। এবার সে তুলনায় বিক্রি কম হবে।

অন্যদিকে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় শাহবাগের চেয়ে ৫-১০ টাকা বেশি দামে ফুল বিক্রি হচ্ছে।

সুবিধাবঞ্চিত মানুষের

জন্য খাবার ও পোশাক

বিশ্ব ভালোবাসা দিবস উপলক্ষে পরিবেশ বিপর্যয় রোধে জনসচেতনতা তৈরি করতে মানববন্ধন করেছেন পরিবেশবাদী সামাজিক সংগঠন সবুজ আন্দোলন। মানববন্ধন শেষে সুবিধাবঞ্চিত মানুষের জন্য পোশাক এবং খাবার বিতরণ করে এ সংগঠন।

শুক্রবার সকালে শাহবাগের জাতীয় জাদুঘরের সামনে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, 'একটি গোলাপ কেনার টাকা দিয়ে একজন অসহায় দুস্থ শিশুর এক বেলার খাবার হয়ে যায়। আমরা যদি অযথা টাকা খরচ না করে বছরে অন্তত একদিন একটি শিশুকে এক বেলা খাবার অথবা একটি পোশাক উপহার দিতে পারি, তাহলে তারা অনেক উপকৃত হবে, খুশি হবে। অসহায় মানুষগুলোর মুখে হাসি ফুটবে। তাই আসুন আমরা সবাই এগিয়ে আসি অসহায় মানুষদের পাশে।'

তারা বলেন, সমাজের সব বিত্তবান মানুষ বছরের বিভিন্ন সময় নানা দিবসে দুস্থ, অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ালে, কমে যাবে ধনী-গরিবের বৈষম্য।

বনফুলের সাধারণ সম্পাদক শামীম আহমেদ বলেন, সামাজিক মূল্যবোধ থেকে আজকের আয়োজন। তাই ভালোবাসা দিবসে সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়ানো। আমরা শুধু ভালোবাসা দিবসে নয়, বছরের প্রতিটা দিনই অসহায় মানুষের পাশে থাকতে চাই।

তিনি বলেন, 'আজ সুন্দরবন দিবস। পৃথিবীর অন্যতম ম্যানগ্রোভ বন সুন্দরবন। আসুন আমরা সুন্দরবন রক্ষা করতে এগিয়ে আসি। জলবায়ু সমস্যা মোকাবিলা করি, নিরাপদ বাংলাদেশ গড়ি।'

স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন বনফুলের উদ্যোগে পরিবেশবাদী সামাজিক সংগঠন সবুজ আন্দোলনের সার্বিক সহযোগিতায় আয়োজিত মানববন্ধনে সভাপতিত্ব করেন বনফুলের চেয়ারপারসন জেসমিন সুলতানা। এ সময় আরও বক্তব্য দেন সবুজ আন্দোলন পরিষদের চেয়ারম্যান বাপ্পি সরদার, বাংলাদেশ লেবার পার্টির চেয়ারম্যান হামদুলস্নাহ আল মেহেদি, বাংলাদেশ কর্মসংস্থান আন্দোলনের চেয়ারম্যান মো. দেলোয়ার হোসেন, চ্যানেল আই সেরাকণ্ঠ শিল্পী অন্তর রহমান প্রমুখ।

রাবিতের্ যালি

বিশ্ব ভালোবাসা দিবসে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) প্রতিবাদীর্ যালি ও সমাবেশ করেছে প্রেমবঞ্চিত সংঘের শিক্ষার্থীরা। প্রতি বছরের ন্যায় এবারও এই ব্যতিক্রমী কর্মসূচির আয়োজন করেন তারা। শুক্রবার বেলা ১১টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের পেছনের আমতলা থেকের্ যালিটি বের হয়।

র্

যালিতে 'কেউ পাবে কেউ পাবে না, তা হবে না তা হবে না। প্রেমের নামে প্রহসন, চলবে না চলবে না। তুমি কে? আমি কে? বঞ্চিত, বঞ্চিত।' ইত্যাদি স্স্নোগান দেন শিক্ষার্থীরা।র্ যালিটি ক্যাম্পাসের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে একই স্থানে এসে সমাবেশে মিলিত হয়।

সমাবেশে বিশ্ববিদ্যালয় প্রেমবঞ্চিত সংঘের সভাপতি নুরুল ইসলাম জিম বলেন, 'বর্তমানে ১৪ ফেব্রম্নয়ারিতে প্রেমের নামে যে অশ্লীলতা হয় তার বিরুদ্ধে আমরা প্রতিবাদীর্ যালি করেছি। একজন অনেক জনের সঙ্গে প্রেম করে, এটির বিরুদ্ধে আমরা। আমরা চাই প্রেমের সুষম বণ্টন।'

বিশ্ববিদ্যালয় প্রেমবঞ্চিত সংঘের সভাপতি নুরুল ইসলাম জিম ও সাধারণ সম্পাদক তন্ময় রশিদের নেতৃত্বে এ কর্মসূচিতে দুই শতাধিক শিক্ষার্থী অংশ নেন। বিশ্ব ভালোবাসা দিবস উপলক্ষে সংগঠনটি গণস্বাক্ষর, স্বেচ্ছায় রক্তদান কর্মসূচি, পথশিশু ও দুস্থদের জন্য এক বেলা খাবারের আয়োজন করেছে।
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
close

উপরে