বুধবার, ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৪, ১৫ ফাল্গুন ১৪৩০
walton

নজরুল বিশ্ববিদ্যালয় : নৈরাজ্য ও সহিংসতার প্রতিবাদে আওয়ামীপন্থী শিক্ষকদের মানববন্ধন 

নজরুল বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি
  ০১ নভেম্বর ২০২৩, ০৯:১৪

সংবিধান অনুযায়ী দ্বাদশ জাতীয় নির্বাচনের দাবিতে ও স্বাধীনতা বিরোধী চক্র কতৃক দেশব্যাপী নৈরাজ্য ও রাজনীতির নামে সহিংসতার প্রতিবাদে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ে একটি মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের আওয়ামীপন্থী শিক্ষকদের সংগঠন বঙ্গবন্ধু নীলদলের ব্যানারে এই কর্মসূচি পালিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (৩১ অক্টোবর) দুপুর ১২ টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের জয় বাংলা ভাস্কর্যের সামনে মানববন্ধনটি অনুষ্ঠিত হয়।

মানববন্ধনটি সঞ্চালনা করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের মানবসম্পদ ব্যবস্থাপনা বিভাগের প্রধান রেজুয়ান আহমেদ শুভ্র। এতে বক্তব্য রাখেন শিক্ষক সমিতির সাবেক সভাপতি ড. শফিকুল ইসলাম, প্রক্টর সঞ্জয় কুমার মুখার্জি, বঙ্গবন্ধু হলের প্রভোস্ট মাসুম হাওলাদার, নীলদলের সদ্য সাবেক সভাপতি অধ্যাপক ড. উজ্জ্বল কুমার প্রধান, নাট্যকলা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ইমন তোকদার বাধন, শিক্ষক সমিতির সাবেক সাধারন সম্পাদক রফিকুল আমিন, শিক্ষক সমিতির সাবেক সাধারন সম্পাদক সোহেল রানা, শিক্ষক সমিতির দপ্তর সম্পাদক তারিফুল ইসলাম।

এসময় বক্তারা সংবিধান অনুযায়ী নিদিষ্ট সময়ে নির্বাচন অনুষ্ঠানের আহ্বান জানান। এছাড়াও বক্তারা বলেন, বিএনপির নির্দেশে দেশে আগুন সন্ত্রাস ও নৈরাজ্য চালানো হচ্ছে। ১৯৭১ সালের পাক হানাহার বাহিনীর রুপ ধারন করেছে তারা। উন্নয়নশীল দেশকে তারা সন্ত্রাসী কর্মকান্ডের মাধ্যমে বাধাগ্রস্থ করছে। আমরা এই স্বাধীনতাবিরোধী সংগঠন ও তাদের কার্যক্রমের প্রতি তীব্র নিন্দা জ্ঞাপন করছি।’

বিএনপি ও ‘তাদের দোসরদের’ উদ্দেশ্য করে বক্তারা আরও বলেন, ‘আপনারা তো সারাদিন দেশপ্রেমের বুলি আওড়ান৷ কিন্তু কাজ করেন সম্পূর্ণ বিপরীত। ২৮ অক্টোবর যে সন্ত্রাসী কার্যক্রম পরিচালনা করলেন, এতে কী দেশের প্রতি ভালোবাসা প্রকাশ পেয়েছে? মূলত এর মাধ্যমে এই দেশ আর এই দেশের জনগণের প্রতি আপনাদের ক্ষোভ আর ঘৃণা প্রকাশ পেয়েছে।’

শুধুমাত্র পদ্মা সেতুর জন্যেই শেখ হাসিনা সরকারকে চতুর্থবারের জন্য ক্ষমতায় নিয়ে আসা উচিত দাবি করে ড. শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘অন্য কোনো সরকার এই পদ্মা সেতু করতে পারেনি। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সেটি করে দেখিয়েছেন। শুধু তাই নয়- কর্ণফুলী টানেল, এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে সহ বহু মেগাপ্রকল্প বাস্তবায়ন হচ্ছে। এগুলা বাদ দিলেও শুধু পদ্মা সেতুর জন্যই তাঁকে আবার ক্ষমতায় নিয়ে আসা উচিত।’

এসময় বক্তারা সহিংসতায় নিহত দুই পুলিশ সদস্যের আত্মার শান্তিকামনা এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও গণমাধ্যমকর্মীদের হত্যার উদ্দেশ্যে হামলার ঘটনায় নিন্দা জানিয়ে বলেন, অনেকে দেশের বাইরে বসে ভিডিও বার্তা দিয়ে দেশকে অস্থিতিশীল করে তোলার চেষ্টা চালাচ্ছে। পাক হানাদার বাহিনীর এজেন্টরা দেশের অগ্রযাত্রা আটকানোর লক্ষ্যে পুণরায় সোচ্চার হয়েছে। দেশের উন্নয়নের অগ্রযাত্রা অব্যাহত রাখতে তাদের সহিংসতার পথ পরিহারের আহবান এবং সংবিধান অনুযায়ী গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় সকল রাজনৈতিক দলকে নির্বাচনে অংশগ্রহণের আহবান জানান।

যাযাদি/ এস

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

উপরে