বুধবার, ০৭ ডিসেম্বর ২০২২, ২২ অগ্রহায়ণ ১৪২৯

পরিবেশ সুরক্ষা ও টেকসই উন্নয়ন বর্তমান সরকারের বড় চ্যালেঞ্জ

পরিবেশ সুরক্ষায় বড় বাধা হিসেবে রাজনৈতিক চাপ, প্রভাবশালীদের আইন অমান্য এবং দায়িত্বপ্রাপ্ত সরকারি সংস্থাগুলোর অদক্ষতা ও অব্যবস্থাপনাকেই দায়ী করেন পরিবেশ বিশেষজ্ঞরা।
নিতাই চন্দ্র রায়
  ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ০০:০০
বিশ্বব্যাংকের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দূষণ ও পরিবেশগত ঝুঁকির কারণে যে সব দেশ সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত বাংলাদেশ তার মধ্যে একটি। বাংলাদেশে প্রতিবছর যত মানুষের মৃতু্য হয়, তার শতকরা ২৮ শতাংশ মারা যায়, পরিবেশ দূষণজনিত বিভিন্ন অসুখ-বিসুখে। কিন্তু সারা বিশ্বে এ ধরনের মৃতু্যর গড় মাত্র ১৬ শতাংশ। বাংলাদেশের শহরাঞ্চলে এই দূষণের মাত্রা উদ্বেগজনক পর্যায়ে পৌঁছেছে। পরিবেশ দূষণের কারণে ২০১৫ সালে দেশটির বিভিন্ন শহরে ৮০ হাজার মানুষের মৃতু্য হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের পরিবেশবিষয়ক সংস্থা এনভায়রনমেন্টাল প্রটেকশন এজেন্সি (ইপিআই) গত বছর বিশ্বের ১৮০টি দেশে সরকারের পরিবেশ সুরক্ষায় ভূমিকা নিয়ে যে প্রতিবেদন প্রকাশ করে, তাতে দেখা যায়, ২০১০ থেকে ২০১৮ সালের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান ৪০ ধাপ পিছিয়ে ১৭৯তম অবস্থানে পৌঁছেছে। আর এই সূচকের ১৮০তম অবস্থানে রয়েছে আফ্রিকার যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশ বুরুন্ডি। বনভূমি ধ্বংস, বায়ু, পানি ও পস্নাস্টিক- পলিথিন দূষণের শীর্ষে থাকা ১০টি দেশের তালিকায় বাংলাদেশ অন্যতম। পরিবেশ সুরক্ষায় বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থানের যে ধারাবাহিকভাবে অবনতি ঘটছে, তা সাধারণ মানুষের জন্য বিরাট উদ্বেগ ও আতঙ্কের বিষয়। কারণ, পরিবেশ দূষণে সবচেয়ে বেশি ভোগান্তি ও ক্ষতির শিকার হন, নারী, শিশু এবং স্বল্প আয়ের প্রান্তিক জনগোষ্ঠী। দেশের অধিকাংশ শিল্পপতি বেশি লাভের আশায় ইটিপি ব্যবহার না করে তাদের শিল্পকারখানার তরল বর্জ্য সরাসরি নদী-নালা ও খাল-বিলে নিক্ষেপ করছেন। এতে দূষিত হচ্ছে পানি। ধ্বংস হচ্ছে মাছ, জলজপ্রাণী ও উদ্ভিদ। এ দূষিত পানিই আবার চুইয়ে যাচ্ছে কৃষি জমিতে। এ কারণে দূষিত হচ্ছে মাটি। মারা যাচ্ছে কেঁচোসহ উপকারী অণুজীব। হ্রাস পাচ্ছে জমির উর্বরতা শক্তি ও শস্যের ফলন। পরিবেশ অধিদপ্তরের হিসেবে সারা দেশে বর্জ্য পরিশোধন যন্ত্র স্থাপন করা উচিত এমন কারখানার সংখ্যা ২ হাজার ১৬৫টি। এর মধ্যে ৫০০টি কারখানায় ইটিপি নেই। এর বাইরে মারাত্মক দূষণকারী ৩০৮টি কারখানা পরিচালনার অনুমোদন দেয়া হয়েছে। কিন্তু এসব কারখানার মধ্যে মাত্র ১২টি নিয়ম মানছে। আর যাদের ইটিপি আছে, তাদের বেশির ভাগই ইটিপি চালু রাখে না বলে অভিযোগ রয়েছে। অন্যদিকে আবাসন ব্যবসায়ীরা দেশের প্রাকৃতিক জলাশয়গুলো ভরাট করেই নির্মাণ করছেন বহুতল বিশিষ্ট ভবন। এ কারণে রাজধানী ঢাকাসহ দেশের নগরগুলোতে সামান্য বৃষ্টিতেই সৃষ্টি হচ্ছে অসহনীয় জলাবদ্ধতা। দেশের সিংহভাগ ইটভাটা ও যানবাহনের মালিক হচ্ছেন প্রভাবশালী ব্যবসায়ী ও রাজনৈতিক নেতারা। তারা দেশের পরিবেশ ও প্রতিবেশ নিয়ে সভা-সমাবেশে বড় বড় কথা বলেন। অন্যকে উপদেশ দেন। কিন্তু তাদের কৃতকর্মের জন্য যে পরিবেশের বারোটা বাজছে- একথা তারা বিশ্বাস করেন না এবং ভুলেও স্বীকার করেন না। নদী দখল ও দূষণের সঙ্গেও জড়িত রয়েছে দেশের প্রভাবশালী একটি স্বার্থপর মহল। পরিবেশ অধিদপ্তর ও বিশ্বব্যাংকের মতে, রাজধানীসহ দেশের সামগ্রিক বায়ু দূষণের ৫৬ শতাংশের উৎস হলো ইটভাটা। ইটভাটাগুলোকে পরিবেশবান্ধব করতে ২০১৮ সালে ইট প্রস্তুত ও ভাটা নিয়ন্ত্রণ অধ্যাদেশ জারি করেছে সরকার। জানা যায়, দেশের ৭ হাজার ৭৭২টি ইটভাটার মধ্যে এখনো ২ হাজার ২২৩টি ইটভাটা উন্নত প্রযুক্তি গ্রহণ করেনি। পরিবেশ সংরক্ষণ আইনে ইটভাটাগুলো কৃষি জমিতে স্থাপন এবং ইট তৈরি কাজে কৃষি জমির মাটি ব্যবহারের ওপর নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। এ ছাড়া জনবসতি, বাজার ও অর্থনৈতিক তৎপরতা আছে এমন স্থানে ইটভাটা স্থাপন করা যাবে না। পরিবেশ অধিদপ্তরের হিসেবে দেশের ৯৮ শতাংশ ইটভাটাই নতুন আইন অনুযায়ী অবৈধ। মেয়াদোত্তীর্ণ যানবাহন, বিশেষত বাসগুলো সবচেয়ে বেশি বায়ুদূষণ করছে। বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ ও পরিবেশ অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে দূষণকারী যানবাহনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার কথা থাকলেও পরিবহন খাতে ক্ষমতাসীন দলের নেতাদের প্রভাব থাকায় দূষণ নিয়ন্ত্রণে সংস্থা দুটি কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারছে না বলে অভিযোগ রয়েছে। বায়ুদূষণের কারণে পৃথিবীতে প্রতি বছর ৫৫ লাখ মানুষের অকাল মৃতু্য ঘটছে। এ মৃতু্যর বেশির ভাগই ঘটছে দ্রম্নতগতির অর্থনীতির দেশ চীন ও ভারতে। এসব মৃতু্যর জন্য প্রধানত দায়ী কয়লাভিত্তিক বিদু্যৎ কেন্দ্র, মিল-কারাখানা, যানবহন এবং কাঠ ও কয়লা পোড়ানো থেকে নির্গত ক্ষুদ্র কণিকা। বায়ুদূষণের ফলে হৃদরোগ, স্ট্রোক, শ্বাসতন্ত্রের সমস্যা এমনকি ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়তে পারে। ২০১৩ সালে সংগৃহীত এক উপাত্ত থেকে জানা যায়, বায়ুদূষণের কারণে প্রতিবছর চীনে ১৬ লাখ মানুষের অকাল মৃতু্য ঘটছে। আর ভারতে বায়ুদূষণের কারণে প্রতিবছর মারা যাচ্ছে ১৩ লাখ মানুষ। সম্প্রতি বায়ুদূষণের হাত থেকে শিশুদের রক্ষায় থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংককে অনির্দিষ্ট কালের জন্য সব বিদ্যালয় বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। অনেকের আশঙ্কা, বায়ুদূষণ বৃদ্ধির মাত্রা এভাবে অব্যাহত থাকলে রাজধানী ঢাকায়ও ব্যাংককের মতো অবস্থা সৃষ্টি হতে পারে। নদী বাঁচলে বাংলাদেশ বাঁচবে। বাঁচবে এ দেশের প্রাণ-প্রকৃতি, জীববৈচিত্র্য। কৃষি, মৎস্য চাষ, শিল্পকারখানা ও কোটি কোটি মানুষের জীবন-জীবিকা। পাওয়া যাবে সুপেয় পানি। কিন্তু দুঃখের বিষয় রাজধানীর চার পাশের চারটি নদীর পানি পান ও জলজপ্রাণীর বসবাসের অযোগ্য হয়ে পড়েছে বহু বছর আগে। এর সঙ্গে বর্তমানে যুক্ত হয়েছে মেঘনা, ধলেশ্বরী ও কর্ণফুলি। এসব নদীর তীরে গড়ে ওঠা দূষণকারী শিল্পকারখানার বেশির ভাগের মালিক প্রভাবশালী ব্যবসায়ী ও রাজনীতিবিদরা। সম্প্রতি হাইকোর্টের এক যুগান্তকারী রায়ে নদী দখলকারীদের নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা ও ব্যাংক থেকে ঋণ পাওয়ার অযোগ্য ঘোষণা করেছে। দেশের সব জেলা, উপজেলা ও ইউনিয়ন পরিষদগুলোকে তাদের অধিভুক্ত এলাকায় নদী দখলদারদের নামের তালিকা পত্র-পত্রিকায় প্রকাশেরও নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। ঢাকা, চট্টগ্রাম ও খুলনার নদীতীরে গড়ে ওঠা অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের অভিযানও পরিচালনা করছে সরকারের নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়সহ বিভিন্ন সংস্থা। এ ব্যাপারে জাতীয় নদী রক্ষা কমিশনের চেয়ারম্যানের বক্তব্য হলো- নদী দখল ও দূষণকারীদের তালিকা তৈরি হচ্ছে। তারা যতই প্রভাবশালী হোক না কেন, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে। বাংলাদেশের পরিবেশ দূষণে পলিথিন একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। দেশের মাটিও পানি দূষণ নিয়ন্ত্রণে ২০০২ সালে পলিথিন ব্যাগের উৎপাদন ও ব্যবহার নিষিদ্ধ করা হয়। অথচ বর্তমানে এমন কোনো হাট-বাজার পাওয়া যাবে না, যেখানে অবাধে পলিথিন ব্যবহার হচ্ছে না। রাজধানীর লালবাগ, চকবাজার, টঙ্গী, গাজীপুর ও চট্টগ্রামে এখনো অবৈধ পলিথিন ব্যাগ উৎপাদনের অনেক কারখানা ও পাইকারি দোকান রয়েছে। পরিবেশ দপ্তরের হিসেবে এমন কারখানার সংখ্যা ১৫০টির মতো। বিশ্বে পলিথিন দূষণের তালিকায় বাংলাদেশের স্থান দশম। এই তালিকার শীর্ষে রয়েছে চীন, ইন্দোনেশিয়া ও ভিয়েতনাম। ২০১৭ সালের এক সমীক্ষায় দেখা গেছে, বাংলাদেশের মাটি ও পানিতে ৬৫ লাখ টন পস্নাস্টিক বর্জ্য জমা রয়েছে। রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন শহর ও গ্রাম-গঞ্জের জলবদ্ধতা ও মাটি দূষণের অন্যতম কারণ হলো- এই পলিথিন ব্যাগের অবৈধ ব্যবহার। জানা যায়, ঢাকা শহরে একটি পরিবার প্রতিদিন গড়ে চারটি পলিথিন ব্যাগ ব্যবহার করে। সে হিসেবে প্রতিদিন ঢাকা শহরে প্রায় ২ কোটি পলিথিন ব্যাগ একবার ব্যবহার করে ফেলে দেয়া হয়। একটি দেশের পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষার জন্য মোট ভূমির কমপক্ষে শতকরা ২৫ ভাগ বনভূমি থাকা উচিত। বন অধিদপ্তরের মতে, দেশের মোট ভূমির ১৭ শতাংশ বনভূমি। জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার মতে, বাংলাদেশের বনভূমির পরিমাণ ১৩ শতাংশ। গেস্নাবাল ফরেস্ট ওয়াচ ও ওয়ার্ল্ড রিসোর্স ইনস্টিটিউটের সম্প্রতি প্রকাশিত প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, গত ৭ বছরে বাংলাদেশে ৩ লাখ ৩২ হাজার একর বনভূমি উজাড় হয়েছে। দেশের বনভূমি রক্ষার সবচেয়ে বড় বাধা হলো রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ। এ ছাড়া সরকারের বিভিন্ন অধিদপ্তরের নানা উন্নয়ন কাজে ভূমির প্রয়োজন হলেই প্রথমেই নজর দেয়া হয় বনের সরকারি জমির দিকে। পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের এক তথ্য থেকে জানা যায়, স্বাধীনতার পর এ পর্যন্ত ১ লাখ ৬৮ হাজার একর বনভূমি সরকারি-বেসরকারি সংস্থার নামে বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। শুধু গত বছরেই সরকারি বিভিন্ন দপ্তর ও বেসরকারি খাত ১৬ হাজার একর বনভূমি নতুন করে বরাদ্দ চেয়েছে। এ ছাড়া রোহিঙ্গা বসতির কারণে কক্সবাজারের উখিয়াও টেকনাফের প্রায় ৬ হাজার একর বনভূমি ধ্বংস হয়ে গেছে। টাকার অঙ্কে এ ক্ষতির পরিমাণ ৫৪৯ কোটি টাকা। পরিবেশ দূষণের ফলে মানুষ, জীবজন্তু ও বাস্তুসংস্থানের ব্যাপক ক্ষতি হচ্ছে- এ কথা অস্বীকার করার কোনো উপায় নেই। মানুষ আক্রান্ত হচ্ছে নানা রকম জটিল রোগ-ব্যাধিতে। জীবজন্তুর বাসস্থান বিনষ্ট হচ্ছে। খাদ্য শৃঙ্খল ধ্বংস হচ্ছে। অনেক প্রাণী প্রকৃতি থেকে বিলুপ্ত হয়ে যাচ্ছে। পৃথিবীর তাপমাত্রা বৃদ্ধি পাচ্ছে। হিমবাহ গলে সমুদ্র পৃষ্ঠের উচ্চতা বাড়ছে। উপকূলীয় অঞ্চলে লবণাক্ততা বৃদ্ধির কারণে সুপেয় পানির তীব্র সংকট দেখা দিচ্ছে। কৃষি উৎপাদন হ্রাস পাচ্ছে। ঝড়, জলোচ্ছ্বাসও ঘূর্ণিঝড়ের তীব্রতা ও সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে। অসময়ে বন্যা ও বৃষ্টির কারণে বিলও হাওর অঞ্চলের ফসল বিনষ্ট হচ্ছে। নদীভাঙনের ফলে অনেক ফসলী জমি ও জনপদ ধ্বংস হচ্ছে। চিরপরিচিত বাড়ি-ঘর হারিয়ে হাজার হাজার মানুষ প্রতি বছর শহরের বস্তিতে আশ্রয় নিচ্ছে, যা স্বাধীনতার সোনালী স্বপ্ন বাস্তবায়নের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ নয় এবং আমাদের সংবিধান ও টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট অর্জনেরও পরিপন্থি। আমাদের পবিত্র সংবিধানের ১৮(ক) অনুচ্ছেদে স্পষ্টভাবে বলা আছে, রাষ্ট্র বর্তমান ও ভবিষ্যৎ নাগরিকদের জন্য পরিবেশ সংরক্ষণ ও উন্নয়ন করিবেন এবং প্রাকৃতিক সম্পদ, জীববৈচিত্র্য, জলাভূমি, বন ও বন্যপ্রাণীর সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা বিধান করিবেন। পরিবেশ সুরক্ষায় বড় বাধা হিসেবে রাজনৈতিক চাপ, প্রভাবশালীদের আইন অমান্য এবং দায়িত্বপ্রাপ্ত সরকারি সংস্থাগুলোর অদক্ষতা ও অব্যবস্থাপনাকেই দায়ী করেন পরিবেশ বিশেষজ্ঞরা। এসব বাধা অতিক্রম করে পরিবেশ সুরক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবেলা করে দেশের টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করাটাই বর্তমান সরকারের জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ এবং নির্বাচনী অঙ্গীকার। তাই যত কঠিনই হোক দেশ ও জাতির স্বার্থে আপামর জনসাধারণকে সঙ্গে নিয়ে উন্নয়নের সঙ্গে পরিবেশের সুরক্ষা সমন্বয় করেই এ চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করতে হবে। নিতাই চন্দ্র রায়: কলাম লেখক
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

উপরে