রোববার, ২৯ জানুয়ারি ২০২৩, ১৪ মাঘ ১৪২৯
সেমিনারে বক্তারা

অতিরিক্ত মোবাইল ব্যবহারে বাড়ে হৃদরোগের ঝুঁকি

ম যাযাদি রিপোট
  ৩১ অক্টোবর ২০২২, ০০:০০
র্ মোবাইল ফোনের অতিরিক্ত ব্যবহার হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ায়। অধিক সময় ফোন নিয়ে বসে থাকলে স্ট্রেস বাড়ে এবং এ থেকে বাড়তে পারে হৃদরোগের ঝুঁকি। রোববার বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিএসএমএমইউ) 'বিশ্ব স্ট্রোক দিবস' উপলক্ষে আয়োজিত এক সেমিনারে এসব কথা বলেন বক্তারা। সেমিনারে বক্তারা বলেন, রাজধানীর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্সসহ দেশের ১৫টি সরকারি মেডিকেল কলেজ ও বেশ কয়েকটি বেসরকারি হাসপাতালে স্ট্রোকের অপারেশনের ব্যবস্থা রয়েছে। বিএসএমএমইউ সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতালে ১০০টি বেডের অত্যাধুনিক স্ট্রোক ইউনিট চালু হলে দেশের রোগীদের আর বিদেশে যাওয়ার প্রয়োজন হবে না। সেমিনারে বিএসএমএমইউ উপাচার্য অধ্যাপক ডা. মো. শারফুদ্দিন আহমেদ বলেন, মোবাইল কম ব্যবহার করতে হবে। অধিক সময় ফোন নিয়ে বসে থাকলে বাড়তে পারে হৃদরোগের ঝুঁকি। তিনি আরও বলেন, দ্রম্নত সময়ে স্ট্রোকের রোগীদের হাসপাতালে নেওয়া সম্ভব হলে মৃতু্য ঠেকানোর পাশাপাশি বিকলাঙ্গ রোধ করা যাবে। এ রোগের চিকিৎসা করার চেয়ে প্রতিরোধ জরুরি। এজন্য সবাইকে সচেতন হতে হবে। উপাচার্য বলেন, সবাইকে রোগ প্রতিকারের চেয়ে প্রতিরোধের দিকে বেশি মনোযোগ দিতে হবে। এতে করে অর্থনৈতিক ক্ষতির হাত থেকে দেশকে রক্ষা করা যাবে। সেমিনারে বলা হয়, বিশ্বব্যাপী মানুষের মৃতু্যর দ্বিতীয় প্রধান কারণ স্ট্রোক। বিশ্বে মৃতের প্রতি চারজনের একজন স্ট্রোকে মারা যান। প্রতি মিনিটে ১০ জন স্ট্রোকের কারণে মৃতু্য হয়। বিশ্বের ১০০ জন স্ট্রোক আক্রান্ত রোগীর ৪৮ জনেরই উচ্চ রক্তচাপ ভুগেন এবং প্রতি হাজারে ৮ থেকে ১০ জন মানুষ স্ট্রোকে আক্রান্ত হচ্ছেন। এতে আরও বলা হয়, শিশুদের ক্ষেত্রে সারা বিশ্বে প্রতি লাখে ২ থেকে ১৩ জন শিশু স্ট্রোকে আক্রান্ত হয়। শিশুদের ক্ষেত্রে মস্তিষ্কে স্ট্রোকের অর্ধেক হয় রক্ত চলাচল বন্ধ হওয়ার কারণে, বাকি অর্ধেক হয় মস্তিষ্কের রক্ত নালি ছিঁড়ে রক্তক্ষরণের মাধ্যমে স্ট্রোক হয়। বছরে ১০ থেকে ২৫ ভাগ শিশু স্ট্রোকে মারা যায়। ২৫ ভাগ শিশু বারবার স্ট্রোকে আক্রান্ত হয়। স্ট্রোকে আক্রান্ত ৬৬ ভাগ শিশুদের হাত পায়ের দুর্বলতা, খিঁচুনি দেখা দিতে পারে। আক্রান্ত শিশুদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশে ব্যাঘাত ঘটে। এদিকে সেমিনারে স্ট্রোক প্রতিরোধে সাতটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপের কথা বলা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে খাবারে তেল ও লবণের ব্যবহার কমানো, ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখা, নিয়মিত শরীরচর্চা করা, ধূমপান ও অ্যালকোহল সেবন থেকে বিরত থাকা, ডায়াবেটিস ও উচ্চরক্তচাপ থাকলে নিয়ন্ত্রণে রাখা, রক্তে কোলেস্টেরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখা ও স্ট্রেস কমাতে নামাজ, উপাসনা বা মেডিটেশন করা। বিএসএমএমইউর নিউরোসার্জারি বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. আখলাক হোসেন খানের সভাপতিত্বে সেমিনারে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রোক্টর অধ্যাপক ডা. মো. হাবিবুর রহমান দুলাল, নিউরোলজি বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. আবু নাসার রিজভী, ইন্টারনাল মেডিসিন বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. সোহেল মাহমুদ আরাফাত, নিউরোসার্জারি বিভাগের অধ্যাপক ডা. ধীমান চৌধুরী, অধ্যাপক ডা. মওদুদুল হক, অধ্যাপক ডা. আইউব আনসারী, নিউরোলজি বিভাগের অধ্যাপক ডা. হাসান জাহিদুর রহমান প্রমুখ।র্ মোবাইল ফোনের অতিরিক্ত ব্যবহার হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ায়। অধিক সময় ফোন নিয়ে বসে থাকলে স্ট্রেস বাড়ে এবং এ থেকে বাড়তে পারে হৃদরোগের ঝুঁকি। রোববার বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিএসএমএমইউ) 'বিশ্ব স্ট্রোক দিবস' উপলক্ষে আয়োজিত এক সেমিনারে এসব কথা বলেন বক্তারা। সেমিনারে বক্তারা বলেন, রাজধানীর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্সসহ দেশের ১৫টি সরকারি মেডিকেল কলেজ ও বেশ কয়েকটি বেসরকারি হাসপাতালে স্ট্রোকের অপারেশনের ব্যবস্থা রয়েছে। বিএসএমএমইউ সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতালে ১০০টি বেডের অত্যাধুনিক স্ট্রোক ইউনিট চালু হলে দেশের রোগীদের আর বিদেশে যাওয়ার প্রয়োজন হবে না। সেমিনারে বিএসএমএমইউ উপাচার্য অধ্যাপক ডা. মো. শারফুদ্দিন আহমেদ বলেন, মোবাইল কম ব্যবহার করতে হবে। অধিক সময় ফোন নিয়ে বসে থাকলে বাড়তে পারে হৃদরোগের ঝুঁকি। তিনি আরও বলেন, দ্রম্নত সময়ে স্ট্রোকের রোগীদের হাসপাতালে নেওয়া সম্ভব হলে মৃতু্য ঠেকানোর পাশাপাশি বিকলাঙ্গ রোধ করা যাবে। এ রোগের চিকিৎসা করার চেয়ে প্রতিরোধ জরুরি। এজন্য সবাইকে সচেতন হতে হবে। উপাচার্য বলেন, সবাইকে রোগ প্রতিকারের চেয়ে প্রতিরোধের দিকে বেশি মনোযোগ দিতে হবে। এতে করে অর্থনৈতিক ক্ষতির হাত থেকে দেশকে রক্ষা করা যাবে। সেমিনারে বলা হয়, বিশ্বব্যাপী মানুষের মৃতু্যর দ্বিতীয় প্রধান কারণ স্ট্রোক। বিশ্বে মৃতের প্রতি চারজনের একজন স্ট্রোকে মারা যান। প্রতি মিনিটে ১০ জন স্ট্রোকের কারণে মৃতু্য হয়। বিশ্বের ১০০ জন স্ট্রোক আক্রান্ত রোগীর ৪৮ জনেরই উচ্চ রক্তচাপ ভুগেন এবং প্রতি হাজারে ৮ থেকে ১০ জন মানুষ স্ট্রোকে আক্রান্ত হচ্ছেন। এতে আরও বলা হয়, শিশুদের ক্ষেত্রে সারা বিশ্বে প্রতি লাখে ২ থেকে ১৩ জন শিশু স্ট্রোকে আক্রান্ত হয়। শিশুদের ক্ষেত্রে মস্তিষ্কে স্ট্রোকের অর্ধেক হয় রক্ত চলাচল বন্ধ হওয়ার কারণে, বাকি অর্ধেক হয় মস্তিষ্কের রক্ত নালি ছিঁড়ে রক্তক্ষরণের মাধ্যমে স্ট্রোক হয়। বছরে ১০ থেকে ২৫ ভাগ শিশু স্ট্রোকে মারা যায়। ২৫ ভাগ শিশু বারবার স্ট্রোকে আক্রান্ত হয়। স্ট্রোকে আক্রান্ত ৬৬ ভাগ শিশুদের হাত পায়ের দুর্বলতা, খিঁচুনি দেখা দিতে পারে। আক্রান্ত শিশুদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশে ব্যাঘাত ঘটে। এদিকে সেমিনারে স্ট্রোক প্রতিরোধে সাতটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপের কথা বলা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে খাবারে তেল ও লবণের ব্যবহার কমানো, ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখা, নিয়মিত শরীরচর্চা করা, ধূমপান ও অ্যালকোহল সেবন থেকে বিরত থাকা, ডায়াবেটিস ও উচ্চরক্তচাপ থাকলে নিয়ন্ত্রণে রাখা, রক্তে কোলেস্টেরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখা ও স্ট্রেস কমাতে নামাজ, উপাসনা বা মেডিটেশন করা। বিএসএমএমইউর নিউরোসার্জারি বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. আখলাক হোসেন খানের সভাপতিত্বে সেমিনারে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রোক্টর অধ্যাপক ডা. মো. হাবিবুর রহমান দুলাল, নিউরোলজি বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. আবু নাসার রিজভী, ইন্টারনাল মেডিসিন বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. সোহেল মাহমুদ আরাফাত, নিউরোসার্জারি বিভাগের অধ্যাপক ডা. ধীমান চৌধুরী, অধ্যাপক ডা. মওদুদুল হক, অধ্যাপক ডা. আইউব আনসারী, নিউরোলজি বিভাগের অধ্যাপক ডা. হাসান জাহিদুর রহমান প্রমুখ।
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

উপরে