রোববার, ২৯ জানুয়ারি ২০২৩, ১৪ মাঘ ১৪২৯
সোনালী ধান ঘরে তুলতে ব্যস্ত কৃষকরা

ভেড়ামারায় আমন ধানের বাম্পার ফলন

ভেড়ামারা (কুষ্টিয়া) প্রতিনিধি
  ২৮ নভেম্বর ২০২২, ১৪:৩৮

 কুষ্টিয়ার ভেড়ামারায় এবছর রোপা আমন ধানের বাম্পার ফলন হয়েছে। উৎপাদন খরচ বাদ দিয়ে কৃষকরা এবছর ধান চাষে লাভবান হচ্ছেন। তাই তারা মনের আনন্দে সোনালী ফসল ধান কাটা ও মাড়াই প্রায় শেষ করে সোনালী ধান ঘরে তুলতে ব্যস্ত সময় পার করছেন। তবে সরকারের কাছে তারা ধানের ন্যায্য মূল্য প্রত্যাশা করেছেন।

ভেড়ামারা উপজেলায় চলতি মৌসুমে ৬ হাজার ৫৩৫ হেক্টর জমিতে রোপা আমন ধানের চাষ হয়েছে। এবছর আবহাওয়া অনুকলে থাকায় ধানের ফলনও ভাল হয়েছে। এখন ধান কাটা-মাড়াই শেষে ঘরে তুলতে ব্যস্ত সময় পার করছেন কৃষক-কৃষানীরা। ধানের ফলন ভাল হওয়াতে কৃষকের মুখ ভরা মধুর হাসি লক্ষ্য করা গেছে। তবে জ্বালানীর মূল্য বৃদ্ধির ফলে এবছর উৎপাদন খরচ বেড়ে যাওয়ায় কৃষকদের বিঘা প্রতি খরচ হয়েছে ১১ হাজার থেকে ১৪ হাজার টাকা। আর বিঘা প্রতি ধান উৎপাদন হচ্ছে ২০ থেকে ২৪ মন। ১৩শ’ টকা মন হিসেবে ধান বিক্রয় করে কৃষকের অর্জিত হচ্ছে উৎপাদন খরচের দ্বিগুন। কৃষি নির্ভর বাংলাদেশে কৃষকরাই প্রাণশক্তি। যারা মাথার ঘাম পায়ে ফেলে তাদের পরিশ্রমের উৎপাদিত ফসল সোনালী ধানের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করা হয় এমন দাবি সংশ্লিষ্ট সকলের।

কৃষক হাবিব জানান, এ বছর সে ৫বিঘা জমিতে আমন ধানের চাষ করেছিল। আবাহাওয়া অনুকুলে থাকায় ধানের ফলন বিঘাপ্রতি গড়ে ২২ মন হারে হয়েছে। তবে অন্যান্য বছরের তুলনায় এবছর উৎপাদন খরচ বেড়েছে। তারপরও সে লাভবান হবেন বলে জানিয়েছেন। কৃষক হাসান হোসেন। তারও বিঘা প্রতি আমন ধান চাষে খরচ হয়েছে গড়ে ১২ হাজার টাকা করে। তবে ধানের ফলন ভাল হওয়ায় পুসিয়ে যাচ্ছে তার বলে জানান তিনি।

ভেড়ামারা উপজেলার কৃষি অফিসার শায়খুল ইসলাম বলেন, ভেড়ামারা উপজেলায় চলতি মৌসুমে ৬ হাজার ৫৩৫ হেক্টর জমিতে রোপা আমন ধানের চাষ হয়েছে। কৃষি বিভাগের পরামর্শ ও আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহারে এবছর ধানের ফলন ভাল হয়েছে এবং উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রাও ছাড়িয়েছে। 

যাযাদি/সাইফুল
 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

উপরে