বঙ্গবন্ধু ও বাঙালির স্বাধীনতা সংগ্রাম

বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে মুজিবের মুক্তির বিষয়টিকে কেন্দ্র করে ভারতবর্ষে যে অভিঘাত তৈরি করেছিল, তা সুদূরপ্রসারী ছিল। মুজিবের বিচার ও মুক্তির দাবিতে বেসরকারি স্তরে যে প্রতিক্রিয়া দেখা দেয় তাতে রাজনৈতিক দল থেকে শুরু করে বুদ্ধিজীবী, আইনজ্ঞ, বিভিন্ন সংগঠন এক কথায় সাধারণ মানুষ সোচ্চার হয়েছিল। বিভিন্ন শ্রমিক সংগঠন এবং আইনজীবীদের সংস্থা, মহিলা সমিতি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছিল। সংবাদপত্রে নিয়মিত এই জাতীয় সংবাদ পরিবেশন এবং বিভিন্ন সম্পাদকীয় নিবন্ধ প্রকাশের মধ্য দিয়ে ভারতবর্ষের মধ্যে গণসচেতনতা গড়ে তোলার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছিল।
বঙ্গবন্ধু ও বাঙালির স্বাধীনতা সংগ্রাম

১৯৭১ সালের ঘটনাবহুল মার্চের ২৫ তারিখে ভয়াবহ সংকট আর নানা রকম উত্তেজনার মধ্যে হয়তো কারাবরণ করাই মুজিব যুক্তিযুক্ত মনে করেছিলেন। তবে মওদুদ আহমদের ভাষা অনুযায়ী শেখ মুজিব পাকবাহিনীর হেফাজতে নিজেকে নিরাপদ ভেবেছিলেন কিনা তা প্রশ্নাতীত নয়। জে. এন. দিক্ষিত তার গ্রন্থে এক জায়গায় পাকিস্তানি কারাগারে শেখ মুজিবুরের জীবনের যে সম্ভাব্য পরিণাম- তাকে 'মৃতু্যদন্ড প্রায় কার্যকর' হিসেবেই বর্ণনা করেছেন। বঙ্গবন্ধুর গ্রেপ্তারের পর তাকে বিমানযোগে পশ্চিম পাকিস্তানে কারাগারে অন্তরীণ রাখা এবং কারাবাস জীবন তার কোনো নতুন ঘটনা নয়। ছাত্রাবস্থা থেকে জীবনের একটা বড় অংশ কাটিয়েছেন কারাগারে। কিন্তু এবারের কারাবাস ছিল সম্পূর্ণ ভিন্ন ধরনের, সমগ্র জাতিকে মুক্তি সংগ্রামের দ্বারপ্রান্তে এনে স্বাধীনতার ঘোষণাও দিয়েছেন। আর সে মুহূর্তে সমগ্রজাতি থেকে তাকে বিচ্ছিন্ন করে দেওয়া হয়। গ্রেপ্তারের পর থেকে শেখ মুজিবকে কখন হত্যা করা হবে- এ নিয়ে ইয়াহিয়া তার জেনারেলদের সঙ্গে আলাপ-আলোচনা শুরু করেন। মুজিবকে গ্রেপ্তারের পর ২৬ মার্চ রাতে ইয়াহিয়া খান এক আলাপচারিতায় উলেস্নখ করেন শেখ মুজিবুরের মৃতু্য অবধারিত। তবে অবিবেচকের মতো বিচারবহির্ভূত হত্যার মাধ্যমে শেখ মুজিবুর রহমানের প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে মানবতাবিরোধী বর্বরোচিত এক ঘৃণ্য ইতিহাস রচনার কুমতলব সর্বক্ষণ ইয়াহিয়া খানকে তাড়িয়ে বেড়াতো। এহেন পাশবিক তাড়না থেকে ইয়াহিয়া বঙ্গবন্ধুকে জীবননাশের ঘোষণা প্রদান করে থাকে।

ইয়াহিয়ার এ ঘোষণা বহুমাত্রিক প্রতিক্রিয়া তৈরি করে। বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ, ভারত, জাতিসংঘসহ আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় এটাকে অপ্রত্যাশিত উদ্বেগজনক উদ্যোগ হিসেবে গ্রহণ করে। তথাপি ইয়াহিয়া ১৯৭১ সালের আগস্ট মাসে পাকিস্তান টেলিভিশনকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগের নেতা শেখ মুজিবুর রহমানের বিচারের উলেস্নখ করে বলেন যে, পাকিস্তানের আইন অনুযায়ী পাকিস্তানের নাগরিক হিসেবে তার বিচার করা হবে। ৬ আগস্ট ১৯৭১ পাকিস্তান কর্তৃক প্রকাশিত শ্বেতপত্রেও আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে স্বাধীনতা লাভের ষড়যন্ত্রের অভিযোগ আনা হয়, পাকিস্তানি সামরিক সরকারের মনগড়া অযৌক্তিক অভিযোগের কারণে এটা স্পষ্ট হয়ে যায় যে, বিচারের নামে বঙ্গবন্ধুর ফাঁসির আয়োজন চলছে। ১৬ আগস্ট বিচার শুরু হবে। বঙ্গবন্ধু বিচার ও মুক্তি প্রসঙ্গে বিভিন্ন নির্ণায়ককে বিবেচনায় এনে এ লেখাটির বিশ্লেষণ ও পর্যালোচনা করা হয়েছে। যেমন বঙ্গবন্ধুর বিচার ও মুক্তি বিষয়ে জাতীয়-আন্তর্জাতিক নেতৃবৃন্দের ভূমিকা কী ছিল- তার বিশ্লেষণাত্মক বিবরণ প্রদান করা হয়েছে। এছাড়া বঙ্গবন্ধুর বিচার ও মুক্তি বিষয়টি যে ইতিহাসের অংশ তার অকাট্য প্রমাণ হিসেবে যৌক্তিকতাকে বিবেচনায় আনা হয়েছে। অধিকন্তু এ লেখায় পাকিস্তান কারাগারে বঙ্গবন্ধুর বিচার নিছক প্রহসন হিসেবে ব্যাখ্যা বিশ্লেষণ করা হয়েছে। সর্বোপরি বঙ্গবন্ধুর বিচার ও মুক্তির ইসু্যতে বহুমাত্রিকতা সংযোজনপূর্বক ভারতের প্রতিক্রিয়া ও ভূমিকাকে প্রাধান্য দেয়া হয়েছে।

অবশ্য গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের অস্থায়ী সভাপতি সৈয়দ নজরুল ইসলাম বিশ্বসমাজ ও রাষ্ট্রসংঘের সেক্রেটারি জেনারেলের কাছে প্রেরিত এক তার বার্তায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও তার পরিবারবর্গের মুক্তির ব্যাপারে হস্তক্ষেপ করার আবেদন জানিয়েছিল। একই ধরনের আবেদন জানিয়ে মার্কিন ও সোভিয়েত রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট এবং ব্রিটেন, চীন, ভারত, কানাডা ও অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রীদের কাছেও তার বার্তা পাঠানো হয়েছিল। সুপ্রিম কোর্টের প্রবীণ অ্যাডভোকেট এবং বিশিষ্ট সংবিধানবিদ সুব্রত রায় চৌধুরী এক বিবৃতিতে জানিয়েছেন- 'প্রেসিডেন্ট ইয়াহিয়া খান শেখ মুজিবুর রহমানের এক সামরিক আদালতে গোপনে বিচার করা হবে বলে জানিয়েছেন কিন্তু ইয়াহিয়ার এ ঘোষণা সম্পূর্ণ অবৈধ এবং আন্তর্জাতিক আইনের রীতিনীতির বিরোধী। ১৯৪১ সালে সম্পাদিত জেনেভা চুক্তিতে পাকিস্তান অন্যতম স্বাক্ষরকারী। এরূপ বিচার জেনেভা চুক্তির ৩নং ধারা লঙ্ঘন করছে। সশস্ত্র বাহিনীর যে সব ব্যক্তি অস্ত্র সমর্পণ করেছেন এরূপ লোকসহ যারা শত্রম্নতামূলক কাজে সক্রিয়ভাবে কোনো অংশ নেননি এমন সব ব্যক্তি রক্ষার জন্য ৩নং ধারায় বিধান রয়েছে। শেখ মুজিব এ ৩নং ধারায় আশ্রয় নেওয়ার যোগ্য।'

বাংলাদেশে লিগ অব আমেরিকা এক পত্রে শেখ মুজিবুর রহমানকে মুক্ত করার জন্য অবিলম্বে রাষ্ট্রপুঞ্জের সেক্রেটারি জেনারেল উ থান্টের হস্তক্ষেপ দাবি করে। এ আবেদন পত্রে ইয়াহিয়ার বক্তব্য তুলে ধরে বলা হয়েছে। শেখ মুজিবুর রহমানের মানবিক অধিকার এত খর্ব করা হচ্ছে। বর্তমানে তার প্রাণ সংশয় দেখা দিয়েছে। বাংলাদেশ অ্যাকশন কমিটির কনভেনার এস কে দে বলেন, পশ্চিম পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী কর্তৃক শেখ মুজিবুর রহমানের যে কোনো ধরনের গোপন বিচার কিংবা মৃতু্যদন্ড প্রদান হবে আইনের শাসন ও মানবাধিকারের পরিপন্থি এবং তা নতুন অগ্নিকান্ডের জন্ম দেবে। এ পরিপ্রেক্ষিতে মুজিবের জীবন রক্ষায় জাতিসংঘের মহাসচিব উ থান্টের ব্যক্তিগত হস্তক্ষেপ কামনা করা হয়।

শেখ মুজিবুরের বিচারের জন্য ভারতের কমিউনিস্ট পার্টি (মা.)-র কেন্দ্রীয় কমিটি পাকিস্তানের সামরিক চক্রের তীব্র নিন্দা করছে। ইয়াহিয়া খানের নেতৃত্বে সামরিক জান্তা নজিরবিহীন গণহত্যা সংঘটিত করেছে। কিন্তু জনগণের প্রতিরোধ অব্যাহত আছে। যিনি পাকিস্তানের ভোটে নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতাসীন হওয়ার জন্য নির্বাচিত হয়েছিলেন, এখন সেই নেতার মৃতু্যদন্ড দেওয়ার প্রচেষ্টা শুরু হয়েছে। বিশ্বের গণতান্ত্রিক ও মুক্তিকামী জনগণ এবং সরকারগুলোর প্রতি কেন্দ্রীয় কমিটি এই বিচার প্রহসনের প্রতিবাদ করার জন্য আহ্বান জানাচ্ছে। আহ্বান জানাচ্ছে কালবিলম্ব না করে শেখ মুজিবুর রহমানকে মুক্তি দিতে পাকিস্তানের সামরিক কর্তৃপক্ষকে বাধ্য করতে। শেখ মুজিবুর রহমানের বিচার প্রক্রিয়ার নিন্দা করে 'উত্তর ভারতের বেনারসে জয়প্রকাশ নারায়ণের নেতৃত্বাধীন গান্ধীয়ান ইনস্টিটিউট অব স্টাডিজ-এর যুগ্ম পরিচালক সুগত দাসগুপ্তের নেতৃত্বে বুদ্ধিজীবী ও অন্যদের প্রায় এক মাইল দীর্ঘ এক প্রতিবাদ মিছিল বের হয়। বেনারস হিন্দু ইউনিভার্সিটিরও অনেকে এতে অংশ নেয়।'

জামশেদপুরে এক জনসভায় বিশ্বশান্তি সংসদের ইতালির কমিউনিস্ট নেতা ও সংসদ সদস্য শ্রী আন্তোনীলো ট্রম্বোদরী এবং লেবাননের জননেতা মহম্মদ টোবেবা তাদের ভাষণে অবিলম্বে বাংলাদেশ সমস্যার রাজনীতিক সমাধানের দাবি করেন। স্থানীয় সাকচি বেঙ্গল ক্লাবে জনসেবাটি বাংলাদেশ সংহতি কমিটির উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হয়। সভাপতিত্ব করেন স্থানীয় কমিউনিস্ট ও শ্রমিক নেতা শ্রী বারীন দে। শ্রী ট্রম্বোদরি বলেন, যদি ইয়াহিয়া খান ইতিহাস থেকে শিক্ষাগ্রহণ না করেন তবে তার মুসোলিনীর অবস্থায়ই হবে। তিনি দাবি করেন, অবিলম্বেই শেখ মুজিবুর রহমানের মুক্তি দিয়ে জাতীয় পরিষদের নির্বাচিত সদস্যের হাতে রাজনৈতিক ক্ষমতা অর্পণ করতে হবে। বাংলাদেশ মুক্তি সংগ্রামকে সহায়তা করার জন্য তিনি ভারত সরকারের প্রশংসা করেন। মহম্মদ টোবেবা সভায় ঘোষণা করেন যে, শেখ মুজিবুর রহমানকে হত্যা করার চক্রান্তকে ব্যর্থ করার জন্য তারা বিশ্বেও জনমতকে জাগ্রত করবেন। তিনি মুক্তি সংগ্রামকে সফল করার জন্য যুক্তফ্রন্ট গঠনের ওপর বিশেষ জোড় দেন।

বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে মুজিবের মুক্তির বিষয়টিকে কেন্দ্র করে ভারতবর্ষে যে অভিঘাত তৈরি করেছিল, তা সুদূরপ্রসারী ছিল। মুজিবের বিচার ও মুক্তির দাবিতে বেসরকারি স্তরে যে প্রতিক্রিয়া দেখা দেয় তাতে রাজনৈতিক দল থেকে শুরু করে বুদ্ধিজীবী, আইনজ্ঞ, বিভিন্ন সংগঠন এক কথায় সাধারণ মানুষ সোচ্চার হয়েছিল। বিভিন্ন শ্রমিক সংগঠন এবং আইনজীবীদের সংস্থা, মহিলা সমিতি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছিল। সংবাদপত্রে নিয়মিত এই জাতীয় সংবাদ পরিবেশন এবং বিভিন্ন সম্পাদকীয় নিবন্ধ প্রকাশের মধ্য দিয়ে ভারতবর্ষের মধ্যে গণসচেতনতা গড়ে তোলার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছিল।

অর্থাৎ এককথায় বিচার ও মুক্তির বিষয়ে ভারতবর্ষের জনমত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছিল। অর্থাৎ এককথায় বিচার ও মুক্তির বিষয়ে ভারতবর্ষের জনমত মুজিবের অনুকূলে নির্ণায়ক শক্তি না হলেও প্রভাবশালী শক্তি হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছিল। প্রকারন্তরে ভারতবর্ষের জনমতের এই প্রতিফলন প্রত্যক্ষভাবে এই ইসু্যতে লোকসভা এবং রাজ্যসভায় যে বিতর্ক ও আলোচনা হয়েছিল তা দেশের প্রতিনিধিত্বকালীন রাজনৈতিক দলগুলোর সাংসদদের প্রভাবিত করেছিল। তার ফলশ্রম্নতি হিসেবে সংসদীয় আলোচনার মধ্যে সরকারকে এ বিষয়ে যথাযথ নীতি নির্ধারণের ক্ষেত্রে চাপ সৃষ্টি করতে পেরেছিল। একদিকে জনগণের মতামতের প্রতিফলন, অন্যদিকে সাংসদদের মুজিবের পক্ষে অনুকূলে মনোভাব ভারতবর্ষের সরকারকে এ বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে সাহায্য করেছিল। যার ফলে জাতিসংঘসহ বিশ্বের প্রভাবশালী দেশগুলোর কাছে একদিকে যেমন পররাষ্ট্রনীতি অন্যদিকে প্রধানমন্ত্রী শেখ মুজিবের জীবনরক্ষার জন্য পাকিস্তানের ওপর কূটনৈতিক চাপ প্রয়োগের আবেদন জানিয়ে পত্র লিখেছিলেন। এদিক থেকে দেখলে শেখ মুজিবের বিচার ও মুক্তি বিষয়ে ভারত তার নিজ দেশের জনমত এবং বিশ্ব জনমতকেও কাজে লাগিয়েছেন। বিশ্ব জনমত সৃষ্টিতে ভারতের ভূমিকা ছিল অপরিসীম।

১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল মেহেরপুর জেলার বৈদ্যনাথতলায় মুজিবনগর সরকারের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান হয়। এ সরকারের অস্থায়ী প্রেসিডেন্ট ছিলেন সৈয়দ নজরুল ইসলাম। বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনা ও বঙ্গবন্ধুর মুক্তির লক্ষ্যে এ সরকার এক তাৎপর্যপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। এ সরকারকে প্রত্যক্ষভাবে সহযোগিতা করে থাকে ভারত সরকার এবং ভারতের কলকাতায় তার অস্থায়ী কার্যালয় স্থাপিত হয়। বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ সরকারের পক্ষে এবং বঙ্গবন্ধুর মুক্তির বিষয়ে এ প্রবাসী সরকার বিশ্ব নেতারা ও সরকারের সঙ্গে বিভিন্ন কূটনৈতিক, দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক স্থাপন ও যোগাযোগের মাধ্যমে এক শক্তিশালী আন্তর্জাতিক সমর্থনের পথ প্রশস্ততর করতে সমর্থ হয়েছিলেন। এক্ষেত্রে প্রবাসী সরকারের পক্ষে প্রধান সমন্বয়কারী ভূমিকায় যে মানুষটি কাজ করেছেন তিনি হচ্ছেন তাজউদ্দীন আহমদ। তাজউদ্দীন ছিলেন বুদ্ধিদীপ্ত ও ঠান্ডা প্রকৃতির মানুষ। বিভিন্ন কলাকৌশলের মাধ্যমে বিভিন্ন দেশের নেতাদের মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে সমর্থন আদায় এবং শেখ মুজিবের পাকিস্তান থেকে মুক্তির বিষয়ে জোর লবিং ও প্রভাব বলয় তৈরি করে শেষ পর্যন্ত বঙ্গবন্ধুকে মুক্তির জন্য পাকিস্তান সরকারকে বাধ্য করে এবং বঙ্গবন্ধু মুক্ত হয়ে স্বাধীন বাংলাদেশে পা রাখে। আমরা তাই ভারতসহ বিশ্ব নেতৃবৃন্দের কাছে অপরিসীম শ্রদ্ধা, ভালোবাসা আর কৃতজ্ঞতায় মাথা কুর্নিশ করি।

ড. ফোরকান উদ্দিন আহাম্মদ : সাবেক উপ-মহাপরিচালক, বাংলাদেশ আনসার ও ভিডিপি কলামিস্ট ও গবেষক

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত

আরও খবর

সকল ফিচার

ক্যাম্পাস
তারার মেলা
সাহিত্য
সুস্বাস্থ্য
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
জেজেডি ফ্রেন্ডস ফোরাম
নন্দিনী
আইন ও বিচার
হাট্টি মা টিম টিম
কৃষি ও সম্ভাবনা
রঙ বেরঙ

Copyright JaiJaiDin ©2022

Design and developed by Orangebd


উপরে