১৭৫ ডিএজি-এএজি নিয়োগের বৈধতা চ্যালেঞ্জ

রিট শুনানিতে বিব্রত হাইকোর্ট

রিট শুনানিতে বিব্রত হাইকোর্ট

দেশে ২০১৮ সালে নিয়োগ দেওয়া ১৭৫ জন আইন কর্মকর্তার (ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ও সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল) নিয়োগের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে করা রিটের শুনানিতে বিব্রত হয়েছেন হাইকোর্ট।

মঙ্গলবার রিট শুনানিতে বিচারপতি ফারাহ মাহাবুব ও বিচারপতি এসএম মনিরুজ্জামানের সমন্বয়ে গঠিত ভার্চুয়াল বেঞ্চ বিব্রত হন। এখন নিয়ম অনুযায়ী রিটের বিষয়টি প্রধান বিচারপতির কাছে যাবে। তিনি একটি বেঞ্চ নির্ধারণ করে দিলে সেই বেঞ্চে রিট শুনানির জন্য উপস্থাপন করা হবে।

আদালতে মঙ্গলবার রিটের পক্ষে শুনানি করেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী অ্যাডভোকেট ফরহাদ উদ্দিন আহমেদ ভূঁইয়া। তিনি জানান, এর আগে ২০১৯ সালের ১২ নভেম্বর দুই ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল (ডিএজি) হারুনুর রশীদ ও কামালউদ্দীন আহমেদ এবং এক সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল (এএজি) আল মামুন কোন কর্তৃত্ব বলে পদে আছেন, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছিলেন হাইকোর্ট। আইন সচিব, আইন মন্ত্রণালয়ের সলিসিটর, বার কাউন্সিল সচিব ও সংশ্লিষ্ট তিন ডিএজি ও এএজিকে এ রুলের জবাব দিতে বলা হয়।

এছাড়া আরও ছয় এএজির বিষয়ে যাচাই করে চার সপ্তাহের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে বার কাউন্সিল সচিবকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কিন্তু ওই রুলের জবাব দাখিল না করায় এবং বার কাউন্সিল থেকে কোনো ধরনের পদক্ষেপ না পেয়ে রুল শুনানির উদ্যোগ নেই। গতকাল সেই রুলের শুনানিতে বিব্রতবোধ করেছেন আদালত।

২০১৯ সালের ১২ নভেম্বর এক রিটের

প্রাথমিক শুনানি শেষে বিচারপতি মইনুল ইসলাম চৌধুরী ও বিচারপতি খোন্দকার দিলীরুজ্জামানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের দ্বৈত বেঞ্চ এ আদেশ দেন। ওই বছরের ৮ সেপ্টেম্বর ১৭৫ জন আইন কর্মকর্তার নিয়োগের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে রিট আবেদন করেন অ্যাডভোকেট ফরহাদ উদ্দিন আহমেদ ভূঁইয়া।

আইনে নির্ধারিত পেশাগত অভিজ্ঞতার শর্ত পূরণ না করে ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ও সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেলের নিয়োগ দেওয়ায় রিট করেন আইনজীবী ফরহাদ উদ্দিন আহমেদ ভূঁইয়া। রিটে আইন কর্মকর্তা নিয়োগে স্থায়ী প্রসিকিউশন সার্ভিস করার নির্দেশনা চাওয়া হয়।

রিটের বিষয়ে আইনজীবী ফরহাদ উদ্দিন জানান, রিটে বলা হয়, বাংলাদেশ ল' অফিসার অর্ডার-১৯৭২ এর ৩(৩) নম্বর আর্টিকেলের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। এই আর্টিকেল অনুযায়ী এএজি নিয়োগ পেতে হলে সুপ্রিম কোর্টে পাঁচ বছর আইনজীবী হিসেবে পেশায় থাকতে হবে। কিন্তু নিয়োগে আইনের এই শর্ত মানা হয়নি।

রিটে ১৫ জনকে বিবাদী করা হয়েছে। এছাড়া রিটে মোট ৭০ জন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল (ডিএজি) ও ১০৫ জন সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেলের (এএজি) নিয়োগ চ্যালেঞ্জ করা হয়েছে।

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত

আরও খবর

Copyright JaiJaiDin ©2021

Design and developed by Orangebd


উপরে