মডেল মৌ ও পিয়াসা রিমান্ডে

মডেল মৌ ও পিয়াসা রিমান্ডে
ফারিয়া মাহবুব পিয়াসা মরিয়ম আক্তার মৌ

র্ বিপুল পরিমাণ মাদকসহ রাজধানীর বারিধারা ও মোহাম্মদপুর থেকে গ্রেপ্তার মডেল ফারিয়া মাহবুব পিয়াসা ও মরিয়ম আক্তার মৌয়ের তিন দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। সোমবার শুনানি শেষে ঢাকা মহানগর হাকিম শহিদুল ইসলামের আদালত মডেল পিয়াসার তিন দিন এবং ঢাকা মহানগর হাকিম আশেক ইমামের আদালত মৌয়ের তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। এর আগে তাদের ঢাকা মহানগর হাকিম আদালতে হাজির করে পুলিশ। এরপর গুলশান থানার মাদক মামলায় পিয়াসাকে \হদশ দিন ও মোহাম্মদপুর থানার মাদক মামলায় মৌকে দশ দিনের রিমান্ডে নিতে আবেদন করে পুলিশ। রোববার রাত ১০টার দিকে প্রথমে রাজধানীর বারিধারায় মডেল পিয়াসার বাসায় অভিযান চালিয়ে রাত পৌনে ১২টার দিকে তাকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডিবি কার্যালয়ে নেওয়া হয়। পরে পিয়াসার দেওয়া তথ্যে রাজধানীর মোহাম্মদপুরের বাবর রোডে অভিযান চালিয়ে রাত ১টার দিকে আরেক মডেল মরিয়ম আক্তার মৌকে আটক করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তাকেও ডিবি কার্যালয়ে নেওয়া হয় বলে জানায় পুলিশ। দুই মডেলকে আটকের পর মোহাম্মদপুরের বাবর রোডে মডেল মৌয়ের বাসার নিচে সাংবাদিকদের ঢাকা মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা (উত্তর) শাখার যুগ্ম কমিশনার হারুন-অর-রশীদ বলেছিলেন, 'তারা দুইজন একটি সংঘবদ্ধ চক্রের সদস্য। তাদের বিরুদ্ধে আমরা অনেক বস্ন্যাকমেইলের অভিযোগ পেয়েছি। সেসব ঘটনা তদন্ত করতে গিয়ে তাদের বাসায় অভিযান চালানো হয়। দুইজনের বাসায় বিদেশি মদ, ইয়াবা, সিসা পাওয়া যায়। মৌয়ের বাড়িতে মদের বারও ছিল।' ডিবির এই কর্মকর্তা আরও বলেন, 'আটক দুই মডেল হচ্ছেন রাতের রানি। তারা দিনের বেলায় ঘুমাতেন এবং রাতে এসব কর্মকান্ড করতেন। উচ্চবিত্ত পরিবারের সন্তানদের পার্টির নামে বাসায় ডেকে আনতেন তারা। বাসায় আসলে তারা তাদের সঙ্গে আপত্তিকর ছবি তুলতেন এবং ভিডিও করে রাখতেন। পরবর্তীতে সেসব ভিডিও এবং ছবি ভিকটিমদের পরিবারকে পাঠানোর হুমকি দিয়ে বস্ন্যাকমেইল করতেন এবং মোটা অঙ্কের অর্থ হাতিয়ে নিতেন।' প্রসঙ্গত, ২০১৭ সালের মে মাসে বনানীর রেইনট্রি হোটেলে দুই বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রী ধর্ষণের শিকার হয়েছিলেন। ওই ঘটনায় দায়ের হওয়া মামলার এজাহারে নাম ছিল ফারিয়া মাহাবুব পিয়াসার। প্রথমে মামলা করতে ভুক্তভোগীদের সহযোগিতা করেছিলেন পিয়াসা। কিন্তু সেই পিয়াসার বিরুদ্ধেই আবার মামলা তুলে নেওয়ার হুমকির অভিযোগে জিডি করেছিলেন ভুক্তভোগী।র্ বিপুল পরিমাণ মাদকসহ রাজধানীর বারিধারা ও মোহাম্মদপুর থেকে গ্রেপ্তার মডেল ফারিয়া মাহবুব পিয়াসা ও মরিয়ম আক্তার মৌয়ের তিন দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। সোমবার শুনানি শেষে ঢাকা মহানগর হাকিম শহিদুল ইসলামের আদালত মডেল পিয়াসার তিন দিন এবং ঢাকা মহানগর হাকিম আশেক ইমামের আদালত মৌয়ের তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। এর আগে তাদের ঢাকা মহানগর হাকিম আদালতে হাজির করে পুলিশ। এরপর গুলশান থানার মাদক মামলায় পিয়াসাকে \হদশ দিন ও মোহাম্মদপুর থানার মাদক মামলায় মৌকে দশ দিনের রিমান্ডে নিতে আবেদন করে পুলিশ। রোববার রাত ১০টার দিকে প্রথমে রাজধানীর বারিধারায় মডেল পিয়াসার বাসায় অভিযান চালিয়ে রাত পৌনে ১২টার দিকে তাকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডিবি কার্যালয়ে নেওয়া হয়। পরে পিয়াসার দেওয়া তথ্যে রাজধানীর মোহাম্মদপুরের বাবর রোডে অভিযান চালিয়ে রাত ১টার দিকে আরেক মডেল মরিয়ম আক্তার মৌকে আটক করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তাকেও ডিবি কার্যালয়ে নেওয়া হয় বলে জানায় পুলিশ। দুই মডেলকে আটকের পর মোহাম্মদপুরের বাবর রোডে মডেল মৌয়ের বাসার নিচে সাংবাদিকদের ঢাকা মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা (উত্তর) শাখার যুগ্ম কমিশনার হারুন-অর-রশীদ বলেছিলেন, 'তারা দুইজন একটি সংঘবদ্ধ চক্রের সদস্য। তাদের বিরুদ্ধে আমরা অনেক বস্ন্যাকমেইলের অভিযোগ পেয়েছি। সেসব ঘটনা তদন্ত করতে গিয়ে তাদের বাসায় অভিযান চালানো হয়। দুইজনের বাসায় বিদেশি মদ, ইয়াবা, সিসা পাওয়া যায়। মৌয়ের বাড়িতে মদের বারও ছিল।' ডিবির এই কর্মকর্তা আরও বলেন, 'আটক দুই মডেল হচ্ছেন রাতের রানি। তারা দিনের বেলায় ঘুমাতেন এবং রাতে এসব কর্মকান্ড করতেন। উচ্চবিত্ত পরিবারের সন্তানদের পার্টির নামে বাসায় ডেকে আনতেন তারা। বাসায় আসলে তারা তাদের সঙ্গে আপত্তিকর ছবি তুলতেন এবং ভিডিও করে রাখতেন। পরবর্তীতে সেসব ভিডিও এবং ছবি ভিকটিমদের পরিবারকে পাঠানোর হুমকি দিয়ে বস্ন্যাকমেইল করতেন এবং মোটা অঙ্কের অর্থ হাতিয়ে নিতেন।' প্রসঙ্গত, ২০১৭ সালের মে মাসে বনানীর রেইনট্রি হোটেলে দুই বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রী ধর্ষণের শিকার হয়েছিলেন। ওই ঘটনায় দায়ের হওয়া মামলার এজাহারে নাম ছিল ফারিয়া মাহাবুব পিয়াসার। প্রথমে মামলা করতে ভুক্তভোগীদের সহযোগিতা করেছিলেন পিয়াসা। কিন্তু সেই পিয়াসার বিরুদ্ধেই আবার মামলা তুলে নেওয়ার হুমকির অভিযোগে জিডি করেছিলেন ভুক্তভোগী।

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত

আরও খবর

Copyright JaiJaiDin ©2021

Design and developed by Orangebd


উপরে