বুধবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৪, ৪ বৈশাখ ১৪৩১
ফেব্রম্নয়ারি থেকেই কার্যকর

বিদু্যতের দাম খুচরায় বাড়ছে সাড়ে ৮, পাইকারিতে ৫%

যাযাদি ডেস্ক
  ০১ মার্চ ২০২৪, ০০:০০

বিদু্যতের দাম খুচরা পর্যায়ে ৮ দশমিক ৫০ শতাংশ ও পাইকারি পর্যায়ে ৫ দশমিক ৭৪ শতাংশ বাড়ছে। বর্ধিত দাম ফেব্রম্নয়ারি মাস থেকেই কার্যকর হবে, অর্থাৎ মার্চ মাস থেকেই গ্রাহকদের বাড়তি বিল দিতে হবে। তবে সেটি খুব অল্প পরিমাণ, কম বিদু্যৎ ব্যবহারকারীদের কম আর বেশি বিদু্যৎ ব্যবহারকারীদের বেশি দাম দিতে হবে বলে জানিয়েছেন বিদু্যৎ জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ। বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে সাংবাদিকদের এ কথা জানান তিনি।

এর আগে গত মঙ্গলবার এক সংবাদ সম্মেলনে মার্চ থেকেই বিদু্যতের দাম বাড়ানোর কথা জানিয়েছিলেন প্রতিমন্ত্রী। বৃহস্পতিবার নসরুল হামিদ সাংবাদিকদের বলেন, গ্রাহক পর্যায়ে বিদু্যতের দাম ৩৪ পয়সা থেকে সর্বোচ্চ ৭০ পয়সা হারে বাড়বে। বিদু্যতের নতুন দর ফেব্রম্নয়ারি থেকেই কার্যকর হবে।

বর্তমানে ভর্তুকিমূল্যে

বিদু্যৎ বিক্রি করা হয় জানিয়ে তিনি আরও বলেন, 'এখন বিদু্যতের গড় উৎপাদন খরচ পড়ছে প্রতি ইউনিট ১২ টাকার মতো। আর বিক্রি করা হচ্ছে গড়ে ৭ টাকায়। চলতি বছর বিদু্যতে ৪৩ হাজার কোটি টাকা ভর্তুকি দিতে হবে। ধীরে ধীরে কয়েক বছর ধরে সমন্বয় করা হবে। কম ব্যবহারকারী গ্রাহকের বিদু্যতের দাম কম বাড়বে, আর ওপরের দিকে বেশি বাড়বে।'

বিদু্যতের দাম বাড়ানো হচ্ছে না, সমন্বয় করা হচ্ছে উলেস্নখ করে নসরুল হামিদ বলেন, 'উৎপাদন খরচের তুলনায় কম দামে বিক্রি করায় লোকসান হচ্ছে, সে কারণে কিছুটা সমন্বয় করা হচ্ছে। আমরা তো খরচ তুলতে চাইছি, খুবই সামান্য পরিমাণে দাম বাড়বে। লাইফলাইন গ্রাহকের (৭৫ ইউনিট পর্যন্ত ব্যবহারকারী) মাসের বিল ২০ টাকার মতো বাড়তে পারে।'

প্রতিমন্ত্রী বলেন, 'সবচেয়ে

বেশি সমস্যা হয়েছে ডলারের দর বেড়ে যাওয়ায়। তেল-গ্যাস ও কয়লার আন্তর্জাতিক বাজারদর ক্ষেত্র বিশেষে একই থাকলেও আগের চেয়ে ডলার প্রতি ৪০ টাকার বেশি খরচ হচ্ছে। এখানেই বিশাল গ্যাপ তৈরি হয়েছে। ডলারের সঙ্গে সমন্বয় করার জন্য কাজ করছি।'

তেলের দামের বিষয়ে তিনি বলেন, 'জ্বালানি তেলের দাম আধুনিক প্রাইসিংয়ে যাচ্ছি। ইনডেক্স ও ফর্মুলা করা হয়েছে। প্রতি মাসে আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে সমন্বয় হবে, প্রতিবেশী দেশ ভারত এ দাম প্রতিদিন সমন্বয় করে। সেখানে অতিরিক্ত বেড়ে গেলে সরকার অন্যভাবে সহায়তা করে।'

গ্যাসের দাম বৃদ্ধি প্রসঙ্গে বলেন, 'গড়ে প্রতি ঘনমিটার ২৪ টাকার ওপরে দাম পড়ছে। সেখানে সার উৎপাদনে গ্যাস দেওয়া হচ্ছে প্রতি ঘনমিটার ১৬ টাকা, আর বিদু্যৎ উৎপাদনে ১৪ টাকা দরে। দাম বাড়িয়ে আগামী তিন বছরের মধ্যে দাম সমন্বয় করা হবে।'

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

উপরে