কুয়াকাটা সৈকতে নিয়ন্ত্রণ করা যাচ্ছে না পস্নাস্টিক বর্জ্য

কুয়াকাটা সৈকতে নিয়ন্ত্রণ করা যাচ্ছে না পস্নাস্টিক বর্জ্য

কোনো অবস্থাতেই পস্নাস্টিক বর্জ্য নিয়ন্ত্রণ করা যাচ্ছে না। সরকারের বিভিন্ন আইনকানুন কিংবা বিধিবিধান কোনো কিছুতেই থেমে নেই পলিথিন ও পস্নাটিকের দূষণ। এই ধারাবাহিকতায় শহরের গন্ডি পেরিয়ে এখন সমুদ্রসৈকত এলাকাতেও পস্নাস্টিক দূষণ বাড়ছে। পলিথিন ও পস্নাস্টিক দূষণ এখনই বন্ধ করতে না পারলে উপকূলের জীববৈচিত্র্য এবং পর্যটন শিল্পের জন্য তা মারাত্মক হুমকির কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা।

সাগরের বিশালতা মানুষকে যেমন মুগ্ধ করে, তেমনি সাগর সৈকতে অনেকেই প্রশান্তি খোঁজেন। তবে প্রকৃতির এই অপার সম্ভাবনায় এখন স্থান করে নিচ্ছে পস্নাস্টিক ও পলিথিন বর্জ্য। পর্যটক এবং স্থানীয়দের ব্যবহৃত বিভিন্ন ধরনের পস্নাস্টিকের বোতল, চিপস কিংবা বিস্কুটের খালি প্যাকেট, পলিথিন এবং জুসের প্যাকের স্থান হচ্ছে সৈকত এলাকায়। যত্রতত্র এসব বর্জ্য ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকছে। এসব বজ্য সমুদ্রসৈকত এবং সমুদ্র এলাকার জীববৈচিত্র্যের ওপর বিরূপ প্রভাব ফেলছে। বিশেষ করে বিভিন্ন প্রজাতির সামুক, ঝিনুক, কাঁকড়া এবং কচ্ছপের বংশ বিস্তার এবং প্রজনন কার্যক্রম বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। তবে এ নিয়ে স্থানীয় কর্তৃপক্ষের তেমন কোনো মাথাব্যথা নেই বললেই চলে।

প্রায় ২২ কিলোমিটার দীর্ঘ কুয়াকাটা সমুদ্রসৈকতের পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার জন্য কিংবা বিচ ক্লিনিংয়ের জন্য নির্দিষ্ট কোনো সংস্থা কিংবা লোকবল নেই। ফলে মাঝে মধ্যে ফটোসেশনের মধ্যেই সীমাবদ্ধ বিচ কিলিং কার্যক্রম।

পটুয়াখালীর জেলা প্রশাসক ও কুয়াকাটা বিচ ম্যানেজমেন্ট কমিটির সভাপতি মো. মতিউল ইসলাম চৌধুরী জানান, সমুদ্রসৈকতের পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতার জন্য মূলত কুয়াকাটা পৌরসভার পরিচ্ছন্নতা কর্মীরা কাজ করেন। এ ছাড়াও বিভিন্ন সামাজিক এবং স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের পক্ষ থেকেও কাজ করা হয়। ফলে সাম্প্রতিক সময়ে এ পরিস্থিতির অনেকটা উন্নতি হয়েছে। এরপরও আমাদের সামাজিক দায়বদ্ধতা থেকে সবাই সমুদ্রসৈকতের সৌন্দর্য এবং পরিবেশ ঠিক রাখতে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানান জেলা প্রশাসক।

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত

আরও খবর

Copyright JaiJaiDin ©2021

Design and developed by Orangebd


উপরে