বৃহস্পতিবার, ২৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৪, ১৬ ফাল্গুন ১৪৩০
walton

রাষ্ট্রপতির কাছে তিন রাষ্ট্রদূতের পরিচয়পত্র পেশ

যাযাদি ডেস্ক
  ০৭ ডিসেম্বর ২০২৩, ০০:০০

রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের কাছে পরিচয়পত্র পেশ করেছেন তিন দেশের রাষ্ট্রদূত। তারা হলেন- বাংলাদেশে নবনিযুক্ত ডেনমার্কের রাষ্ট্রদূত ক্রিশ্চিয়ান ব্রিকস মোলার, নেদারল্যান্ডসের রাষ্ট্রদূত ইরমা ভ্যান ডুরেন ও আর্জেন্টিনার রাষ্ট্রদূত মার্সেলো কার্লোস সিইএসএ।

বুধবার সকালে বঙ্গভবনে তারা পৃথক পৃথকভাবে পরিচয়পত্র পেশ করেন। এ সময় রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন নতুন রাষ্ট্রদূতদের স্বাগত জানান। রাষ্ট্রপতির প্রেস উইং থেকে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

রাষ্ট্রপতি বলেন, স্বাধীনতার পর বাংলাদেশকে প্রথম স্বীকৃতি দানকারী ইউরোপীয় দেশগুলোর একটি ডেনমার্ক। বাংলাদেশ ও ডেনমার্কের মধ্যে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বৃদ্ধিতে সন্তোষ প্রকাশ করে। দু'দেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক অত্যন্ত চমৎকার।

তিনি বলেন, ডেনমার্ক বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের অন্যতম অংশীদার এবং বাংলাদেশে জলবায়ু পরিবর্তনে ক্ষতিগ্রস্ত জনগোষ্ঠী ও উপকূলীয় এলাকার উন্নয়নে ডেনমার্কের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। বাংলাদেশে বিনিয়োগ উপযোগী পরিবেশের কথা উলেস্নখ করে রাষ্ট্রপতি দেশের স্পেশাল ইকোনমিক জোনসহ বিভিন্ন সম্ভাবনাময় খাতে ডেনিশ বিনিয়োগকারীদের বিনিয়োগের আহ্বান জানান।

ডেনমার্কের রাষ্ট্রদূত বলেন, তার সরকার বাংলাদেশের উন্নয়নে কাজ করতে আগ্রহী। তিনি দায়িত্ব পালনে রাষ্ট্রপতির সহযোগিতা কামনা করেন।

অন্যদিকে বাংলাদেশে নবনিযুক্ত নেদারল্যান্ডসের রাষ্ট্রদূত ইরমা ভ্যান ডুরেন সকালে বঙ্গভবনে পরিচয়পত্র পেশ করেন। রাষ্ট্রপতি তাকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, নেদারল্যান্ডস বাংলাদেশের অন্যতম উন্নয়ন অংশীদার। স্বাধীনতার পর থেকে দু'দেশের মধ্যে কূটনৈতিক ও বাণিজ্যিক সম্পর্ক ক্রমান্বয়ে

বৃদ্ধি পাচ্ছে। তিনি নেদারল্যান্ডসের বিনিয়োগকারীদের বাংলাদেশে বিনিয়োগের আহ্বান জানান।

বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়নকে নেদারল্যান্ডস খুবই গুরুত্ব দেয় জানিয়ে নেদারল্যান্ডসের রাষ্ট্রদূত বলেন, 'ইতোমধ্যে অনেক ডাচ বিনিয়োগকারী বাংলাদেশে বিনিয়োগ করেছেন এবং আরও অনেক বিনিয়োগকারী বাংলাদেশে বিনিয়োগে আগ্রহী। তিনি দায়িত্ব পালনে রাষ্ট্রপতির সহযোগিতা কামনা করেন।

এছাড়া রাষ্ট্রপতির কাছে পরিচয়পত্র পেশ করেছেন আর্জেন্টিনার রাষ্ট্রদূত। সাক্ষাৎকালে, রাষ্ট্রপতি নতুন রাষ্ট্রদূতকে স্বাগত জানিয়ে বাংলাদেশে নতুনভাবে আবাসিক মিশন চালু করায় আর্জেন্টিনার সরকার ও জনগণকে ধন্যবাদ জানান।

রাষ্ট্রপতি বলেন, বাংলাদেশের ফুটবলপ্রেমীদের কাছে আর্জেন্টিনা অত্যন্ত পরিচিত নাম। কিংবদন্তী ফুটবলার ম্যারাডোনা ও লিওনেল মেসি বাংলাদেশের ফুটবলপ্রেমীসহ সবার কাছে খুবই জনপ্রিয়।

বাংলাদেশ ও আর্জেন্টিনার মধ্যে অনেক বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্ভাবনা রয়েছে জানিয়ে রাষ্ট্রপতি আরও বলেন, বাংলাদেশ গার্মেন্টস পণ্য, সিরামিক ও ওষুধসহ আন্তর্জাতিক মানের বিভিন্ন পণ্য উৎপাদন করে। তিনি বাংলাদেশ থেকে এসব পণ্যের আমদানি বাড়ানোর উদ্যোগ গ্রহণের জন্য রাষ্ট্রদূতকে আহ্বান জানান। রাষ্ট্রপতি দুদেশের মধ্যেকার বাণিজ্য ও বিনিয়োগ

সম্ভাবনা কাজে লাগাতে দুদেশের সরকারি-বেসরকারি পর্যায়ে সফর বিনিময়ের ওপর জোর দেন।

রাষ্ট্রপতি আরও বলেন, ক্রীড়া ও সংস্কৃতি বিনিময়ের মাধ্যমেও দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক জোরদার হতে পারে।

আর্জেন্টিনার রাষ্ট্রদূত বলেন, আর্জেন্টিনার ফুটবলের প্রতি বাংলাদেশের ফুটবলপ্রেমীদের সমর্থন আর্জেন্টাইন ফুটবলারদের খুবই উৎসাহিত করে। তার দেশ ক্রীড়া ও সংস্কৃতিসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা বাড়াতে

অত্যন্ত আগ্রহী।

এ সময় তিনি দায়িত্ব পালনে রাষ্ট্রপতির সহযোগিতা কামনা করেন।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

উপরে