​স্বাস্থ্যবিধি নিয়ে হতাশ স্বাস্থ্যমন্ত্রী

​স্বাস্থ্যবিধি নিয়ে হতাশ স্বাস্থ্যমন্ত্রী

স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক স্বপন স্বাস্থ্যবিধি মানা সম্পর্কে হতাশ প্রকাশ করে বলেন, সাস্থ্যবিধি মেনে চললে দেশে সংক্রমন এভাবে বৃদ্ধি পেত না। বিশেষ করে বানিজ্যমেলায় যেভাবে স্বাস্থ্যবিধি লংঘন হচ্ছে যা খুবই দু:জনক। নিজেদের পরিবার এবং দেশকে সুরক্ষিত রাখতে হলে টিকা নিতে হবে এবং মাস্ক ব্যবহার করতে হবে। এক সমীক্ষায় দেখা গেছে, আক্রান্ত ব্যক্তিদের শতকরা একজনের আইসিইউয়ের প্রয়োজন। যে হারে করোনা বাড়ছে তাতে হাসপাতালে আইসিইউ বেডের সংকট দেখা দেবে। শনিবার সকালে জেলা ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেলা হাসপাতালে সিটি স্ক্যান মেশিন ও ডায়ালাইসিস ইউনিট উদ্বোধন অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্যমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘প্রতিদিন ২-৩ শতাংশ রোগী সনাক্ত হচ্ছে। যেভাবে সংক্রমণের হার বাড়ছে আমাদের দেশে সেই পরিমাণ হাসপাতালের শয্যা নেই। এক্ষেত্রে হাসপাতালের রোগীদের জায়গা দেওয়া সম্ভব হবে না। টিকা করোনা নিয়ন্ত্রণ করতে পারে না। মাস্কই একমাত্র আমাদের সংক্রমণ থেকে সুরক্ষা দেয়।

‘আমরা অর্থনীতির চাকা সচল রাখতে চাই, জীবন ব্যবস্থা গতিসীল রাখতে চাই। সার্বিক পরিস্থিতি ঠিক রাখতে সরকার ঘোষিত ১১ দফা স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে। না মানলে পরিস্থিতি খারাপের দিকে যেতে পারে। স্বাস্থ্যবিধি মানলে আমাদের লকডাউনের প্রয়োজন পরবে না। লকডাউন দিলে দেশের ক্ষতি, আমরা সেদিকে যেতে চাইনা।আশার বিষয় হচ্ছে মানুষ এখন অনেকটাই সচেতন হয়েছে। রাস্তা-ঘাট, হাট-বাজার সব যায়গাতেই এখন মানুষকে মাস্ক পরার প্রবণতা দেখা যাচ্ছে। কিন্তু আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলার মত জায়গাতে স্বাস্থ্যবিধি মানতে মানুষ উদাসীন।’

টিকা প্রথম ডোজ প্রায় সাড়ে আট কোটি দেওয়া হয়েছে। সেকেন্ড ডোজ নিয়েছে প্রায় ৬ কোটি। ইতোমধ্যে সোয়া ১৪ কোটি ডোজ দেওয়া হয়েছে। বিশ্বে গতকাল ৩২ লাখ লোক আক্রান্ত হয়েছে। সাত হাজার লোক মৃত্যুবরণ করেছে। যা আমাদের হতাশ করে।ইতোমধ্যে ইস্কুলগামী ৭০লক্ষ শিক্ষার্থীদের মাঝে করোনা টিকা দেওয়া হয়েছে। ১ কোটি ২০-২৫ লক্ষ

শিক্ষার্থীকে এই টিকা দিতে হবে।

টিকা নিতে আহবান করে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, যাদের এখনো টিকা নেওয়া হয়নি তারা অতি দ্রুত টিকা নিয়ে নেবেন। টিকা নিলে সুরক্ষিত থাকা যাবে কমবে মৃত্যু ঝুকি।

এসময় উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক আহমেদুল কবির, জেলা প্রশাসক মুহাম্মদ আব্দুল লতিফ, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ গোলাম আজাদ খান, মানিকগঞ্জ ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. আরশাদ উল্লাহ, সিভিল সার্জন ডা. মোয়াজ্জেম হোসেন খান, কর্নেল মালেক মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ ডা. জাকির হোসেন।

যাযাদি/এসআই

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত

আরও খবর

সকল ফিচার

ক্যাম্পাস
তারার মেলা
সাহিত্য
সুস্বাস্থ্য
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
জেজেডি ফ্রেন্ডস ফোরাম
নন্দিনী
আইন ও বিচার
হাট্টি মা টিম টিম
কৃষি ও সম্ভাবনা
রঙ বেরঙ

Copyright JaiJaiDin ©2022

Design and developed by Orangebd


উপরে