বুধবার, ০৭ ডিসেম্বর ২০২২, ২২ অগ্রহায়ণ ১৪২৯

চুয়াডাঙ্গায় বিশ্ব এন্টিমাইক্রোবিয়াল সচেতনতা সপ্তাহ উপলক্ষে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা ও আলোচনা সভা 

স্টাফ রিপোর্টার, চুয়াডাঙ্গা
  ২৫ নভেম্বর ২০২২, ১১:১৭

‘সকলে মিলে এন্টিমাইক্রোবিয়াল রেজিস্ট্যান্স প্রতিরোধ করি’ এ প্রতিপাদ্য বিষয়কে সামনে রেখে চুয়াডাঙ্গায় বিশ্ব এন্টিমাইক্রোবিয়াল সচেতনতা সপ্তাহ পালিত হয়েছে। এ উপলক্ষে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে ১১টায় চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সামনে থেকে অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আমিনুল ইসলাম খানের নেতৃত্বে একটি বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের হয়ে শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ শেষ একই স্থানে এসে শেষ হয়।
এরপর চুয়াডাঙ্গা জেলা ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের আয়োজনে ও জেলা প্রশাসনের সহযোগীতায় জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) সাজিয়া আফরীনের সভাপতিত্বে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। 

সভার শুরুতে সহকারী কমিশনার বি.এম.তারিক উজ্জামানের উপস্থাপনায় চুয়াডাঙ্গা ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক কে.এম.মুহসীনিন মাহবুব উপস্থিত সকলের সামনে সার্বিক বিষয়টির তাৎপর্য উপস্থাপন করেন। তিনি বলেন, এন্টিবায়োটিকের অপব্যবহার বিশ্ব ব্যাপী ১০টি শীর্ষ স্বাস্থ্য হুমকির অন্যতম। প্রতিবছর এন্টিবায়োটিকের অপব্যবহারের ফলে ১২ লাখ ৭০ হাজার মানুষ মারা যাচ্ছে। ২০৫০ সালে মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে হবে এক কোটি মানুষ। ওই সময়ে আর্থিক ক্ষতির মূল্যমান হবে ১০০ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলার। তাই এন্টিবায়োটিকের অপব্যবহার রোধে প্রতিকার অপেক্ষা প্রতিরোধই উত্তম। এ লক্ষ্যে পরিচ্ছন্ন স্বাস্থ্য বিধি অনুসরণ করতে হবে। চিকিৎসক এবং ফার্মেসী পর্যায়ে সচেতনতা সৃষ্টি এবং কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খামার পর্যায়ে উদ্বুদ্ধকরণ কার্যক্রম চলমান রাখতে হবে।

সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন সিভিল সার্জন ডা.সাজ্জাৎ হাসান, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আরাফাত রহমান ও অতিরিক্ত পুলিশ সুুপার (প্রশাসন) আবু তারেক। বক্তব্য রাখেন কেমিস্ট এ্যান্ড ড্রাগিস্ট সমিতি চুয়াডাঙ্গা জেলা শাখার সহ-সভাপতি মাসুদুর রহমান, দৈনিক প্রথম আলো পত্রিকার জেলা প্রতিনিধি শাহ আলম সনি ও ৭১ টিভির জেলা প্রতিনিধি এম.এ.মামুন।
আলোচনা সভায় সিভিল সার্জন বলেন, রেজিস্ট্রার চিকিৎসকরাই ব্যবস্থাপত্রে এন্টিবায়োটিক ঔষধ লিখতে পারনে। এর বাইরে কেউ এটা লিখতে পারবেন না। কিন্তু সেটা মানা হচ্ছে না। আমরা এন্টিবায়োটিক ঔষধ চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া সেবন করবো না। এটা যে কারর শরীরের জন্য ক্ষতির কারন হবে।

জেলা প্রশাসক বলেন, এন্টিবায়োটিক ঔষধ ব্যবহারের ক্ষেত্রে সচেতনতা বাড়ানোর খুবই প্রয়োজন। এর কুফলে জনস্বাস্থ্য মারাত্বক হুমকির সম্মোখীন হবে। যা আমাদের স্বাস্থ্য ক্ষতির কারন।  

যাযাদি/সাইফুল
 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

উপরে