সোমবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৪, ২ বৈশাখ ১৪৩১
walton

আক্রমণাত্মক ক্রিকেটে বিশ্বাসী হাথুরুসিংহে

ক্রীড়া প্রতিবেদক
  ২৭ মার্চ ২০২৩, ০০:০০
ম ক্রীড়া প্রতিবেদক ইংল্যান্ড সিরিজের আগে সব জল্পনা-কল্পনা সরিয়ে দ্বিতীয় দফায় চন্ডিকা হাথুরুসিংহেকে টাইগারদের তিন ফরম্যাটের প্রধান কোচ হিসেবে নিয়োগ দেয় বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। পূর্ব অভিজ্ঞতা বিবেচনায় শ্রীলংকান এই কোচকে পুনরায় ফেরায় বেশ অবাক হয়েছিল দেশের ক্রিকেটপ্রেমীরা। হাথুরুর অধীনে ক্রিকেটের সংক্ষিপ্ত সংস্করণে বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের হারানোর পাশাপাশি সীমিত ওভারের ফরম্যাটেও আইরিশদের হারিয়েছে দেশের ক্রীড়াঙ্গনের মহাতারকারা। তবে যেই কারণে পুনরায় তাকে (হাথুরু) দলে ভেড়ানো হয়েছিল, তা কি এই সময়ে বদলে গেছে কি না, এমন প্রশ্ন বাংলাদেশের ক্রিকেটাঙ্গনে। মাঠের ক্রিকেটে ভালো পারফরম্যান্সের সঙ্গে ক্রিকেটারদের শারীরিক ভাষাতেও পরিবর্তন টের পাওয়া যাচ্ছে। আক্রমণাত্মক ক্রিকেটের সঙ্গে আগ্রাসী মনোভাব ফুটে উঠেছে স্পষ্ট। সঙ্গে তারুণ্যের জয়গানে বাজছে নতুন সুর। স্বল্প সময়েই হাথুরুসিংহের ছোঁয়ায় পরিবর্তনের ছাপ স্পষ্ট। গতকাল রোববার সাগরিকায় সংবাদ সম্মেলনে হাথুরুর কাছে জানতে চাওয়া হয়, এই সময়ে দলে কি বদলেছে। জবাবে টাইগারদের প্রধান কোচ হাথুরুসিংহে জানান, খেলোয়াড়দের মধ্যে খুব বেশি কিছু বদলায়নি। তবে ড্রেসিংরুমের পরিবেশ কিছুটা বদলেছে। শ্রীলংকান এই কোচ জানালেন, 'আমার মনে হয় না খুব বেশি কিছু বদলেছে, ড্রেসিং রুমের মধ্যে পরিবেশ কিছুটা বদলেছে। আমরা যেভাবে কথা বলি, যা নিয়ে কথা বলি; চেষ্টা করছি মনস্তাত্ত্বিকভাবে দলকে নির্ভার রাখতে। তাদের বলেছি, শুধু রেজাল্টের জন্য তাদের মূল্য কমে যাবে না। তারা একই ক্রিকেটার থাকবে, আমরা একই মানসিকতায় দেখছি, তারা মূল্যবান। আমরা তাদের নিয়েছি স্কিলের জন্যই। এটা ছাড়া কিছুই বদলায়নি, জানি না আগে কী হয়েছে; কিন্তু তাদের স্কিল একই।' পারফর্ম না করলে বাদ পড়তেই হবে। তবে জায়গা হারানোর ভয় নিয়ে নিশ্চিতভাবেই সফল হওয়া যায় না। সফল হতে হলে হতে হয় নির্ভীক, অকুতোভয়। নিজের ভেতরে সেই সাহসিকতা জোগানোর জন্য প্রয়োজন হয় মানসিক শক্তি। শাস্ত্রের ভাষায়, যাকে বলা হচ্ছে মনস্তাত্ত্বিক নিরাপত্তা। বাংলাদেশ দলের কোচ চন্ডিকা হাথুরুসিংহে দ্বিতীয় মেয়াদে বাংলাদেশ দলের দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন মাস দেড়েক হলো। মাঠের পারফরম্যান্সে বোঝা যাচ্ছে স্বল্প এ সময়েই কাজ গুছিয়ে এনেছেন শ্রীলংকান কোচ। ২০১৪ সালে প্রথম মেয়াদে যোগদানের সময় হাথুরুসিংহের নিজের প্রমাণেরও অনেক কিছু ছিল। মাঠের ক্রিকেটে বাংলাদেশের খোলনলচে পাল্টে দিয়ে বদলের নায়ক হয়ে উঠেন তিনি। তবে দ্বিতীয় মেয়াদে কেমন করবেন তা নিয়ে ছিল অনেক জল্পনা-কল্পনা। শুরুটা একদমই মন্দ হয়নি। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ২-১ ব্যবধানে ওয়ানডে সিরিজ হারের পর টি২০ সিরিজ জেতে ৩-০ সমীকরণে। পারফরম্যান্সের ধারাবাহিকতা ধরে রেখেছে আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষের সিরিজেও। যেখানে ২-০ ব্যবধানে সিরিজ জেতে স্বাগতিকরা। এবার টি২০'র পালা। এই সিরিজও দাপটের সঙ্গে জিততে চান হাথুরুসিংহে। আগ্রাসী ক্রিকেট খেলার যে মানসিকতা তা হাথুরুসিংহের প্রথম মেয়াদেই শুরু হয়েছিল। যা এখনো বাংলাদেশ ক্রিকেটের ব্র্যান্ড। সেই ব্র্যান্ডের সঙ্গে এখন যুক্ত হয়েছে অনিশ্চিয়তার দোলাচাল কাটিয়ে মনস্তাত্ত্বিক নিরাপত্তা পাওয়া। যা নতুন কিংবা পুরানো যেকোনো ক্রিকেটারের জন্যই বাড়তি পাওয়া। দল থেকে বাদ পড়ার ভয় না থাকলে মাঠের ক্রিকেটটা রোমাঞ্চকরই হওয়ার কথা। যা নতুন যুগের শুরুও বলা যায়। যদিও এই কথায় আপত্তি আছে তার। সঙ্গে আগ্রাসী ক্রিকেট খেলার ব্যাখ্যাও দিয়েছেন হাথুরুসিংহে, 'আমি নতুন যুগ দেখি না। সামনেও আমরা এভাবেই খেলতে চাই। আগ্রাসী ক্রিকেট খেলতে চাই। আগ্রাসী ক্রিকেট মানে এই নয় যে আমরা গেলাম আর জোরে জোরে মারলাম। সবদিক থেকেই আগ্রাসী হয়ে ওঠা। দল নির্বাচন, ফিল্ড সাজানো, আমাদের শরীরী ভাষা, ফিল্ডিং, ব্যাটিং। কৌশলগত দিক দিয়েও আগ্রাসী হতে হবে, ফল কী হবে, তা নিয়ে ভাবব না। নিজেদের সেরাটাই খেলতে চাই। যখনই আমরা এমন আগ্রাসী ক্রিকেট খেলি, মুক্তভাবে খেলেছি, এ দল তখনই ভালো করেছে।'

ইংল্যান্ড সিরিজের আগে সব জল্পনা-কল্পনা সরিয়ে দ্বিতীয় দফায় চন্ডিকা হাথুরুসিংহেকে টাইগারদের তিন ফরম্যাটের প্রধান কোচ হিসেবে নিয়োগ দেয় বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। পূর্ব অভিজ্ঞতা বিবেচনায় শ্রীলংকান এই কোচকে পুনরায় ফেরায় বেশ অবাক হয়েছিল দেশের ক্রিকেটপ্রেমীরা।

হাথুরুর অধীনে ক্রিকেটের সংক্ষিপ্ত সংস্করণে বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের হারানোর পাশাপাশি সীমিত ওভারের ফরম্যাটেও আইরিশদের হারিয়েছে দেশের ক্রীড়াঙ্গনের মহাতারকারা। তবে যেই কারণে পুনরায় তাকে (হাথুরু) দলে ভেড়ানো হয়েছিল, তা কি এই সময়ে বদলে গেছে কি না, এমন প্রশ্ন বাংলাদেশের ক্রিকেটাঙ্গনে।

মাঠের ক্রিকেটে ভালো পারফরম্যান্সের সঙ্গে ক্রিকেটারদের শারীরিক ভাষাতেও পরিবর্তন টের পাওয়া যাচ্ছে। আক্রমণাত্মক ক্রিকেটের সঙ্গে আগ্রাসী মনোভাব ফুটে উঠেছে স্পষ্ট। সঙ্গে তারুণ্যের জয়গানে বাজছে নতুন সুর। স্বল্প সময়েই হাথুরুসিংহের ছোঁয়ায় পরিবর্তনের ছাপ স্পষ্ট।

গতকাল রোববার সাগরিকায় সংবাদ সম্মেলনে হাথুরুর কাছে জানতে চাওয়া হয়, এই সময়ে দলে কি বদলেছে। জবাবে টাইগারদের প্রধান কোচ হাথুরুসিংহে জানান, খেলোয়াড়দের মধ্যে খুব বেশি কিছু বদলায়নি। তবে ড্রেসিংরুমের পরিবেশ কিছুটা বদলেছে।

শ্রীলংকান এই কোচ জানালেন, 'আমার মনে হয় না খুব বেশি কিছু বদলেছে, ড্রেসিং রুমের মধ্যে পরিবেশ কিছুটা বদলেছে। আমরা যেভাবে কথা বলি, যা নিয়ে কথা বলি; চেষ্টা করছি মনস্তাত্ত্বিকভাবে দলকে নির্ভার রাখতে। তাদের বলেছি, শুধু রেজাল্টের জন্য তাদের মূল্য কমে যাবে না। তারা একই ক্রিকেটার থাকবে, আমরা একই মানসিকতায় দেখছি, তারা মূল্যবান। আমরা তাদের নিয়েছি স্কিলের জন্যই। এটা ছাড়া কিছুই বদলায়নি, জানি না আগে কী হয়েছে; কিন্তু তাদের স্কিল একই।'

পারফর্ম না করলে বাদ পড়তেই হবে। তবে জায়গা হারানোর ভয় নিয়ে নিশ্চিতভাবেই সফল হওয়া যায় না। সফল হতে হলে হতে হয় নির্ভীক, অকুতোভয়। নিজের ভেতরে সেই সাহসিকতা জোগানোর জন্য প্রয়োজন হয় মানসিক শক্তি। শাস্ত্রের ভাষায়, যাকে বলা হচ্ছে মনস্তাত্ত্বিক নিরাপত্তা।

বাংলাদেশ দলের কোচ চন্ডিকা হাথুরুসিংহে দ্বিতীয় মেয়াদে বাংলাদেশ দলের দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন মাস দেড়েক হলো। মাঠের পারফরম্যান্সে বোঝা যাচ্ছে স্বল্প এ সময়েই কাজ গুছিয়ে এনেছেন শ্রীলংকান কোচ। ২০১৪ সালে প্রথম মেয়াদে যোগদানের সময় হাথুরুসিংহের নিজের প্রমাণেরও অনেক কিছু ছিল। মাঠের ক্রিকেটে বাংলাদেশের খোলনলচে পাল্টে দিয়ে বদলের নায়ক হয়ে উঠেন তিনি। তবে দ্বিতীয় মেয়াদে কেমন করবেন তা নিয়ে ছিল অনেক জল্পনা-কল্পনা।

শুরুটা একদমই মন্দ হয়নি। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ২-১ ব্যবধানে ওয়ানডে সিরিজ হারের পর টি২০ সিরিজ জেতে ৩-০ সমীকরণে। পারফরম্যান্সের ধারাবাহিকতা ধরে রেখেছে আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষের সিরিজেও। যেখানে ২-০ ব্যবধানে সিরিজ জেতে স্বাগতিকরা। এবার টি২০'র পালা। এই সিরিজও দাপটের সঙ্গে জিততে চান হাথুরুসিংহে।

আগ্রাসী ক্রিকেট খেলার যে মানসিকতা তা হাথুরুসিংহের প্রথম মেয়াদেই শুরু হয়েছিল। যা এখনো বাংলাদেশ ক্রিকেটের ব্র্যান্ড। সেই ব্র্যান্ডের সঙ্গে এখন যুক্ত হয়েছে অনিশ্চিয়তার দোলাচাল কাটিয়ে মনস্তাত্ত্বিক নিরাপত্তা পাওয়া। যা নতুন কিংবা পুরানো যেকোনো ক্রিকেটারের জন্যই বাড়তি পাওয়া।

দল থেকে বাদ পড়ার ভয় না থাকলে মাঠের ক্রিকেটটা রোমাঞ্চকরই হওয়ার কথা। যা নতুন যুগের শুরুও বলা যায়। যদিও এই কথায় আপত্তি আছে তার। সঙ্গে আগ্রাসী ক্রিকেট খেলার ব্যাখ্যাও দিয়েছেন হাথুরুসিংহে, 'আমি নতুন যুগ দেখি না। সামনেও আমরা এভাবেই খেলতে চাই। আগ্রাসী ক্রিকেট খেলতে চাই। আগ্রাসী ক্রিকেট মানে এই নয় যে আমরা গেলাম আর জোরে জোরে মারলাম। সবদিক থেকেই আগ্রাসী হয়ে ওঠা। দল নির্বাচন, ফিল্ড সাজানো, আমাদের শরীরী ভাষা, ফিল্ডিং, ব্যাটিং। কৌশলগত দিক দিয়েও আগ্রাসী হতে হবে, ফল কী হবে, তা নিয়ে ভাবব না। নিজেদের সেরাটাই খেলতে চাই। যখনই আমরা এমন আগ্রাসী ক্রিকেট খেলি, মুক্তভাবে খেলেছি, এ দল তখনই ভালো করেছে।'

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

উপরে