বৃহস্পতিবার, ১৩ জুন ২০২৪, ৩০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১

'চেহারা নয়, পারফরম্যান্সের কারণেই বাদ আফিফ'

ক্রীড়া প্রতিবেদক
  ২৭ মার্চ ২০২৩, ০০:০০
'চেহারা নয়, পারফরম্যান্সের কারণেই বাদ আফিফ'

২০১৯ সাল থেকে রঙিন পোশাকে বাংলাদেশ দলের নিয়মিত মুখে পরিণত হয়েছেন আফিফ হোসেন ধ্রম্নব। কিন্তু হাথুরুসিংহের অধীনে কেবল পাঁচ ম্যাচ খেলেই জাতীয় দল থেকে বাদ পড়লেন তিনি। ইংল?্যান্ডের বিপক্ষে শেষ টি২০ থেকে তাকে বাদ দেওয়ার পর আয়ারল?্যান্ডের বিপক্ষে প্রথম দুই ওয়ানডের জন?্য নেওয়া হয়েছিল। যদিও একাদশে সুযোগ দেওয়া হয়নি। তৃতীয় ম?্যাচে আবার বাতিলের খাতায় আফিফ। এরপর তিন ম্যাচের টি২০ স্কোয়াডেও তাকে রাখেনি টিম ম্যানেজমেন্ট।

আফিফকে বাদ দেওয়ায় অনেকেই চমকে গিয়েছিল। শেষ দিকে গিয়ে দ্রম্নত রান তোলার কাজটা কঠিন। সেই কাজে আফিফ কখনো সফল হতেন। কখনো ব?্যর্থ। কিন্তু বারবার সুযোগ পেয়ে আসছিলেন বাঁহাতি ব?্যাটসম?্যান। কোচিং স্টাফরা তার ওপর ভরসা রাখলেও খুব বেশি আস্থার প্রতিদান দিতে পারেননি।

ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজে খেললেও আফিফ নেই আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজের দলে না থাকা সম্পর্কে আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে টি২০ সিরিজের আগে সংবাদ সম্মেলনে পারফরম্যান্সের জন্য আফিফ বাদ পড়েছেন কিনা- এমন প্রশ্ন করা হলে লংকান কোচ বলেন, 'অবশ্যই। চেহারার কারণে নয়, পারফরম্যান্সের জন্যই বাদ পড়েছে। যে কেউ বাদ পড়লেই সেটা পারফরম্যান্সের কারণে হয়ে থাকে। কখনো কখনো আবার কৌশলগত কারণে।'

তার কথায় স্পষ্ট, ঘরোয়া ক্রিকেটে ভালো না করলে আফিফের আরেকবার সুযোগ পাওয়া হচ্ছে না। ভালো করলে তার জায়গাও খোলা। বাদ পড়া আফিফ কি আবার জাতীয় দলে ঢুকতে পারবেন? টাইগারদের কোচ জানান, পারফরম্যান্স করলে আবারও সুযোগ মিলবে। হাথুরু বলেন, 'সে দলের বাইরে আছে এখন। তার এখন যা করা দরকার, তাই করতে হবে। রান করতে হবে। আমি তার সঙ্গে কিছু জায়গায় উন্নতির ব্যাপারে কথা বলেছি। যদি সে তা করতে পারে, তাহলে দলের প্রয়োজনে সবার মতোই সেও সুযোগ পাবে।'

বাংলাদেশ দলের ভরসার প্রতীকে পরিণত হওয়া আফিফ হাথুরুর অধীনে পাঁচ ম্যাচে ১৬ গড়ে করেছেন কেবল ৬৪ রান। এর মধ্যে তার সর্বোচ্চ রানের ইনিংসটি ২৩। এর আগে ৮২ ম্যাচে ২৪.৫৫ গড়ে করেছেন এক হাজার ৪৯৮ রান। পারফরম্যান্সে অবনতি হওয়া আফিফ তাই বাধ্যতামূলকভাবে বাদ পড়েছেন। এ ছাড়া এখন বেশ কয়েকজন নতুন তারকাও উঠে এসেছেন। তাওহিদ হৃদয়, নাজমুল হোসেন শান্তদের উত্থানে কিছুটা আড়ালেই পড়ে গেছেন আফিফ।

টানা ৬১ টি২০ খেলার পর তাকে বাদ দেওয়া হয়, যা বাংলাদেশের দলের ক্রিকেটারদের জন?্য রেকর্ড হয়েছিল। এ সময় দুটি টি২০ বিশ্বকাপও খেলেছিলেন। যেখানে তার পারফরম?্যান্স আহামরি ভালো ছিল না। ৬২ ম্যাচের ক্যারিয়ারে কেবল তিন ফিফটি করেছেন।

আফিফের ভাগ্যে কী আছে, তা সময়ই বলে দেবে। তবে প্রতিশ্রম্নতিশীল ক্রিকেটারকে টিকে থাকতে হলে নিজের শেকল ভেঙে এগিয়ে আসতেই হবে।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়
X
Nagad

উপরে