নটিংহ্যাম ফরেস্টকে নামিয়ে পয়েন্ট টেবিলে তিনে ওঠার সুযোগ ছিল; কিন্তু সেটা কাজে লাগানোর মতো তেমন কিছুই করতে পারল না ম্যানচেস্টার সিটি। উল্টো হেরে গিয়ে আরেকটু পিছিয়ে পড়ল পেপ গার্দিওয়ালার দল। প্রতিপক্ষের মাঠে শনিবার রাতে ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের ম্যাচটি ১-০ গোলে হেরে গেছে গত চারবারের চ্যাম্পিয়নরা। দ্বিতীয়ার্ধে ব্যবধান গড়ে দেন ক্যালাম হাডসন-ওডোই।
জানুয়ারিতে লিভারপুল, ফেব্রম্নয়ারিতে আর্সেনালকে রুখে দেওয়ার পর এবার পেপ গুয়ার্দিওলার দলের বিপক্ষে পুরো তিন পয়েন্ট তুলে নিল নটিংহ্যাম ফরেস্ট। নভেম্বর-ডিসেম্বরে লিগে চরম ব্যর্থতার পর, বছরের শুরুতে ঘুরে দাঁড়ানোর আভাস দিয়েছিল সিটি। তবে ফেব্রম্নয়ারি থেকে আবার তাদের পারফরম্যান্সে ভর করেছে অধারাবাহিকতা-এই জয় তো এই পরাজয়।
চলতি আসরে নবম হারের স্বাদ পেল সিটি। ২৮ ম্যাচে ১৪ জয় ও ৫ ড্রয়ে ৪৭ পয়েন্ট নিয়ে চতুর্থ স্থানে আছে তারা। সমান ম্যাচে ৪ পয়েন্ট বেশি নিয়ে তিনে নটিংহ্যাম ফরেস্ট। এলোমেলো ফুটবল আর অপরিকল্পিত সব আক্রমণে এগিয়ে চলা ম্যাচের দ্বিতীয়ার্ধে শুরুটায় একটু উন্নতির দেখা মেলে নটিংহ্যামের আক্রমণে। যদিও প্রতিপক্ষ গোলরক্ষক এদেরসনের কোনো পরীক্ষা নিতে পারছিল না তারা।
অবশেষে ৬৭তম মিনিটে ম্যাচের প্রথম খুব ভালো সুযোগটি তৈরি করে স্বাগতিকরা; কঠিন এক চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েন এদেরসন। ক্যালাম হাডসন-ওডোইয়ের সেই শট অবশ্য ঝাঁপিয়ে ঠেকিয়ে দেন তিনি, বল তার হাতে লেগে পোস্টে বাধা পায়। এক মিনিট পরই আরও দুটি পরিবর্তন আনেন সিটি কোচ। ফিল ফোডেন ও সাভিনিয়োকে তুলে অভিজ্ঞ কেভিন ডে ব্রম্নইনে ও ওমার মার্মাউশকে নামান তিনি।
তাতে তাদের খেলায় কিছুটা উন্নতিও হয়। পরের কয়েক মিনিটে কয়েকটি আক্রমণও করে তারা, যদিও উলেস্নখযোগ্য কিছু করতে পারেননি কেউ। এর মাঝেই আচমকা গোল খেয়ে বসে চ্যাম্পিয়নরা। ৮৩তম মিনিটে বল ধরে ডান দিক দিয়ে ডি-বক্সে ঢুকে কোনাকুনি শটে সিটিকে স্তব্ধ করে দেন ইংলিশ ফরোয়ার্ড হাডসন-ওডোই। আর এই হারের পর আরও নিচে নেমে যাওয়ার শঙ্কায় এখন গার্দিওয়ার দল। রোববার লেস্টার সিটির বিপক্ষে জিতলেই তাদের ছাড়িয়ে চারে জায়গা করে নেবে চেলসি।