logo
রোববার ১৮ আগস্ট, ২০১৯, ৩ ভাদ্র ১৪২৬

  অনলাইন ডেস্ক    ১৩ জুন ২০১৯, ০০:০০  

লুডু খেলে সময় পার ছাত্রলীগের বিক্ষুব্ধদের

লুডু খেলে সময় পার ছাত্রলীগের বিক্ষুব্ধদের
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্যে বুধবার ছাত্রলীগের বিক্ষুব্ধ নেতাদের অবস্থান কর্মসূচি চলাকালে মোবাইলের অ্যাপে লুডু খেলে সময় পার করতে দেখা যায় তাদের
যাযাদি রিপোর্ট

কমিটি থেকে বিতর্কিতদের বাদ দেয়ার দাবিতে অবস্থান কর্মসূচি চালিয়ে যাচ্ছেন ছাত্রলীগের বিক্ষুব্ধ নেতারা।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসির রাজু ভাস্কর্যে এই কর্মসূচিতে অংশগ্রহণরতদের বুধবার দুপুরে মোবাইল ফোনে অ্যাপে লুডু খেলে সময় পার করতে দেখা গেছে।

গত ২৬ মে থেকে রাজু ভাস্কর্যে অবস্থান নিয়ে আছেন তারা; রোজার ঈদের দিনও সেখানেই কাটান তারা। তাদের খবর ছাত্রলীগ কিংবা আওয়ামী লীগের কোনো নেতা না নেয়ায় তারা খেদও প্রকাশ করেন।

আন্দোলনকারীদের অন্যতম নেতা রাকিব হোসেন বলেন, 'এখানে আমাদের থাকাটাই মুখ্য। মাঝেমধ্যে আমাদের কেউ কেউ সময় কাটানোর জন্য মোবাইলে গেম খেলে। তবে আমাদের উদ্দেশ্য থেকে কেউ পিছিয়ে নেই।'

বিগত কমিটির কর্মসূচি ও পরিকল্পনা সম্পাদক রাকিবের সঙ্গে এই অবস্থান কর্মসূচিতে বিগত কমিটির সমাজসেবা সম্পাদক রানা হামিদ, বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় বিষয়ক সম্পাদক আনন্দ সাহা পার্থ, বর্তমান কমিটির উপ-ক্রীড়া সম্পাদক এনামুল হক তানান, শহীদুলস্নাহ হল ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক আরিফ হোসেন রিফাত, বিগত কমিটির নেতা শামীম, বিগত কমিটির প্রচার সম্পাদক সাইফ বাবু, উপ দপ্তর সম্পাদক নকিবুল ইসলাম সুমন, উপ-কর্মসূচি ও পরিকল্পনা সম্পাদক মুরাদ হায়দার টিপু, সহসম্পাদক শামীম মীর, কবি জসীমউদদীন হল ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক শাহেদ খান, বিগত কমিটির সদস্য তানভীর হাসান সৈকতকে দেখা গেছে।

সম্মেলনের এক বছর পর গত ১৩ মে ছাত্রলীগের ৩০১ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা করা হলে তা পুনর্গঠনের দাবিতে আন্দোলন শুরু করেন এতে স্থান না পাওয়া কিংবা প্রত্যাশিত পদ না পাওয়া নেতারা।

তারা অভিযোগ করেন, বিবাহিত, মুক্তিযুদ্ধের চেতনাবিরোধী, চাকরিজীবী ও বিভিন্ন মামলার আসামিসহ নানা অভিযোগবিদ্ধ অনেককে পদ দেয়া হয়েছে। অন্যদিকে বঞ্চিত করা হয়েছে অনেক ত্যাগী নেতাকে।

এ নিয়ে বিক্ষুব্ধদের সঙ্গে মারামারিও বাঁধে কমিটিতে পদ পাওয়া নেতাদের। এরপর কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়ার এক পর্যায়ে আশ্বাসে পিছু হটে বিক্ষুব্ধরা।

বিক্ষুব্ধদের আন্দোলনের মুখে গত ২৯ মে ছাত্রলীগ সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক বিতর্কিত কয়েকজনকে বাদ দিয়ে কেন্দ্রীয় কমিটির ১৯টি পদ শূন্য ঘোষণা করেন।

কিন্তু এরপর পূর্ণাঙ্গ কমিটিকে নিয়ে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে ফুল দেয়ার কর্মসূচি ঘোষণা হলে ফের অবস্থানে ফেরে বিক্ষুব্ধরা; তাদের দাবি, আগে বিতর্কিত সবাইকে সরাতে হবে, তারপরই যেন কর্মসূচি নেয়া হয়।

রাকিব বলেন, 'আমরা দীর্ঘ ১৮ দিন ধরে টানা অবস্থান করছি, মানবেতর জীবনযাপন করছি শুধু ছাত্রলীগকে বিতর্কমুক্ত করার জন্য। জননেত্রী শেখ হাসিনা আমাদের একমাত্র আশ্রয়স্থল। তিনি আমাদের বিষয়টি গুরুত্বের সাথে দেখবেন বলে আমরা প্রত্যাশা করি।'
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
close

উপরে