১ মার্চের মধ্যে হল খোলার আলটিমেটাম ইবি শিক্ষার্থীদের

১ মার্চের মধ্যে হল খোলার আলটিমেটাম ইবি শিক্ষার্থীদের

পহেলা মার্চের মধ্যে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) সকল আবাসিক হল খুলে শিক্ষা কার্যক্রম স্বাভাবিক করার আলটিমেটাম দিয়েছেন আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা। এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ে চলমান পরীক্ষা স্থগিতের সিদ্ধান্ত প্রত্যাখ্যান ও ১ মার্চের মধ্যে হল না খুললে যেকোনো মূল্যে হলে ওঠার ঘোষণা দেওয়া হয়। মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ডায়না চত্বরে সাংবাদিক সম্মেলনে এ ঘোষণা দেন আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা।

জানা গেছে, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্ত প্রত্যাখ্যান করে এ কর্মসূচি ঘোষণা করেছেন তারা। অতি দ্রুত স্থগিতকৃত পরীক্ষা কার্যক্রম স্বাভাবিক করে দেওয়ার জোর দাবি জানানো হয়েছে সম্মেলন থেকে। সম্মেলন থেকে ১ মার্চ পর্যন্ত আন্দোলন স্থগিত করেছে শিক্ষার্থীরা।

এদিকে সংবাদ সম্মেলনের পরে স্থগিত পরীক্ষা চালু করার দাবিতে পৌনে ১২টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের ডায়না চত্বর এলাকায় বিক্ষোভ মিছিল করে শিক্ষার্থীরা। বিক্ষোভ মিছিলটি বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে প্রশাসন ভবন চত্বরে এসে মিলিত হয়। এ সময় একই দাবিতে প্রশাসন ভবনের সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন করে তারা। পরে ভিসির সঙ্গে সাক্ষাৎ করে তিন সদস্যের প্রতিনিধিদল।

বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি প্রফেসর ড. শেখ আবদুস সালাম বলেন, ‘আমি শিক্ষার্থীদের দাবির সঙ্গে একমত। তবে আমরা শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্তের বাইরে কিছু করতে পারছি না।’

স্থগিত পরীক্ষা চালুর বিষয়ে তিনি বলেন, ‘অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয় পরীক্ষা নিলে আমি এ ব্যাপারে ইউজিসির সঙ্গে কথা বলে চলমান পরীক্ষা চালু করে দেব। এ মুহূর্তে আমরা শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্তের বাইরে কিছু করতে পারছি না।’

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন বাংলা বিভাগের শিক্ষার্থী জি. কে সাদিক। এ সময় তিনি বলেন, সরকার ও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনগুলো করোনা সংক্রমণের দোহাই দিয়ে হল ও ক্যাম্পাস খুলে শিক্ষা কার্যক্রম স্বাভাবিক করতে চাইছেন না। আগামী ১৭ মে হল ও ২৪ মে ক্যাম্পাস খুলে দেওয়ার যে অযৌক্তিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে সেখান থেকে সরে এসে দ্রুত হল ও ক্যাম্পাস খুলে শিক্ষা কার্যক্রম স্বাভাবিক করতে হবে। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এমন সিদ্ধান্ত আমরা পুনর্বিবেচনা করার দাবি করে এ সিদ্ধান্ত প্রত্যাখ্যান করছি।

আগামী ১ মার্চের মধ্যে হল ও ক্যাম্পাস খুলে দেওয়ার ব্যবস্থা করুন। অন্যথায় শিক্ষার্থীরা হলে ঢোকার ব্যবস্থা নিজেরাই করে নিবে। এ পরিস্থিতি সৃষ্টি হলে তার দায়ভার বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে নিতে হবে বলে জানান তারা।

যাযাদি/ এস

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত

আরও খবর

Copyright JaiJaiDin ©2021

Design and developed by Orangebd


উপরে