জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি ও ভোলায় হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে জাবি এনটিএফ-এর নিন্দা

জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি ও ভোলায় হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে জাবি এনটিএফ-এর নিন্দা

নজিরবিহীনভাবে জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির সরকারি সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে এবং সারাদেশে বিদ্যুতের লোডশেডিং এর প্রতিবাদে ভোলায় বিএনপির মিছিলে পুলিশের গুলিতে স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা আব্দুর রহিম ও ছাত্রদল নেতা নূরে আলমকে হত্যার ঘটনায় তীব্র নিন্দা, ক্ষোভ ও প্রতিবাদ জানিয়েছে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালযয়ের (জাবি) জাতীয়তাবাদী শিক্ষক ফোরাম- এনটিএফ।

রোববার (৭ আগস্ট) সংগঠনটির সভাপতি অধ্যাপক ড. মো. শামছুল আলম ও সাধারণ ব সম্পাদক অধ্যাপক ড. মোস্তফা নাজমুল মানছুর স্বাক্ষরিত এক বিবৃতিতে এ নিন্দা জানানো হয়।

বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ বলেন, 'হঠাৎ করে কোন প্রকার আলোচনা ছাড়াই সরকার স্বেচ্ছাচারী কায়দায় ৫১ শতাংশেরও বেশি পর্যন্ত জ্বালানি তেলের মূল্য নির্ণয় ও নজিরবিহীনভাবে সাধারণ জনগণের উপর চাপিয়ে দিয়েছে। জ্বালানি তেলের এমন মূল্যবৃদ্ধিতে জনজীবনে মহাবিপর্যয় সৃষ্টি করবে।'

নেতৃবৃন্দ বলেন, 'আমরা মনে করি দেশের মানুষের প্রতি সরকারের কোন দরদ নেই বলেই সারাবিশ্বে যখন জ্বালানি তেলের দাম কমতে শুরু করেছে, তখন দেশে তেলের মূল্য বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত সরকার জনগণের অর্থ লুটপাটের সুযোগ করে দেয়ার জন্যই কার্যকর করেছে।'

নেতৃবৃন্দ আরও বলেন, 'জনগণের সম্মতি ছাড়া ক্ষমতাসীন সরকারের সীমাহীন দুর্নীতি, লুটপাট এবং অব্যবস্থাপনার জন্য দেশের অর্থনীতি আজ চরম সংকটে। দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা আজ হুমকির মুখে। লোডশেডিংয়ে সারাদেশের মানুষ অতিষ্ঠ। দ্রব্যমূল্যের লাগামহীন ঊর্ধ্বগতির কারণে দেশের নিম্নবিত্ত এমনকি মধ্যবিত্ত শ্রেণিও খাদ্য নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে। সরকারের দুর্নীতি, অনিয়ম, অব্যবস্থাপনার সম্মিলিত ফলাফলই হচ্ছে আজকের বিদ্যুৎ সংকট এবং চরম দুরাবস্থা। কাজেই এর বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করা জনগণের নূন্যতম গণতান্ত্রিক অধিকার। সরকার পুলিশ বাহিনীকে দিয়ে ভোলায় প্রতিবাদ মিছিলে গুলি চালিয়ে বিএনপির সম্ভাবনাময় দুজন তরুণ নেতাকে হত্যা করে আবারও প্রমাণ করলো, বল প্রয়োগ করে ফ্যাসিবাদী কায়দায় তারা ক্ষমতা টিকিয়ে রাখতে চায়।'

যাযাদি/এসএস

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত

আরও খবর

Copyright JaiJaiDin ©2022

Design and developed by Orangebd


উপরে