খানসামায় বাণিজ্যিকভাবে বেড়েছে ওলকচু চাষ

খানসামায় বাণিজ্যিকভাবে বেড়েছে ওলকচু চাষ

দিনাজপুরের খানসামা উপজেলায় বাণিজ্যিকভাবে ওলকচুর চাষ বেড়েছে। পুষ্টিসম্মত খাদ্য হিসেবে বাজারে চাহিদা থাকায় এ বছর এমনটাই দেখা যাচ্ছে। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের কারিগরি সহায়তা ও পরামর্শে অল্প খরচে অধিক মুনাফা আয়ের স্বপ্নপূরণ করছেন এই এলাকার কৃষক-কৃষানিরা।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, কন্দাল ফসল উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় গত বছর উপজেলায় প্রথমবারের মতো মাদ্রাজি জাতের ওলকচু চাষ হয়। সেই সাফল্য দেখে এবং কৃষি বিভাগের প্রচারণায় এ বছর বেড়েছে ওলকচু চাষ। এর কারণ এই উপজেলার মাটি ওলকচু চাষের উপযোগী ও কম খরচে বেশি ফলন পাওয়া যায়। ফলে নতুন চাষিরাও এতে উৎসাহিত হচ্ছেন।

উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, চলতি ২০২১-২২ মৌসুমে কন্দাল ফসল উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় উপজেলার ১৫ জন কৃষককে ওলকচু চাষে সহায়তা করে কৃষি বিভাগ। এছাড়াও অনেক কৃষক নিজস্ব উদ্যোগে এই চাষ করছেন। এতে মোট চার একর জমিতে ওলকচু চাষ হয়, যা গত বছরের চেয়ে দ্বিগুণ। সরেজমিনে খামারপাড়া গ্রামে গিয়ে দেখা যায়, কৃষকরা এখন ওলকচু তুলছেন। এ ওলকচু বাজারে প্রতিকেজি ৫০ থেকে ৬০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

ওলকচু চাষ সম্পর্কে কৃষক আলতাফ হোসেন জানান, দেশি জাতের ওলকচুর চেয়ে মাদ্রাজিতে লাভের পরিমাণ বেশি। এজন্য কৃষি বিভাগের সহায়তায় ২০ শতক ছাড়াও নিজস্ব উদ্যোগে ৪০ শতক জমিতে ওলকচু চাষ করেন। এতে মোট খরচ হয় প্রায় এক লাখ টাকা। অন্যদিকে বাজার মূল্যে বিক্রি হয় প্রায় আড়াই লাখ টাকা।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা বাসুদেব রায় জানান, এটি একটি পুষ্টিসমৃদ্ধ ও নিরাপদ সবজি। এই উপজেলার মাটি ওলকচু চাষের উপযোগী। ২০২০-২১ অর্থবছরে প্রথমবার বাণিজ্যিকভাবে ওলকচু চাষ শুরু হয়। ওলকচু আবাদ করে কৃষকরা লাভবান হওয়ায় সময়ের সঙ্গে ওলকচু চাষের জমির পরিমাণ বৃদ্ধি পাচ্ছে।

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত

আরও খবর

Copyright JaiJaiDin ©2022

Design and developed by Orangebd


উপরে