শুষ্ক মৌসুমে পদ্মা নদীতে ভাঙন তীব্র আকার ধারন করেছে রাজশাহী জেলার চারঘাট উপজেলায়। গত কয়েক সপ্তাহে উপজেলার গোপালপুর ও চন্দনশহর গ্রাম সংলগ্ন নদীর তীরবর্তী বাঁধ ভেঙে বিলীন হয়ে গেছে নদী তীর সংলগ্ন কৃষি জমি। হুমকির মুখে রয়েছে নদীতীর সংলগ্ন রক্ষা বাধসহ বিভিন্ন স্থাপনা। এভাবে নদী ভাঙ্গন অব্যহত থাকলে নদী তীর সংলগ্ন কৃষি জমিসহ বিলীন হয়ে যাবে তীরবর্তী বিভিন্ন স্থাপনাগুলো। নদী ভাঙ্গন রোধে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা গ্রহণ করার অনুরোধ করেন স্থানীয় এলাকাবাসী।
এলাকাবাসী জানায় নদী ভাঙ১নের ফলে নদী রক্ষা বাধ হুমকির মধ্যে পড়েছে। যদি বাধটি ভেঙ্গে যায় তাহলে এলাকাটি বিলীন হয়ে যাবে। বিগত দিনে অপরিকল্পিতভাবে বালু উত্তোলনের ফলে নদীর দিক পরিবর্তন হয়, আর একারনে অসময়ে নদীর ভাঙ্গনের তীব্রতা দেখা দিয়েছে। বাধ নিয়ন্ত্রন রক্ষা না করা গেলে উপজেলার চন্দনশহর, গোপালপুরসহ নদীতীরবর্তী গ্রামগুলো বন্যার হুমকির মুখে পড়বে বলে জানান ওই গ্রামের বাসিন্দা আজিম উদ্দীন। দ্রম্নত পদক্ষেপ না নিলে এ অবস্থায় নদী তীরবর্তী এলাকার কৃষি জমিগুলো হারানোর আশংকা করছেন এলাকাবাসী।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, চারঘাট পৌরসভার ৯ নং ওয়ার্ড সংলগ্ন গোপালপুর গ্রাম ও চন্দনশহর সংলগ্ন প্রায় ১ কি.মি. দীর্ঘ এ নদীতীরের প্রায় একশ' ফুট ভেঙে নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। পাশাপাশি ফাটল দেখা দেখা দিয়েছে আরও এক'শ ফুট এলাকা। ফাটলগুলো এর বড় আকাড়ে দেখা দিয়েছে যে কারনে হুমকির মুখে পড়েছে প্রায় ৩ কি.মি. জুড়ে কয়েকশ' বিঘা কৃষি জমি। পানি কম থাকলেও প্রতিনিয়ত ভাঙন অব্যহত রয়েছে। এলাকাবাসীর অভিযোগ সুষ্ক মৌসুমে পদ্মার ভাঙ্গন এভাবে হলে না জানি বর্ষা মৌসুমে কত ভয়ঙ্কর রুপ নেয় তা দেখার আগে স্থানীয় প্রশাসন ও পানি উন্নয়ন বোর্ডকে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ করেন চন্দনশহরের বাসিন্দা রফিকল ইসলাম।
পানি উন্নয়ন বোর্ড, রাজশাহীর উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী পার্থ সরকার বলেন, যতদ্রম্নত সম্ভব সরেজমিনে নদী ভাঙন এলাকা পরিদর্শন করে নদী ভাঙন প্রতিরোধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।